আত্-তারগীব ওয়াত্-তারহীব- ইমাম মুনযিরী রহঃ

২৪. অধ্যায়ঃ জানাযা

হাদীস নং: ৫২০৫
অধ্যায়ঃ জানাযা
ধৈর্যধারণের প্রতি উৎসাহ প্রদান, বিশেষত সেই ব্যক্তিকে, যে তার ধন-প্রাণে বিপদাক্রান্ত হয়েছে। বালা-মুসিবত, রোগ-ব্যাধি ও জ্বর তাপের ফযীলত এবং দৃষ্টিশক্তি হারিয়ে যাওয়া ব্যক্তি সম্পর্কে বর্ণিত হাদীস সমূহঃ
৫২০৫. হযরত ইবন আব্বাস (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, যে ব্যক্তি তার সম্পদ ও প্রাণের ব্যাপারে কোন মুসিবতে আক্রান্ত হয়, অতঃপর সে উক্ত মুসিবতের কথা লুকিয়ে রাখে এবং মানুষের কাছে তার অনুযোগ না করে, তাকে ক্ষমা করে দেওয়া আল্লাহর দায়িত্ব হয়ে যায়।
(তবারানী (র) হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। এর সনদে কোন অসুবিধা নেই।)
كتاب الجنائز
التَّرْغِيب فِي الصَّبْر سِيمَا لمن ابْتُلِيَ فِي نَفسه أَو مَاله وَفضل الْبلَاء وَالْمَرَض والحمى وَمَا جَاءَ فِيمَن فقد بَصَره
5205- وَعَن ابْن عَبَّاس رَضِي الله عَنْهُمَا قَالَ قَالَ رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم من أُصِيب بمصيبة بِمَالِه أَو فِي نَفسه فكتمها وَلم يشكها إِلَى النَّاس كَانَ حَقًا على الله أَن يغْفر لَهُ

رَوَاهُ الطَّبَرَانِيّ وَلَا بَأْس بِإِسْنَادِهِ

হাদীসের ব্যাখ্যা:

সবর ও ধৈর্যের সর্বোচ্চ স্তর হচ্ছে এই যে, মানুষ তার বিপদ ও কষ্টের কথা কারো কাছে প্রকাশও করবে না। এ ধরনের ধৈর্যশীলদের জন্য এ হাদীসে ক্ষমার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করা হয়েছে এবং আল্লাহ্ তা'আলা নিজে তাদেরকে ক্ষমা করার দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। আল্লাহ্ তা'আলা এসব প্রতিশ্রুতির উপর বিশ্বাস স্থাপন করার এবং এগুলো থেকে উপকৃত হওয়ার তওফীক দান করুন।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)
tahqiqতাহকীক:তাহকীক চলমান