প্রবন্ধ
খৃষ্টধর্ম না পৌলবাদ (৫ম পর্ব)
৭০৮১
০
শূলবিদ্ধ হওয়ার বিশ্বাস
হযরত ঈসা (আ)-এর সম্পর্কে খ্রিষ্টধর্মের বিশ্বাস হল, ইহুদীরা তাঁকে পন্থীয় পীলাতের আদেশে শূলে চড়িয়ে হত্যা করেছিল। এ বিশ্বাসের কারণে তাদের কাছে ক্রুশচিহ্ন-এরও অনেক মহিমা। তারা সফরকালে, বাড়িতে অবস্থানকালে, যাতায়াতপথে, ওঠা-বসা, খাওয়া-দাওয়া তথা সকল কাজকর্মে নিজেদের চেহারায় ক্রশচিহ্ন এঁকে থাকে এবং গলায়ও ঝুলিয়ে রাখে।
বস্ত্তত ক্রশের মর্যাদা ও ক্রুশবিদ্ধ হওয়ার বিশ্বাসটি পাপমোচন বিশ্বাসের সাথেই সম্পৃক্ত। পাপমোচনের বিশ্বাসটিই যখন ভিত্তিহীন সাব্যস্ত হয়েছে, তখন তার সাথে সম্পৃক্ত ক্রুশেরও কোন মহিমা থাকে না। কিন্তু তারপরও খৃষ্টধর্মে যেহেতু এটা একটা বিশ্বাসের মর্যাদা লাভ করেছে তাই খতিয়ে দেখা দরকার এটা প্রকৃত খৃষ্টধর্মের অংশ ছিল কি না।
একথা সত্য যে, প্রচলিত চারও ইনজীলে হযরত মসীহকে শূলে চড়িয়ে হত্যা করার কথা বর্ণিত হয়েছে। কিন্তু প্রচলিত ইনজীলের বিশ্বাসযোগ্যতা কতটুকু তাও সামনে রাখা দরকার। এক তো ইনজীলসমূহ আসমানী কিতাব নয়; বরং হযরত মসীহ (আ)-এর জীবনীগ্রন্থ। দ্বিতীয়ত এসব গ্রন্থের রচয়িতা কারা তা নিয়ে খোদ খৃষ্টান পন্ডিতদের মধ্যেই রয়েছে তুমুল বিতর্ক। পেছনে আমরা ইওহোন্নার ইনজীল সম্পর্কে গবেষকদের মতামত উল্লেখ করে এসেছি। অনেকেরই ধারণা সেটি খোদ পৌলেরই লেখা। আবার অনেকের মতে বৃদ্ধ ইওহোন্নার লেখা, যিনি খুব সম্ভব পৌলের মৃত্যুর আটাশ বছর পরে গ্রন্থখানি রচনা করেছেন এবং পৌলের দ্বারা তার প্রভাবিত হওয়ার সম্ভাবনা অনেকখানি।
লূক ও মার্ক তো পৌলেরই শিষ্য। সুতরাং তাদের রচনা যে পৌল-প্রভাবিত হবে তাতে সন্দেহ কি? বাকি থাকল মথির ইনজীল।
মথির ইনজীলও আদৌ হাওয়ারী মথির লেখা নয়। এর প্রমাণ মথির ইনজীল নিজেই। এর এক জায়গায় আছে, ‘ঈসা যখন সেখান থেকে চলে যাচ্ছিলেন তখন মথি নামে একজন লোককে খাজনা আদায় করবার ঘরে বসে থাকতে দেখলেন। ঈসা তাকে বললেন, এস, আমার উম্মত হও। মথি তখনই উঠে তার সঙ্গে গেলেন। এরপরে ঈসা মথির বাড়িতে খেতে বসলেন। (মথি ৯:৯-১০) প্রশ্ন হল মথিই যদি এ ইনজীলের লেখক হন তবে এস্থলে তিনি নামপুরুষের সাথে কেন বলছেন ‘মথি নামে একজন লোক ...’? বলা উচিত ছিল, ‘তখন আমাকে খাজনা আদায় করার ঘরে বসে থাকতে দেখলেন।’ ঈসা আমাকে বললেন, ...। আমি তখনই’ ...। ‘ঈসা আমার বাড়িতে খেতে বসলেন’। এটা স্পষ্ট সাক্ষ্য দেয় যে, এ ইনজীলের লেখক হাওয়ারী মথি নন। বরং ইনি পরবর্তীকালের জনৈক মথি। কিংবা অন্য কোন লোক যিনি নিজ রচনাকে হাওয়ারী মথির নামে চালিয়ে দিয়েছেন। যেই হোন না কেন, তিনি পৌল দ্বারা প্রভাবিত বা পৌলের শিষ্য-প্রশিষ্য দ্বারা শিক্ষাপ্রাপ্ত, যে কারণে তার রচনায়ও পৌলীয় দৃষ্টিভঙ্গি স্থান পেয়েছে। (বিস্তারিত দেখুন : মরিস বুকাইলি, বাইবেল, কুরআন ও বিজ্ঞান; মাওলানা আবদুল মতীন, বাইবেল বিকৃতি : তথ্য ও প্রমাণ)।
শূলবিদ্ধ হওয়ার বিশ্বাস ও সেন্ট পৌল
সেন্ট পৌল যেমন পাপমোচন তত্ত্বের উদ্ভাবক, তেমনি হযরত মসীহ (আ)-এর মৃত্যু ও শূলবিদ্ধতার বিশ্বাসও তারই তৈরি। তিনিই দ্ব্যর্থহীন ঘোষণা দেন ‘আমরা ক্রুশের উপরে হত্যা করা মসীহের কথা তবলীগ করি’ (১ করিন্থীয় ১ : ২৩)।
আরও বলেন, ‘আমি ঠিক করেছিলাম, তোমাদের কাছে থাকবার সময়ে আমি ঈসা মসীহকে অর্থাৎ ক্রুশের উপর হত্যা করা ঈসা মসীহকে জানা ছাড়া আর কিছুই জানব না’ (১ করিন্থীয় ২ : ২)।
‘তাকে দুর্বল অবস্থায় ক্রুশের উপরে হত্যা করা হয়েছিল বটে। কিন্তু আল্লাহর শক্তিতে তিনি জীবিত আছেন’ (২ করিন্থীয় ১৩ : ৪)।
‘তিনি তার ক্রুশের উপর হত্যা করা শরীরের মধ্য দিয়ে সমস্ত হুকুম ও নিয়মসুদ্ধ মুসার শরীয়তের শক্তিকে বাতিল করেছেন (ইফিষীয় ২ : ১৪-১৫)।
আমাদের আল্লাহ ও পিতার ইচ্ছামত মসীহ আমাদের গুনাহের জন্য নিজের জীবন দিয়েছিলেন, যেন তিনি এখনকার এই খারাপ দুনিয়ার হাত থেকে আমাদের রক্ষা করতে পারেন’ (গালাতীয় ১ : ৪)।
শেষোক্ত উক্তিটি দ্বারাই বোঝা যাচ্ছে, পাপমোচন তত্ত্বটির প্রতিষ্ঠাদানের জন্য হযরত মসীহের মৃত্যুতত্ত্বকেও প্রতিষ্ঠা করা জরুরি ছিল। সুতরাং পৌল জোরদারভাবেই এর প্রচারে ব্রতী থেকেছেন। এ কথা ঠিক যে, হযরত মসীহের বিচারের জন্য ইহুদীদের উপর্যুপরি দাবি ও চাপের মুখে পন্থীয় পীলাত বিচারের উদ্যোগ করেছিল এবং মসীহের নামে এক ব্যক্তিকে শূলে চড়িয়েছিল, আর সেটাকেই ইহুদীরা হযরত মসীহের হত্যা বলে প্রচার করে দিয়েছে, কিন্তু বাস্তবে সে ব্যক্তি আদৌ মসীহ ছিলেন না। কুরআন মজীদের ঘোষণা-তারা তাকে হত্যা করেনি, ক্রুশবিদ্ধও করেনি, কিন্তু তাদের এরূপ বিভ্রম হয়েছিল। যারা তার সম্বন্ধে মতভেদ করেছিল, তারা নিশ্চয় এ সম্বন্ধে সংশয়যুক্ত ছিল। এ সম্পর্কে অনুমানের অনুসরণ ছাড়া তাদের কোন জ্ঞানই ছিল না। এটা নিশ্চিত যে, তারা তাকে হত্যা করেনি; বরং আল্লাহ তাকে তার কাছে তুলে নিয়েছেন। (নিসা : ১৫৭-১৫৮)।
