দুনিয়া থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়া: হজের প্রস্তুতি
দুনিয়া থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়া: হজের প্রস্তুতি
[নামাজের দুটি দিক রয়েছে—বাহ্যিক মাসায়েল এবং অভ্যন্তরীণ ধ্যান; উভয় দিকই শুদ্ধ হওয়া জরুরি। বাহ্যিক মাসায়েল শেখা সহজ কিন্তু দিলের ধ্যান ঠিক করতে বেশি মেহনত লাগে। সব যুগের আল্লাহওয়ালারা প্রধানত দিলের অবস্থা ঠিক করার জন্যই বেশি মেহনত করেছেন। হজযাত্রীদের মাসায়েল চর্চা করা, নির্ভরযোগ্য কিতাব পড়া এবং উলামাদের কাছে প্রশ্ন করা উচিত। ফাজায়েলের অংশ বারবার পড়ে দিলের মধ্যে আসর ফেলা জরুরি, যাতে মন আল্লাহর দিকে মুতাওয়াজ্জেহ থাকে। সব ইবাদত মানুষের মনকে অন্য সবকিছু থেকে বিচ্ছিন্ন করে আল্লাহর সাথে জুড়ে দেয়। নামাজে তাকবিরে তাহরিমা এবং হজে ইহরাম—উভয়ই 'হারাম' শব্দ থেকে এসেছে, যার অর্থ নিষিদ্ধ করা। ইহরামের পর অনেক কাজ নিষিদ্ধ হয়, কিন্তু মূল গভীর কাজ হলো অন্যের সম্পর্ক দিল থেকে নিষিদ্ধ করা। হজে মাথা খালি রাখা ও মহিলাদের চেহারায় কাপড় না লাগানো হাশরের ময়দানের উলঙ্গ অবস্থার প্রতীক। হাশরের ময়দানে মানুষ নিজ চিন্তায় এত ব্যস্ত থাকবে যে অন্যের দিকে তাকানোর সময় পাবে না। হজেও ওই অবস্থা সৃষ্টি করতে হবে—এক আল্লাহর ধ্যান ছাড়া সব চিন্তা দূর করতে হবে। হজের নিয়ত করার পর থেকে দুনিয়ার সব ইচ্ছা, এমনকি জায়েজ প্রয়োজন ও দায়িত্বও দিল থেকে বের করে দেওয়া উচিত। এর জন্য বেশি দোয়া করা এবং শুধু একটি চাহিদা রাখা—আল্লাহ যেন বান্দা হিসেবে কবুল করে নেন।]
[১৪ই নভেম্বর ২০০৭, বুধবার সকালে নাস্তার পর নাটোরের এক বাসায় হজযাত্রীদের সাথে মুযাকারা]
যখন কেউ নামাজ পড়ছে তো ওইভাবে নামাজ পড়া, যেভাবে নামাজ পড়া উচিত।
তার দুটো দিক, উচিত কী, একটা হলো বাইরের দিক, যেগুলোকে মাসআলা-মাসায়েল বলা হয়, যেমন: নামাজের কিয়াম যেন শুদ্ধ হয়, কিরাত যেন শুদ্ধ হয়, রুকু-সিজদা শুদ্ধ হয়, মাসআলা-মাসায়েল যেগুলোকে বলা হয়।
আর অভ্যন্তরের দিক হলো, মনের অবস্থাও যেন শুদ্ধ হয়। যদি রুকু-কিয়াম শুদ্ধ না হয়, তাহলে যেভাবে মাসায়েলের দিক থেকে নামাজ বেঠিক হয়ে গেল, ঠিকমতো আদায় হলো না, একইভাবে ধ্যান যদি ঠিক না হয়, তো সেদিক থেকেও তা বেঠিক হয়ে গেল।
নামাজের সময় অন্য দিকে ধ্যান দেওয়া উচিত নয়, শুধু আল্লাহর দিকে ধ্যান দেওয়া। যেরকম সব ইবাদত সম্পর্কে বলা হয়েছে যে, এমনভাবে ইবাদত করা, যেন তুমি আল্লাহকে দেখছো। তা যদি না হয় তাহলে কমপক্ষে এইটুকু যে, আল্লাহ তো আমাকে দেখছেন।
দুটোই মেহনত করে শেখার জিনিস। বাহ্যিক মাসায়েল যেগুলো শেখার আছে, সেগুলো তুলনামূলকভাবে সহজ, নামাজের মাসআলা-মাসায়েল শিখতে, একজন যদি খেয়াল করে, বেশি সময় লাগবে না। কিন্তু ওই ধ্যানের অংশ যেটা, ওইটা অনেক বেশি গভীর, অনেক বেশি মেহনতও লাগে। আর তার জন্যই বেশি মেহনত করতে হয়।
সব জামানায় দীনের যে মেহনত হয়েছে, একেবারে রাসূলে কারিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে আরম্ভ করে পরবর্তীকালের যত আল্লাহওয়ালা দীনের যত মেহনত করেছেন, প্রধানত ওই দিলের ভেতরটা ঠিক করার জন্যই বেশি মেহনত করেছেন। কারণ, বাইরে ওইটা ঠিক করতে অত বেশি মেহনত লাগে না, এবং ভেতর ঠিক হয়ে গেলে, ধ্যান ঠিক হয়ে গেলে, বাইরেরটা খুব সহজেই ঠিক হয়ে যায়। দুটোর জন্য খুব মেহনত লাগে। আল্লাহ তায়ালা আমাদের আমলের তাওফিক নসিব করেন, তার কদর করা, তার মধ্যে হজ কম লোকেরই নসিব হয়। বিভিন্ন শর্ত যেরকম আছে, নামাজ তো আল্লাহর মেহেরবানি অনেকেই পড়তে পারে, কিন্তু হজ তো অনেকেই করতে পারে না। আল্লাহ তায়ালা যাকে তাওফিক নসিব করেছেন, সে যেন তার সম্পূর্ণ শক্তি প্রয়োগ করে এটাকে সুন্দর করে আদায় করার জন্য।
মাসআলার দিক থেকে খুব চর্চা হওয়া দরকার। দুই। চর্চা বলতে দুইটা জিনিস বোঝায়। একটা হলো, ভালো নির্ভরযোগ্য কিতাব খুলে দেখা, পড়া, আর এটা নিয়ে আলোচনা করা। সময় কম, নইলে বেশি দরকার এই যে, উলামাদের কাছে এগুলো বারবার করে প্রশ্ন করা, উত্তর নেওয়া। যারা জানে তাদের সাথে চর্চা করা। যেটুকু সময় বাকি আছে এর মধ্যে এগুলো করা দরকার। মাসায়েলের কিতাব নিজেই বারবার করে পড়া, পাশাপাশি সঙ্গী বানিয়ে, যেমন এ ক্ষেত্রে আরিফের আব্বাও আছেন, উভয়ে মিলে মাসায়েল দেখা, যাতে দুজনে মিলে আলোচনা করলে, কথাবার্তা বললে কথাটা পরিষ্কার হয়। আর বড় জরুরি হলো, ফাজায়েলের অংশকে বারবার করে পড়া। এটা ঠিক শেখা বলতে যা বোঝায় যে, ফাজায়েলের কী কী অংশ শিখলাম মনে আছে। মনে থাকা ভিন্ন জিনিস, দিলের মধ্যে আসর পড়া ভিন্ন জিনিস। মাসায়েলের অংশে প্রধান বিষয় তো মনে থাকাই, করার সময় যাতে ঠিকমতো করতে পারি। কিন্তু ফাজায়েলের অংশ যেটা, সে ক্ষেত্রে দিলের মধ্যে এরকম আসর থাকা যে, আমার দিল যেন ওই দিকে মুতাওয়াজ্জেহ থাকে, অন্য দিকে খেয়ালই না হয়।
সব আমলই মানুষের মনকে অন্য সবকিছু থেকে বিচ্ছিন্ন করে দূরে সরিয়ে আল্লাহর সাথে জুড়ে দেয়। নামাজ যেরকম, নামাজের আরম্ভ তাকবিরে তাহরিমা, সব সম্পর্ক হারাম করে দিলো এক আল্লাহর সামনে দাঁড়ানো। আল্লাহর সামনেই সম্পর্ক করা, নামাজের মধ্যে। ওই একই জিনিসই হজের মধ্যেও, এখানেও শব্দ একই। ওখানেও নামাজ যেরকম আরম্ভ হয় তাকবিরে তাহরিমা দিয়ে, হজও আরম্ভ হয় ইহরাম দিয়ে। ইহরাম, তাকবিরে তাহরিমা এই শব্দগুলোর মূল শব্দ হারাম থেকে। হারাম মানে নিষিদ্ধ করা। তো তাকবিরে তাহরিমা থেকেই যেরকম বাইরের সব কাজ নিষিদ্ধ হয়ে গেল, মনের দিক থেকেও মনকে অন্য কোনো দিকে নেওয়াও নিষিদ্ধ হয়ে গেল। অন্য কারো চিন্তা না করা, কারো খেয়াল না করা, কারো সাথে সম্পর্ক না রাখা; মনকে সম্পূর্ণ আল্লাহর দিকে দিয়ে দেওয়া। হজের ইহরাম বাঁধার পর থেকে ওইরকম অনেকগুলো কাজ নিষিদ্ধ হলো। কাজ যেগুলো নিষিদ্ধ হলো, সেগুলো আদায় করা কঠিন কোনো বিষয় নয়। একটু দেখতে হবে যে, কোন কোন কাজ করা যায় না, সেগুলো নিষিদ্ধ করা। কিন্তু মূল গভীর কাজ হলো অন্যের সম্পর্ক দিল থেকে নিষিদ্ধ করা। অন্য কোনো চিন্তা না করা, কোনো খেয়াল না করা, এক আল্লাহর দিকে দিলকে পুরোপুরি মুতাওয়াজ্জেহ করে দেওয়া, ঘুরিয়ে দেওয়া। আর একেবারে বাস্তবে হাশরের ময়দানে যেরকম মানুষের কারো দিকে কোনো খেয়াল থাকে না, এক আল্লাহর ধ্যানে এক চিন্তার মধ্যে নিমগ্ন থাকে। হাশরের ময়দানে মানুষ উলঙ্গ উঠবে।
আয়েশা রা. রাসূলে কারিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে জিজ্ঞাসা করলেন যে, দুনিয়ার সব মানুষের সামনে উলঙ্গ হতে লজ্জা লাগবে না? রাসূলে কারিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন যে, মানুষ নিজ হালে এত পেরেশান থাকবে যে, কারো দিকে তাকানোর তার কোনো অবকাশ থাকবে না।
তো হজেও ওই অবস্থাই করা, ইহরামের হালতে যে পোশাক, ওইটা আসলে প্রতীক হিসেবে আসলে উলঙ্গ থাকাই। দুনিয়াতে যেহেতু কিছু নিয়ম আছে, একেবারে উলঙ্গ থাকা যায় না, সেইজন্য প্রতীক হিসেবে মাথা খালি রাখা। মাথা খালি থাকা ওই কাপড় কিছু না থাকারই প্রমাণ, কারণ মাথা ঢাকা দিয়ে মানুষের সম্মান প্রকাশ করা হয়। দুনিয়াতে সব সম্মানের সাথে সম্পর্ক মাথার পোশাক। রাজার মুকুট থাকে, আল্লাহওয়ালাদের ওইরকম মাথার কিছু পোশাক থাকে, পাগড়ি ইত্যাদি কিছু থাকে। তো মাথার পোশাক মানুষের সম্মান রক্ষার একটা বিশেষ প্রতীক। তার নিজের পরিচয় দেওয়ার প্রতীক। রাজাকে চেনা যায় মুকুট দিয়ে। ওই মাথাই খালি করে দিলো ইহরামের সময়, একেবারে তার কোনো পরিচয়ই নেই, কোনো সম্মানই নেই, কোনো কাপড়-পোশাক কিছু না থাকার মতোই। যদি দুনিয়ার কিছু নিয়মের বাধ্যতা না থাকত, তাহলে হয়তো কোনো জামাই থাকত না। তো ওইটা তো রাখতে হয় যেহেতু দুনিয়াতে আমরা আছি। কিন্তু মাথা খালি করে দিয়ে ইহরামের মধ্যে ওইটা দেখানো হলো যে, আসলে সে হাশরের ময়দানে চলে গেছে। অন্যান্য জায়গায়, বিশেষ করে নামাজের মধ্যে, মাথা খালি রাখা হচ্ছে আদবের খেলাফ, আমাদের জন্য সেইজন্য মসজিদগুলোতে টুপিও থাকে। যে কমপক্ষে অন্যসময় যদি নাও থাকে, তো নামাজের সময় যেন মাথা ঢেকে নামাজ পড়ে। আর ইহরামে একেবারে উলটা জিনিস, মাথা খালি করা। ওইরকম চেহারায় নেকাব ঢাকা।
