মা'আরিফুল হাদীস

হজ্ব অধ্যায়

হাদীস নং: ১৯২
হজ্ব অধ্যায়
কুরবানী
১৯২. নুবাইশা হুযালী রাযি. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: আমি তোমাদেরকে তিন দিনের বেশী কুরবানীর গোশত খেতে নিষেধ করেছিলাম, যাতে তোমাদের সবাই ভালভাবে গোশত খেতে পারে। এখন আল্লাহ্ তা'আলা তোমাদেরকে স্বচ্ছলতা দান করেছেন। এজন্য এখন তোমরা নিজেরা খাও, অন্যদেরকেও খেতে দাও এবং কুরবানীর সওয়াবও লাভ কর। আর এ দিনগুলো হচ্ছে পানাহার ও আল্লাহর স্মরণের। -আবূ দাউদ
کتاب الحج
عَنْ نُبَيْشَةَ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ : « إِنَّا كُنَّا نَهَيْنَاكُمْ عَنْ لُحُومِهَا أَنْ تَأْكُلُوهَا فَوْقَ ثَلَاثٍ لِكَيْ تَسَعَكُمْ ، فَقَدْ جَاءَ اللَّهُ بِالسَّعَةِ فَكُلُوا وَادَّخِرُوا وَاتَّجِرُوا ، أَلَا وَإِنَّ هَذِهِ الْأَيَّامَ أَيَّامُ أَكْلٍ وَشُرْبٍ وَذِكْرِ اللَّهِ » (رواه ابوداؤد)

হাদীসের ব্যাখ্যা:

উপরের হাদীস দ্বারাই জানা গেল যে, কুরবানীর গোশতের বেলায় অনুমতি রয়েছে যে, যতদিন পর্যন্ত ইচ্ছা খাওয়া যায় এবং রাখা যায়। আর শেষ হাদীসটির শেষ বাক্য দ্বারা জানা গেল যে, আইয়ামে তাশরীকে আল্লাহর বান্দাদের খাওয়া ও পান করাও আল্লাহ্ তা'আলার কাছে প্রিয় ও পছন্দনীয় কাজ। এ দিনগুলো যেন আল্লাহ্ তা'আলার পক্ষ থেকে মেহমানদারী ও আপ্যায়নের দিন। তবে এই খাওয়া দাওয়ার সাথে আল্লাহর স্মরণ, তাঁর মাহাত্ম্য ঘোষণা, তাঁর পবিত্রতা ও তাওহীদের বাণী উচ্চারণ দ্বারা রসনাকে সিক্ত রাখা চাই। এর সংমিশ্রণ ছাড়া আল্লাহর প্রকৃত বান্দাদের জন্য জীবনের প্রতিটি বিষয়ই তো বিস্বাদ।
« اللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ وَاللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ وَلِلَّهِ الْحَمْدُ »
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)
tahqiqতাহকীক:তাহকীক চলমান