মা'আরিফুল হাদীস
আযকার এবং দাওয়াত অধ্যায়
হাদীস নং: ২৮৮
আযকার এবং দাওয়াত অধ্যায়
ইস্তিগফারের বরকতসমূহ
ইস্তিগফারের মূল উদ্দেশ্য এবং প্রতিপাদ্য তো হচ্ছে আল্লাহ তা'আলার দ্বারা নিজেদের কৃত গুনাহসমূহ মার্জনা, যাতে করে বান্দা তার আযাব বা শাস্তি থেকে রেহাই পায়। কিন্তু কুরআন মজীদ পাঠে জানা যায় এবং রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামও অত্যন্ত বিশদভাবে বর্ণনা করেছেন যে, ইস্তিগফারের দ্বারা ইহলৌকিক অনেক বরকতও লাভ হয়ে থাকে এবং বান্দা এর কল্যাণে এ দুনিয়াতেও অনেক কিছু লাভকরে থাকে। আল্লাহ্ তা'আলা একীন ও আমল নসীব করুন।
ইস্তিগফারের মূল উদ্দেশ্য এবং প্রতিপাদ্য তো হচ্ছে আল্লাহ তা'আলার দ্বারা নিজেদের কৃত গুনাহসমূহ মার্জনা, যাতে করে বান্দা তার আযাব বা শাস্তি থেকে রেহাই পায়। কিন্তু কুরআন মজীদ পাঠে জানা যায় এবং রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামও অত্যন্ত বিশদভাবে বর্ণনা করেছেন যে, ইস্তিগফারের দ্বারা ইহলৌকিক অনেক বরকতও লাভ হয়ে থাকে এবং বান্দা এর কল্যাণে এ দুনিয়াতেও অনেক কিছু লাভকরে থাকে। আল্লাহ্ তা'আলা একীন ও আমল নসীব করুন।
২৮৮. হযরত আবদুল্লাহ্ ইব্ন আব্বাস (রা) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেন, যে বান্দা ইস্তিগফারকে আকড়ে থাকে (অর্থাৎ আল্লাহ তা'আলার দরবারে অহরহ ক্ষমা প্রার্থনা করতে থাকে) আল্লাহ্ তা'আলা তার প্রতিটি সংকীর্ণতা ও মুশকিল থেকে নির্গমনের পথ করে দেবেন এবং তার সকল দুশ্চিন্তা দূর করবেন এবং এমন পন্থায় তাকে জীবিকা দান করবেন, যার কল্পনাও সে করতে পারবে না।
(মুসনদে আহমদ, সুনানে আবুদাউদ ও সুনানে ইবনে মাজা)
(মুসনদে আহমদ, সুনানে আবুদাউদ ও সুনানে ইবনে মাজা)
کتاب الاذکار والدعوات
عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «مَنْ لَزِمَ الِاسْتِغْفَارَ، جَعَلَ اللَّهُ لَهُ مِنْ كُلِّ ضِيقٍ مَخْرَجًا، وَمِنْ كُلِّ هَمٍّ فَرَجًا، وَرَزَقَهُ مِنْ حَيْثُ لَا يَحْتَسِبُ» (رواه احمد وابوداؤد وابن ماجه)
হাদীসের ব্যাখ্যা:
লক্ষ্য রাখতে হবে যে, এটা কেবল মৌখিক ভাবে ইস্তিগফারের শব্দগুলো উচ্চরণের দ্বারা অর্জিত হবে না, ইস্তিগফারের হাকীকতের দ্বারাই কেবল তা অর্জিত হতে পারে, যার ব্যাখ্যা ইতিপূর্বে দেওয়া হয়েছে। আল্লাহ্ তা'আলা তা আমাদের সকলকে নসীব করুন।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)