হযরত মসীহের নামে যে ব্যক্তিকে শূলে চড়ানো হয়েছিল, আসলে সে ছিল এহুদা এস্কারিয়োত। যেমন বার্ণাবাসের বাইবেলে স্পষ্ট বলা হয়েছে। তা ছাড়া সম্প্রতি আবিষ্কৃত পিতরের ইনজীলে পরিষ্কার ভাষায় বলা আছে, শূলে চড়ানোর কিছুটা আগেই হযরত মসীহ (আ)-কে আসমানে তুলে নেওয়া হয়েছিল (খৃষ্টধর্মের স্বরূপ, পৃ. ৪২, টীকা দ্রষ্টব্য)।
কিন্তু বাস্তবতা যাই হোক না কেন, পৌলের দর্শন বলে কথা। সে দর্শনের পক্ষে যদি মসীহকে হত্যা করা সম্পর্কে ইহুদীদের অসত্য প্রচারণাও থাকে তাও তার লুফে নিতে দ্বিধা নেই। দ্বিধা তো করেনইনি; বরং নিজ দার্শনিকতার প্রলেপ লাগিয়ে সেই প্রচারণাকে আরও বলবন্ত করে তুলেছেন। ফলে ক্রুশবিদ্ধ হওয়াটা কেবল সত্যেই পরিণত হয়নি, হযরত মসীহ (আ)-এর বাড়তি মাহাত্ম্য ও মানবজাতির পাপমোচনের অছিলা হওয়ার কারণে খৃষ্টসম্প্রদায়ের মহান বিশ্বাসেরও স্থান লাভ করেছে। কেবল ক্রুশবিদ্ধ হওয়াই কি? সেই সঙ্গে ছুতারের হাতুর-বাটালে তৈরি নিষ্প্রাণ ক্রুশখানিও তাদের ভক্তি-বিশ্বাসের জীবন্ত নিদর্শন হয়ে গেছে। পৌল তো বলেই দিয়েছেন, ‘খোদাবন্দ মসীহের ক্রুশ ছাড়া আমি যেন আর কিছুতেই গর্ববোধ না করি। এই ক্রুশের মধ্য দিয়েই দুনিয়া আমার নিকট মরে গেছে এবং আমিও দুনিয়ার কাছে মরে গেছি’ (গালাতীয় ৬ : ১৪)।
হযরত মসীহ (আ)-এর পুনর্জীবিত হওয়া
হযরত মসীহ (আ) সম্পর্কে খৃষ্টানদের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিশ্বাস হল, তিনি ক্রুশবিদ্ধ হয়ে মৃত্যুবরণ করার তিনদিন পর পুনরায় জীবিত হন এবং হাওয়ারীদেরকে দেখা দিয়ে তাদেরকে কিছু উপদেশও দেন। তারপর তিনি আসমানে চলে যান।
বলাবাহুল্য এ বিশ্বাসটি পূর্বোক্ত বিশ্বাসেরই পরিশিষ্ট। এবং এটিও পৌলেরই উদ্ভাবন। যেখানে প্রধান হাওয়ারী পিতরের মতে হযরত মসীহ (আ)-এর মৃত্যুই হয়নি; বরং শূলে চড়ানোর আগেই তাকে আসমানে তুলে নেওয়া হয়েছিল এবং অপর বিশিষ্ট হাওয়ারী বার্ণাবাসের বর্ণনানুসারে শূলে চড়ানো হয়েছিল এহুদা এস্কারিয়োতকে, সেখানে হযরত মসীহকে দাফন করা এবং তিনদিন পর তার পুনর্জীবিত হওয়ার বিষয়টিই তো সম্পূর্ণ অবাস্তব। পৌলই যেহেতু ইহুদী প্রচারণাকে লুফে নিয়ে