মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)
স্বপ্নের ব্যাখ্যা অধ্যায়
হাদীস নং: ৪০
স্বপ্নের ব্যাখ্যা অধ্যায়
পরিচ্ছেদ: নবী (ﷺ)-এর স্বপ্ন।
৪০। হামযা ইবন আবদিল্লাহ ইবন উমর (রা) সূত্রে তার পিতা হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি বাসূলুল্লাহ-কে বলতে শুনেছি, একদা আমি ঘুমন্ত ছিলাম। সে সময় আমি দেখলাম যে, আমাকে একটি দুধের পেয়ালা দেওয়া হয়েছে। আমি তা পান করলাম। পরে আমার নখ হতে দুধ বের হতে লাগল। তারপর যা অবশিষ্ট থাকল তা আমি উমর ইবন খাত্তাব (রা)-কে দিলাম। বর্ণনাকারী বলেন, আমি বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ (ﷺ)! আপনি এটা কী ব্যাখ্যা করেছেন? তিনি বললেন, ইলম।
(বুখারী, মুসলিম, তিরমিযী)
(বুখারী, মুসলিম, তিরমিযী)
كتاب تعبير الرؤيا
باب رُؤى النبي صلى الله عليه وسلم
عن حمزة بن عبد الله بن عمر عن أبيه (5) قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول أتيت وأنا نائم بقدح من لبن فشربت منه حتى جعل اللبن يخرج من أظفاري، ثم ناولت فضلي عمر بن الخطاب، فقال يا رسول الله فما أوّلته قال العلم
হাদীসের ব্যাখ্যা:
সূক্ষ্মদর্শী আলেমগণ বলেছেন যে, ইলমের উপমা আকৃতি অন্য জগতে দুধের ন্যায়। যে ব্যক্তি স্বপ্নে দেখে যে, তাকে দুধ পান করানো হচ্ছে, তবে এর ব্যাখ্যা হলো তাকে ইলম দান করা হবে। দুধ ও ইলমের মধ্যে এ পারস্পরিক সম্পর্ক সুস্পষ্ট যে, দুধ মানবদেহের জন্য সর্বোত্তম উপকারী খাদ্য, তেমনিভাবে ইলম যা আল্লাহর পক্ষ থেকে প্রদান করা হয়, সেটা আত্মার জন্য সর্বোত্তম ও উপকারী।
এ হাদীস দ্বারা জানা গেল যে, আল্লাহ তা'আলার পক্ষ থেকে হুযুর (ﷺ)-কে প্রদত্ত ইলমের মধ্যে হযরত উমর রাযি.-এর বিশেষ অংশ ছিল। হযরত আবু বকর সিদ্দীক (রাযি.)-এর পর যেভাবে তিনি দশ বছর খেলাফত ও নবুওয়াতের নায়েব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং যেভাবে উম্মতের পথপ্রদর্শন করেছেন, তা-ই এর প্রমাণ ও সাক্ষ্য যে, আল্লাহ তা‘আলা তাঁকে ইলমের যথেষ্ট অংশ দান করেছিলেন।
হযরত শাহ ওয়ালী উল্লাহ (রহঃ) 'ইযালাতুল খাফা' নামক গ্রন্থে হযরত উমর রাযি.-এর জ্ঞান-গরীমা সম্পর্কে যা কিছু লিখেছেন, সেটা আলেমদের দেখার মত। এর অধ্যয়নের দ্বারা এ বিষয়ে হযরত ফারুকে আযমের অনন্য বৈশিষ্ট্য পূর্ণরূপে উপলব্ধি করা যেতে পারে।
এ হাদীস দ্বারা জানা গেল যে, আল্লাহ তা'আলার পক্ষ থেকে হুযুর (ﷺ)-কে প্রদত্ত ইলমের মধ্যে হযরত উমর রাযি.-এর বিশেষ অংশ ছিল। হযরত আবু বকর সিদ্দীক (রাযি.)-এর পর যেভাবে তিনি দশ বছর খেলাফত ও নবুওয়াতের নায়েব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং যেভাবে উম্মতের পথপ্রদর্শন করেছেন, তা-ই এর প্রমাণ ও সাক্ষ্য যে, আল্লাহ তা‘আলা তাঁকে ইলমের যথেষ্ট অংশ দান করেছিলেন।
হযরত শাহ ওয়ালী উল্লাহ (রহঃ) 'ইযালাতুল খাফা' নামক গ্রন্থে হযরত উমর রাযি.-এর জ্ঞান-গরীমা সম্পর্কে যা কিছু লিখেছেন, সেটা আলেমদের দেখার মত। এর অধ্যয়নের দ্বারা এ বিষয়ে হযরত ফারুকে আযমের অনন্য বৈশিষ্ট্য পূর্ণরূপে উপলব্ধি করা যেতে পারে।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)