মা'আরিফুল হাদীস
মু‘আশারাত ও মু‘আমালাত অধ্যায়
হাদীস নং: ৪৭১
মু‘আশারাত ও মু‘আমালাত অধ্যায়
বিচার ব্যবস্থা
মানুষের মধ্যে বিভিন্ন দ্বন্দ্ব ও ঝগড়া মীমাংসা করতে এবং অধিকার প্রাপ্তদের অধিকার আদায় করে দিতে আর শাস্তিযোগ্য চোর-ডাকাতদের ন্যায় অপরাধীদেরকে শাস্তি প্রদানের জন্যে বিচার ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত করাও মনুষ্য সমাজে অপরিহার্য। অন্যান্য বিষয়ের ন্যায় রাসুলুল্লাহ ﷺ মনুষ্য বিষয়াবলী সম্পর্কে নিজেও কর্মপদ্ধতি ও বাণী দ্বারা পূর্ণ পথপ্রদর্শন করেছেন। হিজরতের পূর্বে মক্কী জীবনে এ প্রশ্নই ছিল না। কিন্তু যখন তিনি ও তাঁর সাহাবীবৃন্দ হিজরত করে মদীনা মুনাওয়ারায় এলেন এবং এক সামাজিক কাঠামো সৃষ্টি হল, তখন বিচার ব্যবস্থাও প্রাথমিক সরল কাঠামো নিয়ে প্রতিষ্ঠা পেল। স্বয়ং রাসুলুল্লাহ ﷺ নবী ও রাসূল হওয়া সত্ত্বেও কাযী এবং আদালতের বিচারকও ছিলেন। ঝগড়া-কলহের বিষয়াদি তাঁর সামনে আসত আর তিনি সেগুলোর ফয়সালা দিতেন, শাস্তি জারী করতেন। অর্থাৎ শাস্তির উপযুক্ত অপরাধীদেরকে আল্লাহর আইন মুতাবিক শাস্তি দেওয়াতেন। কুরআন মজীদে সোজা তাকে উদ্দেশ্য করে বলা হয়েছেঃ
{وَأَنِ احْكُمْ بَيْنَهُمْ بِمَا أَنْزَلَ اللَّهُ } [المائدة: 49]
(হে নবী)! আপনি লোকদের ঝগড়া-বিবাদের ফয়সালা আল্লাহর নাযিলকৃত আইন মুতাবিক করুন। অন্যত্র বলা হয়েছেঃ
{إِنَّا أَنْزَلْنَا إِلَيْكَ الْكِتَابَ بِالْحَقِّ لِتَحْكُمَ بَيْنَ النَّاسِ بِمَا أَرَاكَ اللَّهُ} [النساء: 105]
আমি আপনার প্রতি সত্যসহ কিতাব অবতীর্ণ করেছি যাতে আপনি আল্লাহ আপনাকে যা জানিয়েছেন সেই অনুসারে মানুষের বিচার মীমাংসা করেন। সুতরাং রাসূলুল্লাহ ﷺ দ্বন্দ্ব ও ঝগড়ার ফয়সালা স্বয়ং করতেন। এমনকি কোন কোন বর্ণনায় জানা যায় যে, তারই পবিত্র জীবনে তাঁর নির্দেশে হযরত উমর (রা)ও পবিত্র মদীনায় কাযী হিসাবে মুকাদ্দামা সমূহের ফয়সালা করতেন। আর যখন ইয়ামেন অঞ্চল ইসলামী শাসনের গন্ডিতে এল তখন তিনি হযরত আলী ও হযরত মুয়ায (রা) কে তথায় কাযী নিযুক্ত করে পাঠান। তিনি যেসব সাহাবীদের কোন এলাকায় ইনসাফের দায়িত্ব প্রাপ্ত (কাযী) করে পাঠাতেন, শক্ত তাকীদ করে দিতেন যে, এ দায়িত্ব নিজের সাধ্যমত এবং চিন্তা-বুদ্ধির শেষ সীমা পর্যন্ত ন্যায়-ইনসাফ ও