মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)
৭. নামাযের অধ্যায়
হাদীস নং: ৮৩৭
নামাযের অধ্যায়
(৬) অনুচ্ছেদ: পেশাব-পায়খানার বেগ নিয়ে, খাবার উপস্থিত রেখে ও তন্দ্রা রোধ করে সালাত আদায় করা মাকরূহ
(৮৩৩) আয়েশা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূল (সা)-কে বলতে শুনেছি যে, যদি রাতের খানা দেয়া হয় আর ঐ দিকে সালাতের ইকামত হয়ে যায়, তাহলে রাতের খানা (সালাতের পূর্বে) খেয়ে নিবে। ওয়াকি (একজন রাবী) বলেন: সালাত ও রাতের খানা যদি উপস্থিত হয়ে যায় (তাহলে রাতের খানা সালাতের পূর্বে) খেয়ে নিবে এবং ইবন উয়াইনা বলেন, যদি রাতের খানা দেয়া হয়। (তাহলে রাতের খানা সালাতের পূর্বে খেয়ে নিবে)
(মুসলিম ও অন্যান্য।)
(মুসলিম ও অন্যান্য।)
كتاب الصلاة
6 - باب كراهة الصلاة وهو حاقن وبحضرة الطعام وبمدافعة النعاس
(837) حدثنا عبد الله حدثني أبي ثنا هشام (2) قال: أخبرني أبي أخبرتني عائشة (رضي الله عنها) قالت: سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: إذا وضع العشاء وأقيمت الصلاة فابدءوا بالعشاء، وقال وكيف إذا حضرت الصلاة والعشاء. وقال ابن عيينة: إذا وضع العشاء.
হাদীসের ব্যাখ্যা:
ভাষ্যকারগণ লিখেছেন, কারো যদি তীব্র ক্ষুধা অনুভূত হয় এবং সামনে খানা পরিবেশন করা হয় এমতাবস্থায় যদি সে খাবার গ্রহণ না করে সালাতে অংশগ্রহণ করে, তাহলে তার মনে সালাতের মধ্যে খানার কথা স্মরণ হবে। এজন্য এহেন অবস্থায় শরী'আতের বিধানের অনিবার্য দাবি হলো প্রথমত খাবার শেষ করে তারপর সালাত আদায় করা।
কখনও কখনও হযরত আবদুল্লাহ্ ইবনে উমার (রা) এরূপ অবস্থার সম্মুখীন হতেন। তাঁর সামনে খানা পরিবশেন করা হচ্ছিল, ওদিকে সালাতেরও ইকামাত চলছিল।
এমতাবস্থায় তিনি আহার করে নিতেন অথচ ইমামের কিরা'আত তাঁর কানে ঝংকৃত হত। কিন্তু তিনি খাবার শেষ করে সালাত আদায় করে নিতেন। উল্লেখ্য, হযরত আবদুল্লাহ্ ইবনে উমার (রা) শরী'আত ও সুন্নাতের একজন অনন্য অনুসারী বরং প্রেমিক ছিলেন। তিনি একাজ মূলত উপরে বর্ণিত হাদীসের আলোকেই করেছিলেন।
কখনও কখনও হযরত আবদুল্লাহ্ ইবনে উমার (রা) এরূপ অবস্থার সম্মুখীন হতেন। তাঁর সামনে খানা পরিবশেন করা হচ্ছিল, ওদিকে সালাতেরও ইকামাত চলছিল।
এমতাবস্থায় তিনি আহার করে নিতেন অথচ ইমামের কিরা'আত তাঁর কানে ঝংকৃত হত। কিন্তু তিনি খাবার শেষ করে সালাত আদায় করে নিতেন। উল্লেখ্য, হযরত আবদুল্লাহ্ ইবনে উমার (রা) শরী'আত ও সুন্নাতের একজন অনন্য অনুসারী বরং প্রেমিক ছিলেন। তিনি একাজ মূলত উপরে বর্ণিত হাদীসের আলোকেই করেছিলেন।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)