আল মুসনাদুস সহীহ- ইমাম মুসলিম রহঃ
৩১- আদালত-বিচার-সাক্ষ্য-শুনানির বিধান
হাদীস নং: ৪৩২২
আন্তর্জাতিক নং: ১৭১১-২
- আদালত-বিচার-সাক্ষ্য-শুনানির বিধান
১. শপথ বিবাদীর জন্য প্রযোজ্য
৪৩২২। আবু বকর ইবনে আবি শাঈবা (রাহঃ) ......... ইবনে আব্বাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বিবাদী থেকে (আল্লাহর নামে) শপথ নেয়ার মাধ্যমে ফায়সালা দিয়েছেন।
كتاب الأقضية
باب الْيَمِينُ عَلَى الْمُدَّعَى عَلَيْهِ
وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بِشْرٍ، عَنْ نَافِعِ بْنِ عُمَرَ، عَنِ ابْنِ، أَبِي مُلَيْكَةَ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَضَى بِالْيَمِينِ عَلَى الْمُدَّعَى عَلَيْهِ .
হাদীসের ব্যাখ্যা:
যদি কোন ব্যক্তি বিচারক ও কাযীর আদালতে অন্য কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে কোন দাবি অথবা অভিযোগ পেশ করে তবে দাবি পেশকারী যতই নির্ভরযোগ্য, উত্তম ও উঁচু মর্যাদার হোন না কেন, কেবল তার দাবির ভিত্তিতে বিচারক তার পক্ষে ফায়সালা করতে পারেন না। ইসলামী আইনে প্রত্যেক দাবির জন্য যথানিয়মে সাক্ষী-প্রমাণ প্রয়োজন। যদি দাবিদার সাক্ষী প্রমাণ পেশ করতে না পারে তখন অভিযুক্তকে বলা হবে যদি তার দাবি গ্রহণ না কর তবে শপথ করে বল, এ দাবি মিথ্যা।
অভিযুক্ত ব্যক্তি যদি এরূপ শপথ করতে অস্বীকার করে তবে দাবি সঠিক মনে করে ডিক্রি দেওয়া হবে। আর যদি সে শপথসহ দাবিকারীর দাবি মিথ্যা প্রতিপন্ন করে তবে, দাবি খারিজ করে অভিযুক্তের পক্ষে ফায়সালা দেওয়া হবে। এটা আদালতের আইন ও রীতি যা রাসূলুল্লাহ ﷺ দিকনির্দেশ প্রদান করেছেন এবং এটা স্বয়ং তার কর্মপদ্ধতি ছিল।
এ বর্ণনার শব্দাবলীতে দাবিদারের নিকট প্রমাণ ও সাক্ষী তলব করার উল্লেখ নেই। কেবল অভিযুক্তের নিকট থেকে অস্বীকার মূলক শপথ গ্রহণের উল্লেখ আছে। কিন্তু সহীহ মুসলিমের ভাষ্যকার ইমাম নববী মুসলিমের ভাষ্যে লিখেন যে, এ হাদীসকে ইমাম বায়হাকীও হাসান অথবা বিশুদ্ধ সনদে বর্ণনা করেছেন। আর তাতে প্রথমে দাবিদারের নিকট প্রমাণ ও সাক্ষী তলব করার কথা উল্লেখ রয়েছে। সে হাদীসের শেষ শব্দাবলী এই:
-ولكنَّ الْبَيِّنَةَ عَلَى الْمُدَّعِي وَالْيَمِينُ على من انكر
কিন্তু কেবল কারো দাবির ওপর তার পক্ষে ফায়সালা যাবে না, বরং প্রমাণ তলব করা হবে এবং প্রমাণ ও সাক্ষী না থাকাবস্থায় বিবাদী থেকে শপথসহ অস্বীকারমূলক বক্তব্য গ্রহণ করা হবে।
অভিযুক্ত ব্যক্তি যদি এরূপ শপথ করতে অস্বীকার করে তবে দাবি সঠিক মনে করে ডিক্রি দেওয়া হবে। আর যদি সে শপথসহ দাবিকারীর দাবি মিথ্যা প্রতিপন্ন করে তবে, দাবি খারিজ করে অভিযুক্তের পক্ষে ফায়সালা দেওয়া হবে। এটা আদালতের আইন ও রীতি যা রাসূলুল্লাহ ﷺ দিকনির্দেশ প্রদান করেছেন এবং এটা স্বয়ং তার কর্মপদ্ধতি ছিল।
এ বর্ণনার শব্দাবলীতে দাবিদারের নিকট প্রমাণ ও সাক্ষী তলব করার উল্লেখ নেই। কেবল অভিযুক্তের নিকট থেকে অস্বীকার মূলক শপথ গ্রহণের উল্লেখ আছে। কিন্তু সহীহ মুসলিমের ভাষ্যকার ইমাম নববী মুসলিমের ভাষ্যে লিখেন যে, এ হাদীসকে ইমাম বায়হাকীও হাসান অথবা বিশুদ্ধ সনদে বর্ণনা করেছেন। আর তাতে প্রথমে দাবিদারের নিকট প্রমাণ ও সাক্ষী তলব করার কথা উল্লেখ রয়েছে। সে হাদীসের শেষ শব্দাবলী এই:
-ولكنَّ الْبَيِّنَةَ عَلَى الْمُدَّعِي وَالْيَمِينُ على من انكر
কিন্তু কেবল কারো দাবির ওপর তার পক্ষে ফায়সালা যাবে না, বরং প্রমাণ তলব করা হবে এবং প্রমাণ ও সাক্ষী না থাকাবস্থায় বিবাদী থেকে শপথসহ অস্বীকারমূলক বক্তব্য গ্রহণ করা হবে।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)