আল মুসনাদুস সহীহ- ইমাম মুসলিম রহঃ
৫১- যিকর, দুআ, তাওবা ও ইসতিগফারের অধ্যায়
হাদীস নং: ৬৬৪২
আন্তর্জাতিক নং: ২৭১৩-২
- যিকর, দুআ, তাওবা ও ইসতিগফারের অধ্যায়
১৮. নিদ্রা ও বিছানায় শোওয়ার সময় দুআ
৬৬৪২। আব্দুল হামীদ ইবনে বায়ান ওয়াসেতী (রাহঃ) ......... আবু হুরায়রা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাদের আদেশ দিতেন যে, যখন আমরা শয্যাগ্রহণ করি তখন যেন আমরা বলি ......... এরপর জারীরের হাদীসের অনুরূপ। আর তিনি বলেছেনঃ সকল প্রাণীর অনিষ্ট থেকে যাদের মস্তক ধারণকারী (নিয়ন্ত্রণকর্তা) আপনিই।
كتاب الذكر والدعاء والتوبة والاستغفار
باب مَا يَقُولُ عِنْدَ النَّوْمِ وَأَخْذِ الْمَضْجَعِ
وَحَدَّثَنِي عَبْدُ الْحَمِيدِ بْنُ بَيَانٍ الْوَاسِطِيُّ، حَدَّثَنَا خَالِدٌ، - يَعْنِي الطَّحَّانَ - عَنْ سُهَيْلٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَأْمُرُنَا إِذَا أَخَذْنَا مَضْجَعَنَا أَنْ نَقُولَ . بِمِثْلِ حَدِيثِ جَرِيرٍ وَقَالَ " مِنْ شَرِّ كُلِّ دَابَّةٍ أَنْتَ آخِذٌ بِنَاصِيَتِهَا " .
হাদীসের ব্যাখ্যা:
হাদীসেও শয়নকালে ডান পার্শ্বের উপর শয়নের কথা বলা হয়েছে। স্বয়ং হুযুর ﷺ ও এরূপই আমল করতেন। এভাবে শয়ন করলে কলব যা বাম পার্শ্বে অবস্থিত তা ঝুলন্ত অবস্থায় উপর দিকে থাকে। আল্লাহ ওয়ালা বুযুর্গগণের অভিজ্ঞতা হচ্ছে শয়নকালে এরূপ অবস্থায় দু'আ ও আল্লাহর ধ্যান অধিকতর কার্যকর হয়ে থাকে। এ দু'আটি আল্লাহর ঐসব বান্দাদের জন্যে বেশি উপযোগী, যারা ঋণগ্রস্ত এবং অর্থনৈতিক দিক থেকে পেরেশানীর শিকার। বান্দা এভাবে দু'আ করে শয়ন করবে এবং মহান দাতা প্রতিপালকের দরবারে আশা পোষণ করবে যে, তিনি তার রিযিকে বরকত দান করে আর্থিক দূরবস্থা থেকে মুক্তির ব্যবস্থা করেই দেবেন।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)