মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)
৭. নামাযের অধ্যায়
হাদীস নং: ৭৯৩
নামাযের অধ্যায়
(৩) অনুচ্ছেদঃ সালাত শেষে যিকির করা (আল্লাহর নিকটে) পানাহ চাওয়া, দু'আ করা এবং কিছু সূরা তিলাওয়াত করা প্রসঙ্গে
(৭৮৯) মুগীরা ইবন শু'বার কাতিব ওয়াররাদ থেকে বর্ণিত, (তিনি বলেন) মুগীরা (রা) একবার মু'আবিয়া (রা)-কে লিখে পাঠালেন যে, রাসূলুল্লাহ (সা) (সালাত শেষে) যখন সালাম ফিরাতেন, তখন বলতেন- لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ وَحْدَهُ لاَ شَرِيكَ لَهُ لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَىْءٍ قَدِيرٌ اللَّهُمَّ لاَ مَانِعَ لِمَا أَعْطَيْتَ وَلاَ مُعْطِيَ لِمَا مَنَعْتَ وَلاَ يَنْفَعُ ذَا الْجَدِّ مِنْكَ الْجَد
(অর্থাৎ আল্লাহ্ ভিন্ন অন্য কোন সত্যা, মা'বুদ নাই। তিনি একক, তাঁর কোন অংশীদার নেই, রাজত্ব তাঁরই এবং প্রশংসাও তাঁরই প্রাপ্য। তিনি সব কিছুর উপর ক্ষমতাবান। হে আল্লাহ্! আপনি যা প্রদান করতে চান তা রোধ করার কেউ নেই, আর আপনি যা রোধ করেন তা প্রদান করার কেউ নেই। আপনার কাছে (সৎকাজ ভিন্ন) কোন সম্পদশালীর সম্পদ উপকারে আসে না।)
(তাঁর থেকে দ্বিতীয় সূত্রে বর্ণিত) তিনি বলেন যে, মু'আবিয়া (রা) মুগীরা (রা)-এর নিকট এই মর্মে ফরমান লিখে পাঠালেন যে, তুমি রাসূলুল্লাহ (সা)-এর নিকট থেকে যা কিছু শ্রবণ করেছ তা থেকে কিছু লিখে আমার কাছে পাঠাও। তার উত্তরে মুগীরা (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা) সালাত শেষে সালাম ফিরিয়ে বলতেন لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ বাকি হাদীসটি পূর্বে বর্ণিত হাদীসের মতই উল্লেখ করেন।
(তৃতীয় সূত্রে বণির্ত আছে যে.) আবদা ইবন্ আবূ লাবাবা থেকে বর্ণিত। (তিনি বলেন) মুগীরা ইবন্ শু'বার আযাদকৃত গোলাম ওয়াররাদ (রা) তাঁকে জানিয়েছেন যে, মুগীরা ইবন্ শু'বা (রা) মু'আবিয়া (রা)-এর নিকট যে, পত্রখানা লিখেছিলেন, তা ওয়াররাদ লিখে দিয়েছিলেন তাতে লিখা ছিল যে,) আমি শুনেছি রাসূলুল্লাহ (সা) সালাত শেষে সালাম ফিরিয়ে বলতেন لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ এ দু'আর পরবর্তী অংশ উপরোক্ত হাদীসের অনুরূপ এবং সবশেষে ওয়াররাদ বলেন: পরবর্তীতে আমি যখন মু'আবিয়া (রা)-এর দরবারে গেলাম, তখন তাঁকে মিম্বারে (দাঁড়িয়ে)লোকজনকে এ কথার নির্দেশ দিচ্ছেন এবং লিখাচ্ছেন শুনতে পেলাম।
(বুখারী, মুসলিম ও অন্যান্য।)
(অর্থাৎ আল্লাহ্ ভিন্ন অন্য কোন সত্যা, মা'বুদ নাই। তিনি একক, তাঁর কোন অংশীদার নেই, রাজত্ব তাঁরই এবং প্রশংসাও তাঁরই প্রাপ্য। তিনি সব কিছুর উপর ক্ষমতাবান। হে আল্লাহ্! আপনি যা প্রদান করতে চান তা রোধ করার কেউ নেই, আর আপনি যা রোধ করেন তা প্রদান করার কেউ নেই। আপনার কাছে (সৎকাজ ভিন্ন) কোন সম্পদশালীর সম্পদ উপকারে আসে না।)
(তাঁর থেকে দ্বিতীয় সূত্রে বর্ণিত) তিনি বলেন যে, মু'আবিয়া (রা) মুগীরা (রা)-এর নিকট এই মর্মে ফরমান লিখে পাঠালেন যে, তুমি রাসূলুল্লাহ (সা)-এর নিকট থেকে যা কিছু শ্রবণ করেছ তা থেকে কিছু লিখে আমার কাছে পাঠাও। তার উত্তরে মুগীরা (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা) সালাত শেষে সালাম ফিরিয়ে বলতেন لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ বাকি হাদীসটি পূর্বে বর্ণিত হাদীসের মতই উল্লেখ করেন।
(তৃতীয় সূত্রে বণির্ত আছে যে.) আবদা ইবন্ আবূ লাবাবা থেকে বর্ণিত। (তিনি বলেন) মুগীরা ইবন্ শু'বার আযাদকৃত গোলাম ওয়াররাদ (রা) তাঁকে জানিয়েছেন যে, মুগীরা ইবন্ শু'বা (রা) মু'আবিয়া (রা)-এর নিকট যে, পত্রখানা লিখেছিলেন, তা ওয়াররাদ লিখে দিয়েছিলেন তাতে লিখা ছিল যে,) আমি শুনেছি রাসূলুল্লাহ (সা) সালাত শেষে সালাম ফিরিয়ে বলতেন لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ এ দু'আর পরবর্তী অংশ উপরোক্ত হাদীসের অনুরূপ এবং সবশেষে ওয়াররাদ বলেন: পরবর্তীতে আমি যখন মু'আবিয়া (রা)-এর দরবারে গেলাম, তখন তাঁকে মিম্বারে (দাঁড়িয়ে)লোকজনকে এ কথার নির্দেশ দিচ্ছেন এবং লিখাচ্ছেন শুনতে পেলাম।
(বুখারী, মুসলিম ও অন্যান্য।)
كتاب الصلاة
3 - باب جامع الأذكار وتعوذات وأدعية وقراءة بعض سور عقب الصلوات
(793) - عن وراد كاتب المغيرة بن شعبة أن المغيرة رضي الله عنه كتب إلى معاوية أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان إذا سلم قال: لا إله إلا الله وحده لا شريك له، له الملك وله الحمد (5) وهو على كل شيء قدير، اللهم لا مانع لما أعطيت ولا معطي لما منعت ولا ينفع ذا الجد منك الجد (6). وعنه من طريق ثان (1) قال: كتب معاوية إلى المغيرة أن اكتب إلي بشيء سمعته من رسول الله صلى الله عليه وسلم، فقال: كان إذا صلى ففرغ قال: لا إله إلا الله (فذكر الحديث بنحو ما تقدم). ومن طريق ثالث (2) عن عبدة بن أبي لبابة أن ورادًا مولى المغيرة بن شعبة أخبره أن المغيرة بن شعبة كتب إلى معاوية، كتب ذلك الكتاب له وراد: إني سمعت رسول الله صلى الله عليه وآله وسلم يقول حين يسلم: لا إله إلا الله (الحديث) وفي آخره قال وراد: ثم وفدت بعد ذلك على معاوية فسمعته على المنبر يأمر الناس بذلك القول ويعلمهموه.