মা'আরিফুল হাদীস
আযকার এবং দাওয়াত অধ্যায়
হাদীস নং: ১৫৫
আযকার এবং দাওয়াত অধ্যায়
বিপন্ন ব্যক্তিকে দর্শনকালে পাঠের দু'আ
অনেক সময় আমাদের চোখে এমন সব লোকও পড়ে থাকে, যারা কোন বিপদ বা দুর্গতির শিকার, যাদের অবস্থা অত্যন্ত করুন। এমন দৃশ্য দর্শনকালে হুযুর ﷺ আমাদেরকে শিক্ষা দিয়েছেন যেন আমরা তখন আল্লাহ তা'আলার প্রশংসা ও শুকরিয়া আদায় করি যে, তিনি আমাদেরকে সে করুণ অবস্থার শিকার করেন নি। তিনি বলেন যে, এই স্তব-স্তুতি ও শুকরিয়ার কল্যাণে এমন ব্যক্তি ঐ বিপদ থেকে মুক্ত থাকবে।
অনেক সময় আমাদের চোখে এমন সব লোকও পড়ে থাকে, যারা কোন বিপদ বা দুর্গতির শিকার, যাদের অবস্থা অত্যন্ত করুন। এমন দৃশ্য দর্শনকালে হুযুর ﷺ আমাদেরকে শিক্ষা দিয়েছেন যেন আমরা তখন আল্লাহ তা'আলার প্রশংসা ও শুকরিয়া আদায় করি যে, তিনি আমাদেরকে সে করুণ অবস্থার শিকার করেন নি। তিনি বলেন যে, এই স্তব-স্তুতি ও শুকরিয়ার কল্যাণে এমন ব্যক্তি ঐ বিপদ থেকে মুক্ত থাকবে।
১৫৫. আমীরুল মু'মিনীন হযরত উমর ইবনুল খাত্তাব এবং হযরত আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, যে ব্যক্তি কোন দুঃখ-দুর্দশার শিকার লোককে দেখে বলবে:
اَلْحَمْدُ لِلّٰهِ الَّذِي عَافَانِي مِمَّا ابْتَلَاكَ بِهٖ وَفَضَّلَنِي عَلٰى كَثِيرٍ مِّمَّنْ خَلَقَ تَفْضِيْلاً
প্রশংসা সেই আল্লাহর, যিনি আমাকে মুক্ত রেখেছেন সেই দুর্দশা থেকে, যাতে তিনি তোমাকে লিপ্ত করেছেন এবং তাঁর অনেক সৃষ্ট জীবের উপর আমাকে মর্যাদা মণ্ডিত করেছেন। সে ব্যক্তি ঐ দুর্দশা বা বিপদ থেকে মুক্ত থাকবে, চাই সে বিপদ যাই হোক না কেন।
(তিরমিযী)
(সুনানে ইবনে মাজা ঐ একই রিওয়ায়াতে হযরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রা)-এর বরাতে হাদীস বর্ণনা করেছেন)।
اَلْحَمْدُ لِلّٰهِ الَّذِي عَافَانِي مِمَّا ابْتَلَاكَ بِهٖ وَفَضَّلَنِي عَلٰى كَثِيرٍ مِّمَّنْ خَلَقَ تَفْضِيْلاً
প্রশংসা সেই আল্লাহর, যিনি আমাকে মুক্ত রেখেছেন সেই দুর্দশা থেকে, যাতে তিনি তোমাকে লিপ্ত করেছেন এবং তাঁর অনেক সৃষ্ট জীবের উপর আমাকে মর্যাদা মণ্ডিত করেছেন। সে ব্যক্তি ঐ দুর্দশা বা বিপদ থেকে মুক্ত থাকবে, চাই সে বিপদ যাই হোক না কেন।
(তিরমিযী)
(সুনানে ইবনে মাজা ঐ একই রিওয়ায়াতে হযরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রা)-এর বরাতে হাদীস বর্ণনা করেছেন)।
کتاب الاذکار والدعوات
عَنِ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ وَأَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَا: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: " مَا مِنْ رَجُلٍ رَأَى مُبْتَلًى، فَقَالَ: الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي عَافَانِي مِمَّا ابْتَلَاكَ بِهِ، وَفَضَّلَنِي عَلَى كَثِيرٍ مِمَّنْ خَلَقَ تَفْضِيلًا، عُوفِيَ مِنْ ذَلِكَ الْبَلَاءِ، كَائِنًا مَا كَانَ " (رواه الترمذى وراه ابن ماجه عن ابن عمر)
হাদীসের ব্যাখ্যা:
ইমাম তিরমিযী এ হাদীস বর্ণনার সাথে সাথে অনেকটা এর ব্যাখ্যা রূপে ইমাম যয়নুল আবেদীনের পুত্র ইমাম বাকের (র)-এর বরাতে বর্ণনা করেন। যে, বান্দা যখন কোন ব্যক্তিকে কোন বিপদে লিপ্ত দেখবে, তখন এ দু'আটি পড়বে এমনভাবে, যেন সেই বিপন্ন ব্যক্তি তা শুনতে না পায়। বলা বাহুল্য, তা শুনলে সে ব্যক্তি মনে কষ্ট পাবে।
হযরত শায়খ শিবলী (র) সম্পর্কে বর্ণিত আছে যে, তিনি যখন কোন ব্যক্তিকে আখিরাত থেকে উদাসীন হয়ে দুনিয়ার ধান্দায় বিভোর ও মগ্ন দেখতে পেতেন, তখন তিনি পড়তেন:
اَلْحَمْدُ لِلّٰهِ الَّذِي عَافَانِي مِمَّا ابْتَلَاكَ بِهٖ وَفَضَّلَنِي عَلٰى كَثِيرٍ مِّمَّنْ خَلَقَ تَفْضِيْلاً
অর্থাৎ এমন ব্যক্তিকে তিনি একজন চরম বিপন্ন ও দুর্দশাগ্রস্ত লোক বলে গণ্য করে দুর্দশাগ্রস্ত ব্যক্তিকে দেখে পড়বার জন্যে বিধিবদ্ধ দু'আটি তাকে লক্ষ্য করে তিনি পড়তেন।
হযরত শায়খ শিবলী (র) সম্পর্কে বর্ণিত আছে যে, তিনি যখন কোন ব্যক্তিকে আখিরাত থেকে উদাসীন হয়ে দুনিয়ার ধান্দায় বিভোর ও মগ্ন দেখতে পেতেন, তখন তিনি পড়তেন:
اَلْحَمْدُ لِلّٰهِ الَّذِي عَافَانِي مِمَّا ابْتَلَاكَ بِهٖ وَفَضَّلَنِي عَلٰى كَثِيرٍ مِّمَّنْ خَلَقَ تَفْضِيْلاً
অর্থাৎ এমন ব্যক্তিকে তিনি একজন চরম বিপন্ন ও দুর্দশাগ্রস্ত লোক বলে গণ্য করে দুর্দশাগ্রস্ত ব্যক্তিকে দেখে পড়বার জন্যে বিধিবদ্ধ দু'আটি তাকে লক্ষ্য করে তিনি পড়তেন।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)