আল মুসনাদুস সহীহ- ইমাম মুসলিম রহঃ
২৫- হিবা / উপহার প্রদান সংক্রান্ত অধ্যায়
হাদীস নং: ৪০৫২
আন্তর্জাতিক নং: ১৬২৫-১১
- হিবা / উপহার প্রদান সংক্রান্ত অধ্যায়
৪. উমরা’ অর্থাৎ ’জীবনকালের জন্য’ দান করা
৪০৫২। মুহাম্মাদ ইবনে রাফি’ ও ইসহাক ইবনে মানসুর (রাহঃ) ......... জাবির (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, মদীনার জনৈক মহিলা তার একটা বাগান তার এক পূত্রকে জীবৎকালের জন্য দান করেন। পরে পুত্র মারা যায় এবং তারপর মহিলাটিও মারা যায়। পুত্র নিজের সন্তান রেখে যায়। আর তার ছিল কয়েকজন ভাই, যারা দানকারীনীর পুত্র। তারপর দানকারীনীর পুত্ররা বললো, বাগানটি আমাদের কাছে ফিরে এসেছে। আর যাকে দান করা হয়েছিল তার পুত্ররা বললো বরং এ ছিল আমার পিতার, তার জীবদ্দশায় ও মৃত অবস্থায়।
এরপর তারা উসমান (রাযিঃ) এর আযাদকৃত গোলাম (শাসনকর্তা) তারিক (রাহঃ) এর নিকট বিচার চাইল। তিনি জাবির (রাযিঃ) কে ডেকে পাঠালেন। জাবির (রাযিঃ) সাক্ষ্য দেন, জীবৎকালীন দান তারই প্রাপ্য যাকে দান করা হয়েছে। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এ নির্দেশ দিয়েছেন। তারিক তদনুযায়ী ফয়সালা দেন। তারপর তিনি (খলীফা) আব্দুল মালিককে এ ঘটনা লিখে জানান এবং জাবিরের সাক্ষ্য দান সম্পর্কেও তাঁকে অবগত করেন। আব্দুল মালিক বলেন, জাবির (রাযিঃ) সত্যই বলেছেনঃ। পরে তারিক (রাহঃ) এ হুকুম জারি করেন। কাজেই বাগানটি আজ পর্যন্ত দানকৃত ব্যক্তির বংশধরদের অধিকারে রয়েছে।
এরপর তারা উসমান (রাযিঃ) এর আযাদকৃত গোলাম (শাসনকর্তা) তারিক (রাহঃ) এর নিকট বিচার চাইল। তিনি জাবির (রাযিঃ) কে ডেকে পাঠালেন। জাবির (রাযিঃ) সাক্ষ্য দেন, জীবৎকালীন দান তারই প্রাপ্য যাকে দান করা হয়েছে। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এ নির্দেশ দিয়েছেন। তারিক তদনুযায়ী ফয়সালা দেন। তারপর তিনি (খলীফা) আব্দুল মালিককে এ ঘটনা লিখে জানান এবং জাবিরের সাক্ষ্য দান সম্পর্কেও তাঁকে অবগত করেন। আব্দুল মালিক বলেন, জাবির (রাযিঃ) সত্যই বলেছেনঃ। পরে তারিক (রাহঃ) এ হুকুম জারি করেন। কাজেই বাগানটি আজ পর্যন্ত দানকৃত ব্যক্তির বংশধরদের অধিকারে রয়েছে।
كتاب الهبات
باب الْعُمْرَى
وَحَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ رَافِعٍ، وَإِسْحَاقُ بْنُ مَنْصُورٍ، - وَاللَّفْظُ لاِبْنِ رَافِعٍ - قَالاَ حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَخْبَرَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ، أَخْبَرَنِي أَبُو الزُّبَيْرِ، عَنْ جَابِرٍ، قَالَ أَعْمَرَتِ امْرَأَةٌ بِالْمَدِينَةِ حَائِطًا لَهَا ابْنًا لَهَا ثُمَّ تُوُفِّيَ وَتُوُفِّيَتْ بَعْدَهُ وَتَرَكَتْ وَلَدًا وَلَهُ إِخْوَةٌ بَنُونَ لِلْمُعْمِرَةِ فَقَالَ وَلَدُ الْمُعْمِرَةِ رَجَعَ الْحَائِطُ إِلَيْنَا وَقَالَ بَنُو الْمُعْمَرِ بَلْ كَانَ لأَبِينَا حَيَاتَهُ وَمَوْتَهُ . فَاخْتَصَمُوا إِلَى طَارِقٍ مَوْلَى عُثْمَانَ فَدَعَا جَابِرًا فَشَهِدَ عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِالْعُمْرَى لِصَاحِبِهَا فَقَضَى بِذَلِكَ طَارِقٌ ثُمَّ كَتَبَ إِلَى عَبْدِ الْمَلِكِ فَأَخْبَرَهُ ذَلِكَ وَأَخْبَرَهُ بِشَهَادَةِ جَابِرٍ فَقَالَ عَبْدُ الْمَلِكِ صَدَقَ جَابِرٌ . فَأَمْضَى ذَلِكَ طَارِقٌ . فَإِنَّ ذَلِكَ الْحَائِطَ لِبَنِي الْمُعْمَرِ حَتَّى الْيَوْمِ .