মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)
৭. নামাযের অধ্যায়
হাদীস নং: ১৩২৭
নামাযের অধ্যায়
(৫) যে সকল কারণে জামা'আতে হাযির না হওয়া জায়েয হওয়ার ব্যাপারে যা বর্ণিত হয়েছে সে সম্পর্কিত অধ্যায়
(১৩২৩) আয়িশা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি নবী (ﷺ) থেকে মারফু' হিসেবে বর্ণনা করেন, যখন তোমাদের সামনে খাবার রাখা হয় এবং সে সময় সালাতের ইকামাত হয় তোমরা আগে খাবার খেয়ে নিবে।
(বুখারী, মুসলিম ও দারেমী।)
(বুখারী, মুসলিম ও দারেমী।)
كتاب الصلاة
(5) باب ما جاء فى الأعذار التى تبيح التخلف عن الجماعة
(1327) عن عائشة رضى الله عنها تبلغ به النَّبيَّ صلَّى الله عليه وعلى آله وصحبه وسلَّم إذا وضع العشاء وأقيمت الصَّلاة فابدؤا بالعشاء
হাদীসের ব্যাখ্যা:
ভাষ্যকারগণ লিখেছেন, কারো যদি তীব্র ক্ষুধা অনুভূত হয় এবং সামনে খানা পরিবেশন করা হয় এমতাবস্থায় যদি সে খাবার গ্রহণ না করে সালাতে অংশগ্রহণ করে, তাহলে তার মনে সালাতের মধ্যে খানার কথা স্মরণ হবে। এজন্য এহেন অবস্থায় শরী'আতের বিধানের অনিবার্য দাবি হলো প্রথমত খাবার শেষ করে তারপর সালাত আদায় করা।
কখনও কখনও হযরত আবদুল্লাহ্ ইবনে উমার (রা) এরূপ অবস্থার সম্মুখীন হতেন। তাঁর সামনে খানা পরিবশেন করা হচ্ছিল, ওদিকে সালাতেরও ইকামাত চলছিল।
এমতাবস্থায় তিনি আহার করে নিতেন অথচ ইমামের কিরা'আত তাঁর কানে ঝংকৃত হত। কিন্তু তিনি খাবার শেষ করে সালাত আদায় করে নিতেন। উল্লেখ্য, হযরত আবদুল্লাহ্ ইবনে উমার (রা) শরী'আত ও সুন্নাতের একজন অনন্য অনুসারী বরং প্রেমিক ছিলেন। তিনি একাজ মূলত উপরে বর্ণিত হাদীসের আলোকেই করেছিলেন।
কখনও কখনও হযরত আবদুল্লাহ্ ইবনে উমার (রা) এরূপ অবস্থার সম্মুখীন হতেন। তাঁর সামনে খানা পরিবশেন করা হচ্ছিল, ওদিকে সালাতেরও ইকামাত চলছিল।
এমতাবস্থায় তিনি আহার করে নিতেন অথচ ইমামের কিরা'আত তাঁর কানে ঝংকৃত হত। কিন্তু তিনি খাবার শেষ করে সালাত আদায় করে নিতেন। উল্লেখ্য, হযরত আবদুল্লাহ্ ইবনে উমার (রা) শরী'আত ও সুন্নাতের একজন অনন্য অনুসারী বরং প্রেমিক ছিলেন। তিনি একাজ মূলত উপরে বর্ণিত হাদীসের আলোকেই করেছিলেন।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)