আল মুসনাদুস সহীহ- ইমাম মুসলিম রহঃ

৪১- চিকিৎসা অধ্যায়

হাদীস নং: ৫৫৪৮
আন্তর্জাতিক নং: ২২০১-৪
- চিকিৎসা অধ্যায়
২৩. কুরআন শরীফ এবং অন্যান্য দুআ যিক্‌র দিয়ে ঝার-ফুঁক করে বিনিময় গ্রহণ জায়েয
৫৫৪৮। মুহাম্মাদ ইবনে মুসান্না (রাহঃ) ......... হিশাম (রাহঃ) এ সনদে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে তিনি বলেছেন, তখন তাঁর সাথে আমাদের এক ব্যক্তি উঠে দাঁড়াল, আমরা যাকে ঝাড় ফুঁক বিষয়ে তেমন কিছু (পারদর্শী) ধারণা করতাম না।
كتاب الطب
باب جَوَازِ أَخْذِ الأُجْرَةِ عَلَى الرُّقْيَةِ بِالْقُرْآنِ وَالأَذْكَارِ
وَحَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنَا وَهْبُ بْنُ جَرِيرٍ، حَدَّثَنَا هِشَامٌ، بِهَذَا الإِسْنَادِ . نَحْوَهُ غَيْرَ أَنَّهُ قَالَ فَقَامَ مَعَهَا رَجُلٌ مِنَّا مَا كُنَّا نَأْبِنُهُ بِرُقْيَةٍ .

হাদীসের ব্যাখ্যা:

এ ঘটনার অনুরূপ অন্য এক ঘটনা মুসনাদে আহমদ ও সুনানে আবু দাউদে বর্ণনা করা হয়েছে। তাতে উল্লিখিত হয়েছে যে, এ জাতীয় এক সফরে এক পাগলের উপর লোকজন ফুঁক দেওয়াল। জনৈক সাহাবী সূরা ফাতিহা সকাল-সন্ধ্যা পাঠ করে তিন দিন ফুঁক দেন, আল্লাহ তা'আলার করুণায় সে সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে যায়। তিনিও বিনিময় গ্রহণ করেছিলেন। তবে উক্ত সাহাবীর সংশয় দেখা দেয় যে, বিনিময় গ্রহণ করা বৈধ হবে, না অবৈধ। সুতরাং প্রত্যাবর্তন করে হুজুরকে জিজ্ঞাসা করলে তিনি তা সঠিক ও বৈধ বলে অভিমত দিলেন।

এসব হাদীসের আলোকে উলামা কিরাম ও ফকীহবৃন্দ প্রায় ঐকমত্য পোষণ করেন যে, এরূপ ফুঁক দিয়ে বা তাবীজ লিখে বিনিময় গ্রহণ বৈধ, যেভাবে কবিরাজ ও ডাক্তারের জন্যে চিকিৎসার ফিস গ্রহণ করা বৈধ। তবে যদি পারিশ্রমিক ছাড়া ফিসাবিলিল্লাহ আল্লাহর বান্দাদের সেবা করা হয় তবে তা উঁচুস্তরের বিষয়। আর নবীগণের সাথে প্রতিনিধিত্বের সম্পর্কশীলদের পন্থা এটাই।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)
tahqiqতাহকীক:বিশুদ্ধ (পারিভাষিক সহীহ)