আত্-তারগীব ওয়াত্-তারহীব- ইমাম মুনযিরী রহঃ
২৬. অধ্যায়ঃ জান্নাত ও জাহান্নামের বর্ণনা
হাদীস নং: ৫৭৭৬
অধ্যায়ঃ জান্নাত ও জাহান্নামের বর্ণনা
পরিচ্ছেদ: আল্লাহ তা'আলার প্রতি জান্নাতবাসীদের দৃষ্টিপাতের বর্ণনা
৫৭৭৬. হযরত সুহায়ক (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) বলেছেন, যখন জান্নাতীগণ জান্নাতে প্রবেশ করবে, তখন আল্লাহ্ তা'আলা বলবেন, তোমরা কি এমন কিছু চাও, যা আমি তোমাদেরকে বৃদ্ধি করে দেব? তারা বলবে, আপনি কি আমাদের চেহারা আলোকোজ্জ্বল করেন নি, আপনি কি আমাদের জান্নাতে প্রবেশ করান নি এবং আপনি আমাদেরকে জাহান্নাম থেকে মুক্তি দেন নি?
রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) বলেন, এরপর পর্দা তুলে দেওয়া হবে, তখন তাদের কাছে তাদের রবের প্রতিপালকের প্রতি দৃষ্টিপাতের অপেক্ষা অধিক প্রিয় আর কিছু থাকবে না। এরপর তিনি এ আয়াতটি তিলাওয়াত করলেনঃ
لِلَّذِينَ أَحْسَنُوا الْحُسْنَى وَزِيَادَةٌ "যারা সৎকর্ম করে তাদের জন্য রয়েছে জান্নাত এবং আরও অধিক কিছু"
(১০: ২৬)
(মুসলিম, তিরমিযী ও নাসাঈ হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।)
রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) বলেন, এরপর পর্দা তুলে দেওয়া হবে, তখন তাদের কাছে তাদের রবের প্রতিপালকের প্রতি দৃষ্টিপাতের অপেক্ষা অধিক প্রিয় আর কিছু থাকবে না। এরপর তিনি এ আয়াতটি তিলাওয়াত করলেনঃ
لِلَّذِينَ أَحْسَنُوا الْحُسْنَى وَزِيَادَةٌ "যারা সৎকর্ম করে তাদের জন্য রয়েছে জান্নাত এবং আরও অধিক কিছু"
(১০: ২৬)
(মুসলিম, তিরমিযী ও নাসাঈ হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।)
كتاب صفة الجنة والنار
فصل فِي نظر أهل الْجنَّة إِلَى رَبهم تبَارك وَتَعَالَى
5776- وَعَن صُهَيْب رَضِي الله عَنهُ قَالَ قَالَ رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم إِذا دخل أهل الْجنَّة الْجنَّة يَقُول الله عز وَجل تُرِيدُونَ شَيْئا أَزِيدكُم فَيَقُولُونَ ألم تبيض وُجُوهنَا ألم تُدْخِلنَا الْجنَّة وتنجنا من النَّار قَالَ فَيكْشف الْحجاب فَمَا أعْطوا شَيْئا أحب إِلَيْهِم من النّظر إِلَى رَبهم ثمَّ تَلا هَذِه الْآيَة للَّذين أَحْسنُوا الْحسنى وَزِيَادَة يُونُس 62
رَوَاهُ مُسلم وَالتِّرْمِذِيّ وَالنَّسَائِيّ
رَوَاهُ مُسلم وَالتِّرْمِذِيّ وَالنَّسَائِيّ
হাদীসের ব্যাখ্যা:
পর্দা সরানোর অর্থ হল দৃষ্টিকে এত শক্তিশালী করা যাতে অনায়াসে মহান প্রভুকে দর্শন করা যায়। কুরআনের আয়াতে উল্লিখিত "زیادة" শব্দের দ্বারা জান্নাত এবং জান্নাতের নি'আমত ছাড়াও মহান আল্লাহর দর্শনের নি'আমতের কথা বলা হয়েছে।
বিঃ-দ্রঃ আল্লাহ তাঁর সৎকর্মশীল বান্দাদেরকে আখিরাতে সাক্ষাৎ দেবেন। দুনিয়াতে আমরা চর্ম চোখে আল্লাহকে দেখতে পাই না। হযরত মূসা (আ) তাঁকে দেখতে চেয়েছিলেন, কিন্তু দেখতে পারেন নি। জ্যোতির ঝলক দেখে তিনি বেহুশ হয়ে পড়ে গিয়েছিলেন। কিন্তু আখিরাতের অবস্থা হবে সম্পূর্ণ স্বতন্ত্র। তার কারণ সেই জগতের স্বভাব প্রকৃতি, ধারণ ক্ষমতা ও সহ্য শক্তিও হবে ব্যতিক্রমধর্মী। মানুষকে আল্লাহ্ রাব্বুর আলামীন আখিরাতের জীবনের সম্পূর্ণ উপযোগী করে দ্বিতীয়বার সৃষ্টি করবেন। তাই জান্নাতের মধ্যে আল্লাহর দর্শনে কোনরূপ অসুবিধা হবে না। বরং জ্যোতির্ময় আল্লাহর জ্যোতি দর্শন করার জন্য জান্নাতীদের চোখ সম্পূর্ণ উপযোগী হবে। আল্লাহকে দর্শন করে তারা বেহুশ হবে না এবং তাদের চোখ ক্লান্ত ও অসুস্থ হবেনা।
বিঃ-দ্রঃ আল্লাহ তাঁর সৎকর্মশীল বান্দাদেরকে আখিরাতে সাক্ষাৎ দেবেন। দুনিয়াতে আমরা চর্ম চোখে আল্লাহকে দেখতে পাই না। হযরত মূসা (আ) তাঁকে দেখতে চেয়েছিলেন, কিন্তু দেখতে পারেন নি। জ্যোতির ঝলক দেখে তিনি বেহুশ হয়ে পড়ে গিয়েছিলেন। কিন্তু আখিরাতের অবস্থা হবে সম্পূর্ণ স্বতন্ত্র। তার কারণ সেই জগতের স্বভাব প্রকৃতি, ধারণ ক্ষমতা ও সহ্য শক্তিও হবে ব্যতিক্রমধর্মী। মানুষকে আল্লাহ্ রাব্বুর আলামীন আখিরাতের জীবনের সম্পূর্ণ উপযোগী করে দ্বিতীয়বার সৃষ্টি করবেন। তাই জান্নাতের মধ্যে আল্লাহর দর্শনে কোনরূপ অসুবিধা হবে না। বরং জ্যোতির্ময় আল্লাহর জ্যোতি দর্শন করার জন্য জান্নাতীদের চোখ সম্পূর্ণ উপযোগী হবে। আল্লাহকে দর্শন করে তারা বেহুশ হবে না এবং তাদের চোখ ক্লান্ত ও অসুস্থ হবেনা।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)