মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)
খাদ্য অধ্যায়
হাদীস নং: ৪৫
খাদ্য অধ্যায়
পরিচ্ছেদ: বিভিন্ন প্রকার হারাম জিনিস।
হারাম খাদ্য পর্ব
হারাম খাদ্য পর্ব
৪৫। আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) খায়বার যুদ্ধের সময় প্রত্যেক দাঁতবিশিষ্ট হিংস্র পশু, মুজাসসামা এবং পালিত গাধা হারাম করেছেন।
(হাদীসটি অন্যত্র পাওয়া যায় নি। এর সনদ ভাল।)
(হাদীসটি অন্যত্র পাওয়া যায় নি। এর সনদ ভাল।)
كتاب الأطعمة
أبواب ما يحرم أكله
باب جامع في تحريم أجناس متعددة
باب جامع في تحريم أجناس متعددة
عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم حرم يوم خيبر كل ذي ناب من السباع والمجثمة والحمار الأنسي
হাদীসের ব্যাখ্যা:
ঐসকল পশু যেগুলো মুখ ও দাঁত দিয়ে শিকার করে- যেমন সিংহ, চিতা, বাঘ এবং অনুরূপভাবে কুকুর ও বিড়াল, এগুলোর এমন ধারালো দাঁত থাকে যাকে আরবীতে ناب বলা হয়। এগুলোই এসব পশুর আঘাত ও আক্রমণের বিশেষ অস্ত্র। অনুরূপভাবে যেসব পাখী শিকার ধরে, যেমন- বাজ, চিল ইত্যাদি তাদের আক্রমণের হাতিয়ার হচ্ছে- ঐ পাঞ্জা, যা দিয়ে ঝাপটা মেরে শিকারকে নিজের আয়ত্বে নিয়ে আসে।
হাদীসটির মর্ম ও সারবস্তু এই যে, চতুষ্পদ হিংস্রপ্রাণী, যেগুলোর মুখে ধারালো দাঁত থাকে এবং শিকার করে, অনুরূপভাবে শিকারী পাখী, যেগুলো পাঞ্জা দ্বারা ঝাপটা মেরে শিকার করে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এগুলো খেতে নিষেধ করেছেন। অর্থাৎ, এ নির্দেশ দিয়েছেন যে, এগুলো খাওয়া যাবে না। বস্তুত এগুলোও হারাম ও অপবিত্র জিনিসের অন্তর্ভুক্ত।
হাদীসটির মর্ম ও সারবস্তু এই যে, চতুষ্পদ হিংস্রপ্রাণী, যেগুলোর মুখে ধারালো দাঁত থাকে এবং শিকার করে, অনুরূপভাবে শিকারী পাখী, যেগুলো পাঞ্জা দ্বারা ঝাপটা মেরে শিকার করে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এগুলো খেতে নিষেধ করেছেন। অর্থাৎ, এ নির্দেশ দিয়েছেন যে, এগুলো খাওয়া যাবে না। বস্তুত এগুলোও হারাম ও অপবিত্র জিনিসের অন্তর্ভুক্ত।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)