মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)
৭. নামাযের অধ্যায়
হাদীস নং: ১৬৩৮
নামাযের অধ্যায়
(তিন) ঈদুল ফিতরে ঈদগাহে বের হওয়ার পূর্বে খাবার গ্রহণ পছন্দনীয় (মুস্তাহাব) হওয়া এবং উভয় ঈদের সালাতের সময় বর্ণনার পরিচ্ছেদ
(১৬৩৪) আবদুল্লাহ ইবনে বুরাইদাহ্ আল-আসলামী তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করে বলেন, রাসূল (ﷺ)-এর অভ্যাস ছিল, তিনি ঈদুল ফিতরের দিনে কিছু না খেয়ে ঈদগাহে বের হতেন না। আর ঈদুল আযহার দিবসে ঈদগাহ থেকে ফিরে না আসা পর্যন্ত কিছু খেতেন না।
(সুনান আত-তিরমিযী, সুনানে ইবনে মাজাহ্।)
একই বর্ণনাকারী থেকে অন্য সূত্রে এ সনদের কাছাকাছি অর্থে বর্ণিত আছে, সে বর্ণনার ভাষ্য হচ্ছে-রাসুল (ﷺ) ঈদুল আযহার দিনে ঈদের সালাত শেষে গৃহে ফিরে না আসা পর্যন্ত কিছুই খেতেন না। আর কুরবানীর গোশত দিয়েই এ দিনের খানা শুরু করতেন।
(সুনানে দারেকৃতনী, মুস্তাদরাকে হাকিম, সুনান আল-বাইহাকী। দ্বিতীয় বর্ণনাটিকে ইবনুল কাত্তান সহীহ বলেছেন।)
(সুনান আত-তিরমিযী, সুনানে ইবনে মাজাহ্।)
একই বর্ণনাকারী থেকে অন্য সূত্রে এ সনদের কাছাকাছি অর্থে বর্ণিত আছে, সে বর্ণনার ভাষ্য হচ্ছে-রাসুল (ﷺ) ঈদুল আযহার দিনে ঈদের সালাত শেষে গৃহে ফিরে না আসা পর্যন্ত কিছুই খেতেন না। আর কুরবানীর গোশত দিয়েই এ দিনের খানা শুরু করতেন।
(সুনানে দারেকৃতনী, মুস্তাদরাকে হাকিম, সুনান আল-বাইহাকী। দ্বিতীয় বর্ণনাটিকে ইবনুল কাত্তান সহীহ বলেছেন।)
كتاب الصلاة
(3) باب استحباب الأكل قبل الخروج فى الفطر دون الأضحى - والكلام على وقت الصلاة فيهما
(1638) عن عبد الله بن بريدة عن أبيه (بريدة الأسلميِّ رضي الله عنه) قال كان النّّبيُّ صلَّى الله عليه وعلى آله وصحبه وسلَّم يوم الفطر لا يخرج حتَّى يطعم ويوم النَّحر لا يطعم حتَّى يرجع (وعنه من طريقٍ ثانٍ (2) بنحوه وفيه) ولا يأكل يوم الأضحى حتَّى يرجع فيأكل من أضحيته (3)
হাদীসের ব্যাখ্যা:
১. এ হাদীস থেকে প্রমাণিত হয় যে, ঈদুল ফিতরের দিন কিছু খেয়ে যাওয়া ছুন্নাত। আর ঈদুল আযহার দিন নামায থেকে ফিরে এসে খাওয়া ছুন্নাত। হযরত আনাস রা. থেকে সহীহ সনদে বর্ণিত আছে যে, রসূল স. ঈদুল ফিতরের দিনে বেজোড় সংখ্যায় খেয়ে ঈদগাহের দিকে রওনা হতেন। (বুখারী-৯০৫) এটাই হানাফী মাযহাবের মত। (শামী: ২/১৬৮)
২. সহীহ বুখারীতে হযরত আনাস (রা) সূত্রে বর্ণিত আছে যে, নবী কারীম ﷺ ঈদুল ফিতরের দিন ঈদগাহে যাবার পূর্বে কয়েকটি খেজুর খেয়ে নিতেন এবং বেজোড় সংখ্যায় খেতেন। ঈদুল আযহার দিন সালাতের পরে আহারের কথা আসার কারণ হল, যেন ঐদিন প্রথম খাবার কুরবানীর গোস্ত দ্বারা হয়, যা আল্লাহর পক্ষ থেকে এক ধরনের আপ্যায়ন। আর ঈদুল ফিতরের দিন সালাত আদায়ের পূর্বে কিছু আহার করে নেয়ার কারণ এই হয়ে থাকবে যে, আল্লাহর নির্দেশে বান্দা গোটা রমাযান মাসের দিনসমূহে খানা বন্ধ রেখেছিল। আজ যেহেতু খানা গ্রহণের অনুমতি পাওয়া গেছে এবং এতেই আল্লাহর সন্তুষ্টি রয়েছে বলে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, তাই আল্লাহর মুখাপেক্ষী বান্দা প্রভু প্রদত্ত আপ্যায়নের স্বাদ দিনের প্রথমভাগেই গ্রহণ করে। কারণ এটাই বান্দার প্রকৃত অবস্থান
گر طمع خواهد زمن سلطان دیں + خاك بر فرق قناعت بعد ازیں
ভোগের হুকুম দিলে প্রভু, ত্যাগে আমি দেই ছুটি।
২. সহীহ বুখারীতে হযরত আনাস (রা) সূত্রে বর্ণিত আছে যে, নবী কারীম ﷺ ঈদুল ফিতরের দিন ঈদগাহে যাবার পূর্বে কয়েকটি খেজুর খেয়ে নিতেন এবং বেজোড় সংখ্যায় খেতেন। ঈদুল আযহার দিন সালাতের পরে আহারের কথা আসার কারণ হল, যেন ঐদিন প্রথম খাবার কুরবানীর গোস্ত দ্বারা হয়, যা আল্লাহর পক্ষ থেকে এক ধরনের আপ্যায়ন। আর ঈদুল ফিতরের দিন সালাত আদায়ের পূর্বে কিছু আহার করে নেয়ার কারণ এই হয়ে থাকবে যে, আল্লাহর নির্দেশে বান্দা গোটা রমাযান মাসের দিনসমূহে খানা বন্ধ রেখেছিল। আজ যেহেতু খানা গ্রহণের অনুমতি পাওয়া গেছে এবং এতেই আল্লাহর সন্তুষ্টি রয়েছে বলে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, তাই আল্লাহর মুখাপেক্ষী বান্দা প্রভু প্রদত্ত আপ্যায়নের স্বাদ দিনের প্রথমভাগেই গ্রহণ করে। কারণ এটাই বান্দার প্রকৃত অবস্থান
گر طمع خواهد زمن سلطان دیں + خاك بر فرق قناعت بعد ازیں
ভোগের হুকুম দিলে প্রভু, ত্যাগে আমি দেই ছুটি।
২. ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)