পাপমোচন তত্ত্বকে প্রতিষ্ঠাকরণের লক্ষে শূলে চড়ানোর সপক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন এবং তাঁর চিঠিপত্রে জোরদারভাবে এটা উপস্থাপন করেছিলেন, তাই নিশ্চিত করেই বলা যায়, ‘মসীহের পুনর্জীবিত হওয়া’র গল্পটিও সর্বপ্রথম তিনিই তৈরি করেছিলেন, যাতে পরবর্তীকালে ‘তাকে মসীহের দেখা দেওয়া ও সাহাবী বানানো’র গল্প প্রচার করা ও তা হজম করানো সহজ হয়। সুতরাং তিনি তার চিঠিতে লেখেন, ‘ঈসা মসীহ সম্বন্ধে এই কথা মনে রেখ যে, তাঁকে মৃত্যু থেকে জীবিত করে তোলা হয়েছিল’ (২ তীমথিয় ২ : ৮)।
‘যিনি মরেছিলেন এবং যাকে মৃত্যু থেকে জীবিত করা হয়েছে সেই মসীহ ঈসা এখন আল্লার ডান পাশে আছেন এবং আমাদের জন্য অনুরোধ করছেন’ (রোমীয় ৮ : ৩৪)।
‘যদি তুমি ঈসাকে প্রভু বলে মুখে স্বীকার কর এবং দিলে ঈমান আন যে, আল্লাহ তাকে মৃত্যু থেকে জীবিত করে তুলেছেন, তবেই তুমি নাজাত পাবে’ (রোমীয় ১০ : ৯)।
‘মসীহ আমাদের গুনাহের জন্য মরেছিলেন, তাঁকে দাফন করা হয়েছিল, কিতাবের কথামত তিনদিনের দিন তাকে মৃত্যু থেকে জীবিত করা হয়েছে, আর তিনি পিতরকে ও পরে তার সাহাবীদের দেখা দিয়েছিলেন ... অসময়ে জন্মেছি যে আমি, সেই আমাকেও তিনি সবার শেষে দেখা দিয়েছিলেন’ (১ করিন্থীয় ১৫ : ৩-৮)।
বস্ত্তত এই শেষের কথাটিই আসল। আর এর ক্ষেত্র প্রস্ত্ততের লক্ষেই আগের সব কথা। অর্থাৎ তার দাবিমত সবশেষে অলৌকিক সাক্ষাৎকারের মাধ্যমে খৃষ্টধর্মের নতুন যে শিক্ষা তাকে দেওয়া হয়েছিল তা যাতে সকলে সহজেই গ্রহণ করে নেয়, সেজন্যই তিনি তার রচিত কাহিনীতে হযরত মসীহ (আ) কে শূলে চড়িয়েছেন, দাফন করেছেন, তিনদিন পর জীবিত করে তুলেছেন এবং হাওয়ারী ও অন্যান্য লোকদের সঙ্গে সাক্ষাত করিয়েছেন। তারপর আসল মতলবের কথাটি সবশেষে বলেছেন, যে, ‘আমাকেও তিনি সবার শেষে দেখা দিয়েছিলেন।’
ইনজীলসমূহেও এ কাহিনী আছে বটে, কিন্তু সে ব্যাপারে কথা তাই, যা পূর্বোক্ত ‘শূলবিদ্ধ হওয়ার বিশ্বাস’-এর পর্যালোচনায় বলা হয়েছে।
তাওরাতের অনুসরণ প্রসঙ্গ
তাওরাত বনী ইসরাঈলের ধর্মগ্রন্থ। এ জাতির মহান নবী হযরত মূসা আলাইহিস সালামের উপর এ কিতাব নাযিল হয়েছিল। হযরত ঈসা (আ)ও বনী ইসরাঈলেরই নবী এবং এ জাতির সর্বশেষ পয়গম্বর। তিনি বলেন, ‘আমাকে কেবল বনী ইসরাঈলের হারানো ভেড়াদের কাছেই পাঠানো হয়েছে’ (মথি ১৫ : ২৪)।
