মা'আরিফুল হাদীস
মু‘আশারাত ও মু‘আমালাত অধ্যায়
হাদীস নং: ৪
মু‘আশারাত ও মু‘আমালাত অধ্যায়
আকীকা
পৃথিবীর প্রতিটি সম্প্রদায় ও ধর্মানুসারীদের মধ্যে একটি বিষয় লক্ষ্য করা যায় যে, কোন সন্তানের জন্ম গ্রহণকে আল্লাহর একটি নেয়ামত ও আনন্দের বিষয় মনে করা হয় এবং কোন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই আনন্দের প্রকাশও ঘটানো হয়। এটা মানব স্বভাবের একটা চাহিদা ও দাবীও বটে। আর এর মধ্যে একটি বিরাট কল্যাণ এই রয়েছে যে, এর দ্বারা খুবই সূক্ষ্ম ও সুন্দরভাবে একথা প্রকাশ পেয়ে যায় যে, পিতা এই সন্তানকে নিজেরই সন্তান মনে করে এবং এ ব্যাপারে তার কোন সংশয়-সন্দেহ নেই। এর দ্বারা অনেক ফিতনার দরজা বন্ধ হয়ে যায়। আরবদের মধ্যে এর জন্য জাহেলী যুগেও আকীকার প্রচলন ছিল। তাদের রীতি এই ছিল যে, জন্মের কয়েক দিন পর নবজাতকের মাথার ঐ চুল, যা মাতৃগর্ভ থেকে নিয়ে সে জন্মগ্রহণ করেছে, এটা পরিষ্কার করে ফেলা হত, আর ঐ দিন আনন্দ প্রকাশের জন্য কোন পশু কুরবানী করা হত। (যা ইবরাহীমী আদর্শের একটি নিদর্শন।) রাসূলুল্লাহ (ﷺ) নীতিগতভাবে এটাকে বাকী রেখে; বরং এর প্রতি উৎসাহ দিতে গিয়ে এ ব্যাপারে উপযোগী দিকনির্দেশনা দান করেন এবং নিজে আকীকা করে এর বাস্তব নমুনাও প্রদর্শন করেন।
পৃথিবীর প্রতিটি সম্প্রদায় ও ধর্মানুসারীদের মধ্যে একটি বিষয় লক্ষ্য করা যায় যে, কোন সন্তানের জন্ম গ্রহণকে আল্লাহর একটি নেয়ামত ও আনন্দের বিষয় মনে করা হয় এবং কোন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই আনন্দের প্রকাশও ঘটানো হয়। এটা মানব স্বভাবের একটা চাহিদা ও দাবীও বটে। আর এর মধ্যে একটি বিরাট কল্যাণ এই রয়েছে যে, এর দ্বারা খুবই সূক্ষ্ম ও সুন্দরভাবে একথা প্রকাশ পেয়ে যায় যে, পিতা এই সন্তানকে নিজেরই সন্তান মনে করে এবং এ ব্যাপারে তার কোন সংশয়-সন্দেহ নেই। এর দ্বারা অনেক ফিতনার দরজা বন্ধ হয়ে যায়। আরবদের মধ্যে এর জন্য জাহেলী যুগেও আকীকার প্রচলন ছিল। তাদের রীতি এই ছিল যে, জন্মের কয়েক দিন পর নবজাতকের মাথার ঐ চুল, যা মাতৃগর্ভ থেকে নিয়ে সে জন্মগ্রহণ করেছে, এটা পরিষ্কার করে ফেলা হত, আর ঐ দিন আনন্দ প্রকাশের জন্য কোন পশু কুরবানী করা হত। (যা ইবরাহীমী আদর্শের একটি নিদর্শন।) রাসূলুল্লাহ (ﷺ) নীতিগতভাবে এটাকে বাকী রেখে; বরং এর প্রতি উৎসাহ দিতে গিয়ে এ ব্যাপারে উপযোগী দিকনির্দেশনা দান করেন এবং নিজে আকীকা করে এর বাস্তব নমুনাও প্রদর্শন করেন।
৪. হযরত বুরায়দা রাযি. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, জাহেলী যুগে যখন আমাদের কারো পুত্র সন্তান জন্ম গ্রহণ করত, তখন সে একটি ছাগল যবেহ করত এবং এর রক্ত সন্তানের মাথায় মাখিয়ে দিত। তারপর যখন ইসলাম আসল, তখন থেকে আমরা (হুযুর (ﷺ)-এর শিক্ষা ও নির্দেশ মুতাবেক) সপ্তম দিনে ছাগল দ্বারা আকীকা করি এবং সন্তানের মাথা মুড়িয়ে এতে জাফরান মাখিয়ে দেই। -আবু দাউদ
এ হাদীসেরই রযীনের রেওয়ায়তে এ সংযোজনও রয়েছে যে, সপ্তম দিবসে আকীকার সাথে আমরা সন্তানের নামও রাখি।
এ হাদীসেরই রযীনের রেওয়ায়তে এ সংযোজনও রয়েছে যে, সপ্তম দিবসে আকীকার সাথে আমরা সন্তানের নামও রাখি।
کتاب المعاشرت والمعاملات
عَنْ أَبِي بُرَيْدَةَ قَالَ: كُنَّا فِي الْجَاهِلِيَّةِ إِذَا وُلِدَ لِأَحَدِنَا غُلَامٌ ذَبَحَ شَاةً وَلَطَخَ رَأْسَهُ بِدَمِهَا، فَلَمَّا جَاءَ اللَّهُ بِالْإِسْلَامِ كُنَّا «نَذْبَحُ شَاةً، وَنَحْلِقُ رَأْسَهُ وَنُلَطِّخُهُ بِزَعْفَرَانٍ» (رواه ابوداؤد)