মহিলাদের জন্য বড় হুকুম হচ্ছে পর্দা করা, অথচ ইহরামের অবস্থায় চেহারায় যেন কাপড় না লাগে। তবে আবার ওই একই কথা, দুনিয়াতে যেহেতু আমরা আছি, একেবারে মানুষের সামনে বেপর্দা হাজির হওয়া যাবে না, তখন এমন বন্দোবস্ত করা, যাতে চেহারায় কাপড় না লাগে, কিন্তু পর্দা যেন হয়ে যায়।
ওই আজকাল পাওয়া যায় ক্যাপ-টুপির মতো, যে ক্যাপের মতো একটা টুপি নিচে পরে দিয়ে তারপর উপরে নেকাব দিয়ে দিলে তারপর আর ওইটুকু ওই চেহারির উপর লাগে না, আর সামনে একটু পর্দাও হয়ে গেল। তো মূল কথা হলো, একেবারে হাশরের ময়দানে যেরকম মানুষ একেবারে নিজ হালে থাকবে, কেউ কারো দিকে তাকাবে না, এক আল্লাহর ধ্যানের মধ্যে থাকবে, তো সম্পূর্ণ হজের সফরও ওইরকমই হওয়া। অন্য কোনো দিকে খেয়াল নয়, এক খেয়ালের মধ্যে এক ধ্যানের মধ্যে সম্পূর্ণ সময় কাটানো, কিন্তু এটা তো মুখে বললেই হলো না। ধ্যান এমন ধরনের জিনিস নয় যে, মুখে বললাম আর হয়ে গেল, মেহনত লাগে, আগে থেকে চর্চা লাগে। তাকবিরে তাহরিমা বললাম আর মন থেকে সব জিনিস বাইরে চলে গেল তা তো হয় না।
নামাজে দাঁড়ানোর পরেও তো সব খেয়াল চলে আসে। তো হজের ভেতরে যাতে অন্য খেয়াল না আসে এই জন্য ফিকির করতে থাকা, এখন থেকে দোয়া করা, চেষ্টা করা। মাসায়েলের, বিশেষ করে ফাজায়েলের অংশগুলোকে বারবার করে পড়া। আর দিল থেকে বাকি সব চাহিদা দূর করা।
এখন থেকে এই যে কথাগুলো আসছে যেমন আরিফদি ইত্যাদি এগুলোতে বিলকুল সত্য কথা যে বিয়ে-শাদি হওয়া দরকার। কিন্তু হজের জন্য যে নিয়ত করে ফেলেছে, এখন থেকেই দুনিয়ার সব ইচ্ছা, সব প্রয়োজন, সব জরুরিয়াত, সব জায়েজ জিনিস পর্যন্তও দিল থেকে বের করে দেওয়া।
একজন মানুষ হাসপাতালে যখন থাকে, কোনো রোগী যদি মুমূর্ষু অবস্থায় থাকে, একেবারে তার জ্ঞান আছে-নেই, এখন মরে না কখন মরে, তো ওই অবস্থায় যেরকম মা-বাপ তার ছেলেসন্তানেরও খেয়াল করতে পারে না, খেয়ালও থাকে না, একেবারে তার নিজস্ব অবস্থার মধ্যে চলে যায়। তখন যদি তার ছোট বাচ্চা থাকে, অল্পবয়সি মহিলা হয়তো, ছোট বাচ্চা কিন্তু বাচ্চা দুধ খেলো কি না, কাঁদছে কি না তাও বোঝে না, কারণ একেবারে মুমূর্ষু অবস্থায় চলে গেছে। ঠিক ওইরকম ছেলেমেয়েদের বিয়েশাদি হলো কি না, আগে অনেক চিন্তা করেছে যদিও, কিন্তু হাসপাতালের মুমূর্ষু অবস্থায় ওগুলো আর খেয়াল থাকে না। তো হজে যাওয়া তো এরকমই হওয়া চাই যে, দুনিয়া থেকে আমার এখন থেকেই বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়া, যে, আমার প্রয়োজন যেগুলো, এমনকি আমার অনেক দায়িত্ব যেগুলো, যেমন