অর্থাৎ যারা তাওরাত ও মুসা (আ)-এর শরীয়ত থেকে সরে গেছে তাদেরকে সেই পথে ফিরিয়ে আনার জন্যই তার আবির্ভাব। সুতরাং তিনি জীবনভর মানুষকে তাওরাতের দিকেই ডেকেছেন। কখনও তাওরাত রহিত হয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেননি। বরং তিনি তার বিভিন্ন বাণীতে স্পষ্ট বলেছেন, আমার উদ্দেশ্য তাওরাতের বিরুদ্ধাচরণ করা নয়; বরং আমি তাওরাতের সমর্থন করি। মথির ইনজীলে আছে, ‘এই কথা মনে করো না যে, আমি তাওরাত বা নবীদের কিতাব বাতিল করতে এসেছি। আমি সেগুলো বাতিল করতে আসিনি; বরং পূর্ণ করতে এসেছি। আমি তোমাদের সত্যিই বলছি, আসমান ও যমীন শেষ না হওয়া পর্যন্ত, যতদিন না তাওরাত কিতাবের সমস্ত কথা সফল হয়, ততদিন সেই তাওরাতের এক বিন্দু কি এক মাত্রা মুছে যাবে না’। (মথি ৫ : ১৭-১৮)।
আরেকবার বলেন, তোমরা অন্য লোকদের কাছ থেকে যে রকম ব্যবহার পেতে চাও তোমরাও তাদের সংগে সেই রকম ব্যবহার করো। এটাই হল তাওরাত কিতাব ও নবীদের কিতাবের শিক্ষার মূল কথা (মথি ৭ : ১২)।
আরও বলেন, শরীয়ত শিক্ষা দেবার ব্যাপারে আলেমরা ও ফরীশীরা মূসা নবীর জায়গায় আছেন। এজন্য তারা যা কিছু করতে বলেন তা করো এবং যা পালন করবার হুকুম দেন তা পালন করো (মথি ২৩ : ২-৩)।
প্রকাশ থাকে যে, শরীয়ত বলতে হযরত মূসা (আ)-এর শরীয়ত ও তাওরাতকে বোঝানো হয়েছে। হযরত ‘ঈসা (আ)-এর এসব উক্তি দ্বারা সুস্পষ্টভাবেই বোঝা যাচ্ছে, তিনি তাওরাত কিতাবকে রহিত বলে মনে তো করতেনই না; বরং তাকে অবশ্য পালনীয়ও মনে করতেন এবং তার উম্মতের জন্য তাওরাতের বিধানাবলি মেনে চলা অবশ্যকর্তব্য বলেই প্রচার করতেন।
মন্তব্য (...)
এ সম্পর্কিত আরও প্রবন্ধ
খৃষ্টধর্ম না পৌলবাদ (৬ষ্ঠ পর্ব)
তাওরাত সম্পর্কে পৌলের অভিমত কিন্তু সেন্ট পৌলের অভিমত এর সম্পূর্ণ বিপরীত। তিনি তাওরাতকে একখানি বাতিল ...
قضية الخلق وسقوط نظرية دارون
...
کمیونزم نہیں، اسلام
نام نہاد کمیونزم میں جس قدر مسکین نوازی ہے اس سے کہیں زیادہ امام ولی اللہ رحمہ اللہ تعالٰی کے فلسفے ...
কুরআন-হাদীসের ভুল বা অপব্যাখ্যার ব্যাপারে শরী‘আতের নির্দেশ
হিদায়াত কাকে বলে ? আল্লাহ তা ‘ আলা দুনিয়াতে দুটি রাস্তা চালু করেছেন , একটি হিদায়াত এবং জান্নাতের রাস...
মন্তব্য (0)
কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!
মন্তব্য করতে লগইন করুন