আত্-তারগীব ওয়াত্-তারহীব- ইমাম মুনযিরী রহঃ
২২. অধ্যায়ঃ শিষ্টাচার
হাদীস নং: ৪০৭১
অধ্যায়ঃ শিষ্টাচার
উত্তম চরিত্র ও তার ফযীলতের প্রতি অনুপ্রেরণা এবং অসচ্চরিত্র ও তার কুফলের প্রতি ভীতি প্রদর্শন
৪০৭১. আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এরূপ দু'আ করতেন।
«اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنَ الشِّقَاقِ وَالنِّفَاقِ، وَمِنْ سَيِّئِ الْأَخْلَاقِ»
"হে আল্লাহ্! আমি তোমার নিকট ঘৃণা (বিরোধিতা) কপাটতা ও অসচ্চরিত্রতা থেকে পানাহ চাচ্ছি"।
আবু দাউদ ও নাসাঈ বর্ণিত।
«اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنَ الشِّقَاقِ وَالنِّفَاقِ، وَمِنْ سَيِّئِ الْأَخْلَاقِ»
"হে আল্লাহ্! আমি তোমার নিকট ঘৃণা (বিরোধিতা) কপাটতা ও অসচ্চরিত্রতা থেকে পানাহ চাচ্ছি"।
আবু দাউদ ও নাসাঈ বর্ণিত।
كتاب الأدب
التَّرْغِيب فِي الْخلق الْحسن وفضله والترهيب من الْخلق السيىء وذمه
4071- وَعَن أبي هُرَيْرَة رَضِي الله عَنهُ أَن رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم كَانَ يَدْعُو يَقُول اللَّهُمَّ إِنِّي أعوذ بك من الشقاق والنفاق وَسُوء الْأَخْلَاق
رَوَاهُ أَبُو دَاوُد وَالنَّسَائِيّ
رَوَاهُ أَبُو دَاوُد وَالنَّسَائِيّ
হাদীসের ব্যাখ্যা:
সর্বপ্রথম এ দু'আতে যে বস্তু থেকে আল্লাহর পানাহ চাওয়া হয়েছে তা হচ্ছে شقاق (শিকাক) অর্থাৎ সে কঠিন মনোমালিন্য, যার প্রেক্ষিতে প্রতিপক্ষের সাথে এমন চরম বিরোধ ও ছাড়াছাড়ি হয়ে যায় এবং দু'পক্ষের পথ সম্পূর্ণ ভিন্ন ভিন্ন হয়ে যায়।
نفاق (নিফাক)-এর অর্থ হচ্ছে যাহির ও বাতিনের বিরোধ। বিশ্বাসগত নিফাক বা কপটচারিতা ছাড়াও এটা দৈনন্দিন জীবনের সমস্ত মুনাফেকী আচরণের ব্যাপারেও প্রযোজ্য।
এ দু'আয় যে তিনটি মন্দ বস্তু থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা করা হয়েছে অর্থাৎ বিচ্ছেদকারী মনোমালিন্য, মুনাফেকী স্বভাব এবং অসচ্চরিত্রতা-এ তিনটি বদখাসলত মানুষের দীন বরং তার দুনিয়াও বরবাদ করে দেয়। রাসূলুল্লাহ ﷺ নিজে মা'সূম বা পাপমুক্ত এবং মাহফুয (আল্লাহ যাঁকে গুনাহ থেকে হিফাযত করে রেখেছেন) হওয়া সত্ত্বেও এ বদখাসলতগুলো এতই মারাত্মক যে, তিনিও এগুলোর ধ্বংসাত্মক পরিণতি থেকে আল্লাহ তা'আলার দরবারে আশ্রয় প্রার্থনা করেছেন।
আল্লাহ তা'আলা আমাদেরকে এগুলো থেকে আত্মরক্ষার মু'মিনসুলভ চিন্তা-ভাবনা দান করুন এবং আমরা সর্বদাই যেন এসব বদখাসলত থেকে তাঁর আশ্রয় প্রার্থনা করি!
نفاق (নিফাক)-এর অর্থ হচ্ছে যাহির ও বাতিনের বিরোধ। বিশ্বাসগত নিফাক বা কপটচারিতা ছাড়াও এটা দৈনন্দিন জীবনের সমস্ত মুনাফেকী আচরণের ব্যাপারেও প্রযোজ্য।
এ দু'আয় যে তিনটি মন্দ বস্তু থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা করা হয়েছে অর্থাৎ বিচ্ছেদকারী মনোমালিন্য, মুনাফেকী স্বভাব এবং অসচ্চরিত্রতা-এ তিনটি বদখাসলত মানুষের দীন বরং তার দুনিয়াও বরবাদ করে দেয়। রাসূলুল্লাহ ﷺ নিজে মা'সূম বা পাপমুক্ত এবং মাহফুয (আল্লাহ যাঁকে গুনাহ থেকে হিফাযত করে রেখেছেন) হওয়া সত্ত্বেও এ বদখাসলতগুলো এতই মারাত্মক যে, তিনিও এগুলোর ধ্বংসাত্মক পরিণতি থেকে আল্লাহ তা'আলার দরবারে আশ্রয় প্রার্থনা করেছেন।
আল্লাহ তা'আলা আমাদেরকে এগুলো থেকে আত্মরক্ষার মু'মিনসুলভ চিন্তা-ভাবনা দান করুন এবং আমরা সর্বদাই যেন এসব বদখাসলত থেকে তাঁর আশ্রয় প্রার্থনা করি!
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)