মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)
শিষ্টাচার, নসীহত, হিকমত এবং কম কথায় অধিক অর্থ পূর্ণ বিষয়ের বর্ণনায় উৎসাহ প্রদান অধ্যায়
হাদীস নং: ১০৩
শিষ্টাচার, নসীহত, হিকমত এবং কম কথায় অধিক অর্থ পূর্ণ বিষয়ের বর্ণনায় উৎসাহ প্রদান অধ্যায়
এমন কিছু হাদীস যা উদাহরণ অথবা প্রবাদ বাক্য হিসেবে এসেছে
১০৩. হুযায়ফা ইবন ইয়ামান (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) বলেছেন, প্রত্যেক কল্যাণকর কাজই সাদকা। আর জাহেলী যুগের মানুষ নবুয়তের যে সব প্রাজ্ঞ বাক্য গ্রহণ করেছে, তার মধ্যে অন্যতম হলো, যখন তোমার লজ্জা থাকবে না, তখন যা ইচ্ছা তাই করতে পারবে।
كتاب جامع للأدب والمواعظ والحكم وجوامع الكلم في الترغيبات
خاتمة في احاديث جرت مجرى الامثال
عن حذيفة بن اليمان (3) قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم المعروف كله صدقة وإن آخر ما تعلق به أهل الجاهلية (4) من كلام النبوة اذا لم تستح فافعل ما شئت
হাদীসের ব্যাখ্যা:
পূর্ববর্তী আম্বিয়ায়ে কিরামের কালাম সঠিকভাবে সংরক্ষিত না থাকার কারণে আমরা তাঁদের ওয়ায নসীহত ও শিক্ষামূলক কথা জানতে পারিনি। তাঁরাও মানুষের আখলাক ও আমল সুন্দর ও সংশোধন করার জন্য বহু অমূল্য উপদেশ দান করেছেন। আলোচ্য হাদীসে নবী করীম ﷺ তাঁদের একটি উপদেশ সত্যায়িত করেছেন। এ হাদীস থেকে আমরা জানতে পারি যে, পূর্ববর্তী নবীগণও তাঁদের উম্মতকে হায়া অবলম্বন করার উপদেশ দিয়েছেন। কিন্তু আফসোস, তাঁদের দুনিয়া থেকে চলে যাওয়ার পর তাঁদের অনুসারিগণ ঈমানের নূর হারানোর সাথে সাথে হায়ার দৌলতও হারিয়ে ফেলেছে।
'যদি তোমার হায়া না থাকে তাহলে যা ইচ্ছা তা কর' কথার অর্থ হল, যে ব্যক্তির অন্তরে হায়ার আলো নেই সে যে কোন মন্দ আমল করতে পারে। বস্তুত হায়াশূন্য ব্যক্তি যে কোন গর্হিত কাজ করলেও আশ্চর্যান্বিত হওয়ার কোন কারণ নেই। যার হায়া নেই তার ঈমান নেই এবং যার ঈমান নেই তার উপর আল্লাহ তা'আলা শয়তানকে লেলিয়ে দেন এবং শয়তান যার দোস্ত সে দুনিয়ার এমন কোন অকর্ম ও কুকর্ম নেই, যা করতে পারে না।
'যদি তোমার হায়া না থাকে তাহলে যা ইচ্ছা তা কর' কথার অর্থ হল, যে ব্যক্তির অন্তরে হায়ার আলো নেই সে যে কোন মন্দ আমল করতে পারে। বস্তুত হায়াশূন্য ব্যক্তি যে কোন গর্হিত কাজ করলেও আশ্চর্যান্বিত হওয়ার কোন কারণ নেই। যার হায়া নেই তার ঈমান নেই এবং যার ঈমান নেই তার উপর আল্লাহ তা'আলা শয়তানকে লেলিয়ে দেন এবং শয়তান যার দোস্ত সে দুনিয়ার এমন কোন অকর্ম ও কুকর্ম নেই, যা করতে পারে না।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)