আল মুসনাদুস সহীহ- ইমাম মুসলিম রহঃ

৪৭- সাহাবায়ে কিরামের রাঃ মানাকিব ও ফাযায়েল

হাদীস নং: ৫৯৭৫
আন্তর্জাতিক নং: ২৩৯১-২
- সাহাবায়ে কিরামের রাঃ মানাকিব ও ফাযায়েল
২. উমর (রাযিঃ) এর ফযীলত
৫৯৭৫। কুতায়বা ইবনে সাঈদ, হুলওয়ানী ও আব্দ ইবনে হুমায়দ (রাহঃ) ......... সালিহ (রাযিঃ) থেকে ইউনুসের সনদে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন।
كتاب فضائل الصحابة رضى الله تعالى عنهم
باب مِنْ فَضَائِلِ عُمَرَ رضى الله تعالى عنه
وَحَدَّثَنَاهُ قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا لَيْثٌ، عَنْ عُقَيْلٍ، ح وَحَدَّثَنَا الْحُلْوَانِيُّ، وَعَبْدُ بْنُ، حُمَيْدٍ كِلاَهُمَا عَنْ يَعْقُوبَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ سَعْدٍ، حَدَّثَنَا أَبِي، عَنْ صَالِحٍ، بِإِسْنَادِ يُونُسَ نَحْوَ حَدِيثِهِ .

হাদীসের ব্যাখ্যা:

সূক্ষ্মদর্শী আলেমগণ বলেছেন যে, ইলমের উপমা আকৃতি অন্য জগতে দুধের ন্যায়। যে ব্যক্তি স্বপ্নে দেখে যে, তাকে দুধ পান করানো হচ্ছে, তবে এর ব্যাখ্যা হলো তাকে ইলম দান করা হবে। দুধ ও ইলমের মধ্যে এ পারস্পরিক সম্পর্ক সুস্পষ্ট যে, দুধ মানবদেহের জন্য সর্বোত্তম উপকারী খাদ্য, তেমনিভাবে ইলম যা আল্লাহর পক্ষ থেকে প্রদান করা হয়, সেটা আত্মার জন্য সর্বোত্তম ও উপকারী।

এ হাদীস দ্বারা জানা গেল যে, আল্লাহ তা'আলার পক্ষ থেকে হুযুর (ﷺ)-কে প্রদত্ত ইলমের মধ্যে হযরত উমর রাযি.-এর বিশেষ অংশ ছিল। হযরত আবু বকর সিদ্দীক (রাযি.)-এর পর যেভাবে তিনি দশ বছর খেলাফত ও নবুওয়াতের নায়েব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং যেভাবে উম্মতের পথপ্রদর্শন করেছেন, তা-ই এর প্রমাণ ও সাক্ষ্য যে, আল্লাহ তা‘আলা তাঁকে ইলমের যথেষ্ট অংশ দান করেছিলেন।

হযরত শাহ ওয়ালী উল্লাহ (রহঃ) 'ইযালাতুল খাফা' নামক গ্রন্থে হযরত উমর রাযি.-এর জ্ঞান-গরীমা সম্পর্কে যা কিছু লিখেছেন, সেটা আলেমদের দেখার মত। এর অধ্যয়নের দ্বারা এ বিষয়ে হযরত ফারুকে আযমের অনন্য বৈশিষ্ট্য পূর্ণরূপে উপলব্ধি করা যেতে পারে।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)
tahqiqতাহকীক:বিশুদ্ধ (পারিভাষিক সহীহ)
rabi
বর্ণনাকারী: