প্রবন্ধ
নবজাতকের কান্না-রহস্য
২১ নভেম্বর, ২০২৩
১১৮৭০
০
সেই অদৃশ্য কারণ সম্পর্কে রাসুল (সা.) বলে গেছেন।
দুনিয়াতে প্রতিটি মানুষের সঙ্গেই অভিশপ্ত শয়তান আছে। সে আল্লাহর সঙ্গে ওয়াদা করেছে যে তার সর্বোচ্চ চেষ্টা থাকবে বনি আদমকে পথভ্রষ্ট করার। যেহেতু আদম (আ.)-এর কারণে সে জান্নাত থেকে বিতারিত হয়েছে।
সে সময় আল্লাহর সঙ্গে সে শপথ করেছে। তাই সে নবজাতকের অপেক্ষায় থাকে। জন্মের সঙ্গে সঙ্গেই তার ওপর সওয়ার হয়ে যায়। আর খোঁচা দিয়ে তার সঙ্গে পুরনো শত্রুতার কথা স্মরণ করিয়ে দেয়।
আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘সে বলল, তবে আপনার ক্ষমতার শপথ! আমি তাদের সবাইকে বিপথগামী করে ছাড়ব।’ (সুরা : ছাদ, আয়াত : ৮২)
প্রিয় নবী (সা.) এর কারণ বর্ণনা করেছেন। আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, এমন কোনো নবভূমিষ্ঠ সন্তান নেই, যাকে শয়তান স্পর্শ করে না। আর সে নবজাতক সন্তান শয়তানের স্পর্শে কান্নাকাটি শুরু করে শুধু মারইয়াম পুত্র এবং তাঁর মা ছাড়া। তারপর আবু হুরাইরা (রা.) বলেন, তোমাদের ইচ্ছা হলে পড়ো, ‘অবশ্যই আমি অভিশপ্ত শয়তান থেকে তার ও তার বংশধরদের জন্য তোমার শরণাপন্ন হচ্ছি।’ (সুরা : আল-ইমরান, আয়াত : ৩৬) (সহিহ মুসলিম, হাদিস : ৬০২৭)
আর বাহ্যিক কারণ যা চিকিৎসকরা বলে থাকেন। সে সম্পর্কে প্রিয় নবী কিছুই বলেনি। কারণ এটা তো স্পষ্ট। জন্মের আগে নবজাতক মায়ের দেহের সঙ্গে সংযুক্ত আম্বিলিক্যাল কর্ড বা নাভিরজ্জুর মধ্য দিয়ে শ্বাস নেয়। জন্মের কয়েক সেকেন্ড পর শিশু নিজে থেকেই শ্বাস নেয়। শিশু যখন গর্ভের বাইরে আসে, তখন শরীরের বিভিন্ন ফ্লুইড নিঃসরণের ফলে আটকে যায় হৃিপণ্ডের শ্বাস-প্রশ্বাসের পথ। তখন শিশু চিৎকার করে কাঁদতে শুরু করে। এই কান্নার ফলেই পরিষ্কার হয়ে যায় শ্বাস-প্রশ্বাস।
মন্তব্য (...)
এ সম্পর্কিত আরও প্রবন্ধ
সন্তানের মৃত্যুতে ধৈর্য ও পিতা-মাতার জন্য সুসংবাদ
সন্তান আল্লাহ তাআলার অমূল্য নিয়ামত ও শ্রেষ্ঠ আমানত। একজন মা-বাবার জীবনের সবচেয়ে বড় সুখ যেমন সন্তা...
মা-বাবাকে খুশি রাখো, সব জায়গায় সফল হবে
দুঃখজনক বিষয় হলো, পাশ্চাত্যের অশুভ প্রভাবে আমাদের সমাজেও এখন মা-বাবাকে বৃদ্ধাশ্রমে পাঠানোর প্রবণতা ব...
শিশুর সুন্দর নাম রাখা চাই
নাম হলো একজন মানুষের পরিচয়ের অন্যতম মাধ্যম। সুন্দর ও অর্থবোধক নাম রাখা প্রত্যেক পিতা-মাতা, কিংবা অভি...
মন্তব্য (0)
কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!
মন্তব্য করতে লগইন করুন