আত্-তারগীব ওয়াত্-তারহীব- ইমাম মুনযিরী রহঃ
৫. অধ্যায়ঃ নামাজ
হাদীস নং: ৪৫৯
অধ্যায়ঃ নামাজ
মসজিদ ও কিবলার দিকে থু থু ফেলা এবং হারানো বস্তুর ঘোষণার প্রতি ভীতি প্রদর্শন
৪৫৯. হযরত আবদুল্লাহ ইবন মাসউদ (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা) বলেছেন। অচিরেই শেষ যামানায় একদল লোক মসজিদে কথা বলবে। অথচ আল্লাহর তাতে আদৌ প্রয়োজন নেই।
(ইবন হিব্বান তাঁর 'সহীহ' গ্রন্থে হাদীসখানা বর্ণনা করেছেন।)
(ইবন হিব্বান তাঁর 'সহীহ' গ্রন্থে হাদীসখানা বর্ণনা করেছেন।)
كتاب الصَّلَاة
التَّرْهِيب من البصاق فِي الْمَسْجِد وَإِلَى الْقبْلَة وَمن إنشاد الضَّالة فِيهِ وَغير ذَلِك مِمَّا يذكر هُنَا
459 - وَعَن عبد الله يَعْنِي ابْن مَسْعُود رَضِي الله عَنهُ قَالَ قَالَ رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم سَيكون فِي آخر الزَّمَان قوم يكون حَدِيثهمْ فِي مَسَاجِدهمْ لَيْسَ لله فيهم حَاجَة
رَوَاهُ ابْن حبَان فِي صَحِيحه
رَوَاهُ ابْن حبَان فِي صَحِيحه
হাদীসের ব্যাখ্যা:
মসজিদ আল্লাহর ঘর। কাজেই আল্লাহর সন্তুষ্টির পরিপন্থী এবং ধর্ম বিবর্জিত আলোচনায় মত্ত না হওয়া এর মর্যাদা রক্ষার অনিবার্য দাবি। তবে হ্যাঁ, মুসলিম জনগোষ্ঠির কোন জাতীয় বা সামাজিক বিষয় সম্পর্কে, চাই তা মুসলমানদের জীবনের যে কোন বিষয় হোক না কেন, পরামর্শ করা যেতে পারে। কিন্তু এমতাবস্থায়ও মসজিদের সাধারণ মর্যাদা রক্ষার ক্ষেত্রে লক্ষ্য রাখা একান্ত কর্তব্য। এর আরেকটি শর্ত হল, যা কিছু হবে তা হবে আল্লাহর পথ নির্দেশের আওতায় বিরুদ্ধে নয়, হিদায়াতমুক্ত নয়।
জ্ঞাতব্যঃ এ হাদীসের বর্ণনাকারী একজন খ্যাতিমান তাবিঈ। তিনি এই হাদীসটি হয়তবা কোন সাহাবী সূত্রে পেয়েছেন। কিন্তু তিনি উক্ত সাহাবীর সূত্র উল্লেখ করেন নি। সুতরাং কোন তাবিঈ যদি সাহাবীর নাম উল্লেখ না করে হাদীস বর্ণনা করেন তবে তাকে হাদীস বিশারদগণের পরিভাষায় 'মুরসাল' বলা হয়। আলোচ্য হাদীসটিও মুরসাল।
জ্ঞাতব্যঃ এ হাদীসের বর্ণনাকারী একজন খ্যাতিমান তাবিঈ। তিনি এই হাদীসটি হয়তবা কোন সাহাবী সূত্রে পেয়েছেন। কিন্তু তিনি উক্ত সাহাবীর সূত্র উল্লেখ করেন নি। সুতরাং কোন তাবিঈ যদি সাহাবীর নাম উল্লেখ না করে হাদীস বর্ণনা করেন তবে তাকে হাদীস বিশারদগণের পরিভাষায় 'মুরসাল' বলা হয়। আলোচ্য হাদীসটিও মুরসাল।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)