মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)
খাদ্য অধ্যায়
হাদীস নং: ৭৮
খাদ্য অধ্যায়
পরিচ্ছেদ: একত্রে আহারের বরকত।
৭৮। ওয়াহশী ইবন হারব (র) তার পিতা থেকে, তিনি তার দাদা থেকে বর্ণনা করেন যে, এক ব্যক্তি নবী (ﷺ)-কে বলল, আমরা খাবার খাই; কিন্তু পরিতৃপ্ত হতে পারি না। তিনি বললেন, সম্ভবত তোমরা পৃথক পৃথক খাও। তোমরা একসঙ্গে খাবার খাবে এবং আল্লাহর নাম উচ্চারণ করবে; তবে তাতে বরকত দান করা হবে।
(আবু দাউদ, ইবন মাজাহ। হাদীসটির সূত্র ভাল।)
(আবু দাউদ, ইবন মাজাহ। হাদীসটির সূত্র ভাল।)
كتاب الأطعمة
باب بركة الاجتماع على الطعام
عن وحسي بن حرب عن أبيه عن جده أن رجلا قال للنبي صلى الله عليه وسلم إنا نأكل وما نشبع قال فلعلكم تأكلون متفرقين، اجتمعوا على طعامكم واذكروا اسم الله يبارك لكم فيه
হাদীসের ব্যাখ্যা:
সাহাবায়ে কেরাম অভিযোগ করলেন যে, আমরা খাই কিন্তু তৃপ্ত হই না, পেট ভরে না। নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কারণ অনুমান করতে পারলেন। তাই তিনি জিজ্ঞেস করলেন, সম্ভবত তোমরা আলাদা আলাদাভাবে খাও। সকলে এক পাত্রে খাও না। তারা তা স্বীকার করলেন। তখন তিনি তাদেরকে দু'টি হুকুম দিলেন। একটা হল সম্মিলিতভাবে খাওয়া। আর দ্বিতীয় হল আল্লাহর নাম নিয়ে খাওয়া। এ দু'টিই বরকতের কারণ। সকলে মিলে এক পাত্রে খেলে তাতে খাবারে বরকত হয়। তাই বলা হয়, যত হাত ততো বরকত। এমনিভাবে বিসমিল্লাহ বলাও বরকতের কারণ। আল্লাহ তা'আলার নাম নিয়ে খাবার খেলে আল্লাহ তা'আলা খাবারে বরকত দিয়ে দেন।
হাদীস থেকে শিক্ষণীয়ঃ
ক. খাওয়ার সময় একাধিক ব্যক্তি থাকলে প্রত্যেকে আলাদা পাত্র নেবে না; বরং একপাত্রে একাধিক ব্যক্তি খাবে।
খ. খাওয়ার শুরুতে অবশ্যই বিসমিল্লাহ বলা চাই।
হাদীস থেকে শিক্ষণীয়ঃ
ক. খাওয়ার সময় একাধিক ব্যক্তি থাকলে প্রত্যেকে আলাদা পাত্র নেবে না; বরং একপাত্রে একাধিক ব্যক্তি খাবে।
খ. খাওয়ার শুরুতে অবশ্যই বিসমিল্লাহ বলা চাই।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ রিয়াযুস সালিহীন (অনুবাদ- মাওলানা আবুল বাশার মুহাম্মাদ সাইফুল ইসলাম হাফি.)