ছেলেমেয়েদের বিয়েশাদি এগুলো দায়িত্বের মধ্যেই পড়ে; কিন্তু ইহরামের একটা হালতের মধ্যে যখন চলে যায়, তখন এগুলোও ভুলে যাওয়া। এরপর আর আমার কোনো ফিকির করার দরকার নেই। এখন যদি কিসমতে থাকে তো হবে, না থাকে তো না হবে। হলো কি না হলো, আমার কোনো চিন্তার দরকার নেই। হজে যাওয়ার পরে তো এই চিন্তা করার কোনো প্রশ্নই ওঠে না, আগে থেকেই এই চিন্তাগুলোকে দিল থেকে বের করে দেওয়া, যাতে আমার আসল হজটা যেন শুদ্ধ হয়।
আল্লাহ তায়ালা তাওফিক নসিব করেছেন, যাচ্ছি, এটার জন্য আমি জাহিরিভাবে মাসআলা-মাসায়েলের দিক থেকে আর বাতিনিভাবে অন্তরের দিক থেকে সম্পূর্ণ প্রস্তুত হয়ে যাই, যেন আল্লাহ তায়ালা কবুল করে নেন। আল্লাহ তাওফিক নসিব করুন। এর জন্য বেশি বেশি করে দোয়া করা, আর দোয়া এটার যে, আয় আল্লাহ! তুমি আমাকে তোমার বানিয়ে নাও, তোমার বান্দা বানিয়ে নাও। আমার এটা পূরা করো, এটা পূরা করো, এটা পূরা করো, নানান ধরনের মানুষের চাহিদা যেগুলো থাকে, সারাজীবন যেগুলোর চাহিদা ছিল, এগুলোর জায়েজ চাহিদা যেগুলো ছিল, সেগুলোও দিল থেকে বের করে দেওয়া। বরং একটাই যে, আয় আল্লাহ! তুমি আমাকে তোমার বান্দা হিসেবে কবুল করে নাও।
سُبْحَانَ الله وَبِحَمْدِهِ، سُبْحَانَكَ اللَّهُمَّ وَبِحَمْدِكَ نَشْهَدُ أَنْ لا إِلَهَ إِلا أَنْتَ ، نَسْتَغْفِرُكَ وَ نَتُوبُ إِلَيْكَ.
سُبْحَانَ رَبِّكَ رَبِّ الْعِزَّةِ عمَّا يَصِفُوْنَ، وَسَلاَمٌ عَلَى الْمُرْسَلِيْنَ، وَالْحَمْدُ للهِ رَبِّ الْعَالَمِيْنَ، آمِيْن.
[সমাপ্ত]
মন্তব্য (...)
এ সম্পর্কিত আরও প্রবন্ধ
দুআ কবুল না হওয়ার কারণ: আমরা কি ভুল চাইছি?
[প্রদত্ত বয়ান থেকে সংগৃহীত] أعوذ بالله من الشيطان الرجيم. بسم الله الرحمن الرحيم مَنۡ عَمِلَ صَالِح...
প্রফেসর হযরত মুশফিক আহমদ রহ.
১২ জানুয়ারী, ২০২৬
৫৬৮১
দাওয়াতের প্রাণ মুহাব্বত
আল্লাহ তাআ’লা আমাদেরকে ইখলাসের হুকুম দিয়েছেন। ইবাদতের মধ্যে যেমন ইখলাস দিয়েই তার মূল্য। পরিমাণে খুবই...
প্রফেসর হযরত মুশফিক আহমদ রহ.
১৭ জানুয়ারী, ২০২৬
৪৮৮১
জরুরত - মানুষের প্রয়োজন ও ইবাদত
আল্লাহ তায়ালা বলেন: وَأْمُرْ أَهْلَكَ بِالصَّلَاةِ وَاصْطَبِرْ عَلَيْهَا لَا نَسْأَلُكَ رِزْقًا نَّ...
প্রফেসর হযরত মুশফিক আহমদ রহ.
২০ জানুয়ারী, ২০২৬
৪৮৪৩
ত্যাগের বিনিময়ে সম্পর্ক: উম্মতের মহব্বতের বুনিয়াদ
[প্রদত্ত বয়ান থেকে সংগৃহীত] স্থান: গাউসনগর জামে মসজিদ, ইস্কাটন রোড, ঢাকা তারিখ: ৯ জুন ২০০৬,বেলা:৩.৩...
প্রফেসর হযরত মুশফিক আহমদ রহ.
১২ জানুয়ারী, ২০২৬
৩৬৯০
মন্তব্য (0)
কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!
মন্তব্য করতে লগইন করুন