মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)
৭. নামাযের অধ্যায়
হাদীস নং: ১৬৬২
নামাযের অধ্যায়
(৭) ঈদের সালাতে খুৎবা ও এর বিধি-বিধান, মহিলাদের উদ্দেশ্যে ওয়াজ-নসিহত এবং তাঁদেরকে দান-সাদকাহতে উৎসাহ প্রদান সম্পর্কিত পরিচ্ছেদ
(১৬৫৮) 'আতা হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি জাবির ইবনে আব্দুল্লাহকে বলতে শুনেছি যে, রাসূল (ﷺ) ঈদগাহে পৌছে খুৎবার পূর্বে ঈদের সালাত আদায় করলেন। অতঃপর খুৎবা প্রদান করলেন। খুৎবা শেষ করে তিনি মহিলাদের কাছে গেলেন এবং বিলাল (রা)-এর হাতের উপর ভর দিয়ে তাঁদের উদ্দেশ্যে ওয়াজ-নসীহত করলেন। এমতাবস্থায় বিলাল (রা) তাঁর কাপড়ের একটি অংশকে দান-সাদকাহ জমা করার জন্য বিছিয়ে দিলেন। বর্ণনাকারী বলেন, মহিলারা তাঁদের হাতের আংটি ইত্যাদি বিলাল (রা)-এর কাপড়ে নিক্ষেপ করতে লাগলেন।
(সহীহুল বুখারী, সহীহ মুসলিম, সুনানে আবু দাউদ, সুনান আন-নাসায়ী, সুনান আল-বাইহাকী।)
(সহীহুল বুখারী, সহীহ মুসলিম, সুনানে আবু দাউদ, সুনান আন-নাসায়ী, সুনান আল-বাইহাকী।)
كتاب الصلاة
(7) باب خطبة العيدين وأحكامها ووعظ النساء وحثهن على الصدقة
(1662) عن عطاء عن جابر بن عبد الله رضى الله عنهما قال سمعته يقول إنَّ النَّبىَّ (صلى الله عليه وسلم) قام يوم الفطر فبدأ بالصَّلاة قبل الخطبة ثمَّ خطب النَّاس، فلمَّا فرغ نبيُّ الله صلَّى الله عليه وعلى آله وصحبه وسلَّم نزل فأتى النِّساء فذكرهنَّ وهو يتوكَّأ على يد بلالٍ وبلالٌ باسطٌ ثوبه يلقين فيه النِّساء صدقةً، قال تلقى المرأة فتخها ويلقين (2) قال ابن بكرٍ (3) فتختها
হাদীসের ব্যাখ্যা:
এই হাদীসে ঈদের খুতবায় পুরুষের পাশাপাশি নারীদেরও পৃথকভাবে সম্বোধন করার বিষয় উল্লিখিত হয়েছে। হযরত আবদুল্লাহ্ ইবনে আববাস (রা) থেকে বর্ণিত সহীহ্ মুসলিমের এক হাদীস সূত্রে জানা যায় যে, নবী কারীম ﷺ খেয়াল করেছিলেন যে, নারীরা খুতবা শুনতে পায়নি (তাই তিনি পৃথকভাবে তাদের নসীহত করেন)।
জ্ঞাতব্যঃ রাসূলুল্লাহ ﷺ এর যুগে দুই ঈদের সালাতে সাধারণভাবে মহিলারা অংশ নিত। বরং বলা যায়, এ বিষয়ে তাঁর নির্দেশও ছিল। কিন্তু সময়ের বিবর্তনে এবং মুসলমানদের মধ্যে ফিতনা ফাসাদ দেখা দেওয়ায় ফিকহবিদ বিশেষজ্ঞ আলিমগণ যেমন জুমু'আ ও পাঁচ ওয়াক্তের সালাতে মহিলাদের জামা'আতে অংশগ্রহণ করাকে অসমীচীন মনে করেন, অনুরূপভাবে দুই ঈদের সালাতের ক্ষেত্রেও তাদের ঈদগাহে যাওয়া তারা অসমীচীন মনে করেন।
জ্ঞাতব্যঃ রাসূলুল্লাহ ﷺ এর যুগে দুই ঈদের সালাতে সাধারণভাবে মহিলারা অংশ নিত। বরং বলা যায়, এ বিষয়ে তাঁর নির্দেশও ছিল। কিন্তু সময়ের বিবর্তনে এবং মুসলমানদের মধ্যে ফিতনা ফাসাদ দেখা দেওয়ায় ফিকহবিদ বিশেষজ্ঞ আলিমগণ যেমন জুমু'আ ও পাঁচ ওয়াক্তের সালাতে মহিলাদের জামা'আতে অংশগ্রহণ করাকে অসমীচীন মনে করেন, অনুরূপভাবে দুই ঈদের সালাতের ক্ষেত্রেও তাদের ঈদগাহে যাওয়া তারা অসমীচীন মনে করেন।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)