আল্লাহভীতির সাথে সমাধা করার পূর্ণ চেষ্টা করবে। আর এরূপ কাযীকে তিনি আল্লাহর সাহায্য, পথপ্রদর্শন এবং আখিরাতের বিরাট পুরস্কার ও উন্নত মর্যাদার সুসংবাদ দিয়েছেন। আর একথাও বলেছেন যে, যদি এরূপ লোকদের থেকে অজ্ঞাতসারে চিন্তাগত ভুল হয়ে যায় তা ধরা হবে না। বরং নিজের সদিচ্ছা ও সত্য উপলব্ধির চেষ্টার জন্য পুন্য পাবে। পক্ষান্তরে পক্ষপাতিত্ব ও অন্যায় বিচারকারীকে আল্লাহর ক্রোধের কথা শুনানো হয়েছে। তদুপরি তিনি এ দিকনির্দেশনাও দিয়েছেন, হাকিম ও কাযী আল্লাহর এমন বান্দাদের বানানো হবে, যারা এই পদের অভিলাষী নয়। আর যে লোক এই পদের অন্বেষণকারী ও আগ্রহী, তাকে কখনো এ পদ দেওয়া যাবে না। বিচার মীমাংসার কর্মপদ্ধতি সম্পর্কেও তিনি পথপ্রদর্শন করেছেন। এজন্য মূলনীতিও শিক্ষা দিয়েছেন। এ ধারাবাহিকতায় নিম্নের হাদীসসমূহ পাঠ করা যেতে পারে।
ন্যায় বিচারক ও অন্যায় বিচারক
মানুষের মধ্যে বিভিন্ন দ্বন্দ্ব ও ঝগড়া মীমাংসা করতে এবং অধিকার প্রাপ্তদের অধিকার আদায় করে দিতে আর শাস্তিযোগ্য চোর-ডাকাতদের ন্যায় অপরাধীদেরকে শাস্তি প্রদানের জন্যে বিচার ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত করাও মনুষ্য সমাজে অপরিহার্য। অন্যান্য বিষয়ের ন্যায় রাসুলুল্লাহ ﷺ মনুষ্য বিষয়াবলী সম্পর্কে নিজেও কর্মপদ্ধতি ও বাণী দ্বারা পূর্ণ পথপ্রদর্শন করেছেন। হিজরতের পূর্বে মক্কী জীবনে এ প্রশ্নই ছিল না। কিন্তু যখন তিনি ও তাঁর সাহাবীবৃন্দ হিজরত করে মদীনা মুনাওয়ারায় এলেন এবং এক সামাজিক কাঠামো সৃষ্টি হল, তখন বিচার ব্যবস্থাও প্রাথমিক সরল কাঠামো নিয়ে প্রতিষ্ঠা পেল। স্বয়ং রাসুলুল্লাহ ﷺ নবী ও রাসূল হওয়া সত্ত্বেও কাযী এবং আদালতের বিচারকও ছিলেন। ঝগড়া-কলহের বিষয়াদি তাঁর সামনে আসত আর তিনি সেগুলোর ফয়সালা দিতেন, শাস্তি জারী করতেন। অর্থাৎ শাস্তির উপযুক্ত অপরাধীদেরকে আল্লাহর আইন মুতাবিক শাস্তি দেওয়াতেন। কুরআন মজীদে সোজা তাকে উদ্দেশ্য করে বলা হয়েছেঃ
{وَأَنِ احْكُمْ بَيْنَهُمْ بِمَا أَنْزَلَ اللَّهُ } [المائدة: 49]
(হে নবী)! আপনি লোকদের ঝগড়া-বিবাদের ফয়সালা আল্লাহর নাযিলকৃত আইন মুতাবিক করুন। অন্যত্র বলা হয়েছেঃ
{إِنَّا أَنْزَلْنَا إِلَيْكَ الْكِتَابَ بِالْحَقِّ لِتَحْكُمَ بَيْنَ النَّاسِ بِمَا أَرَاكَ اللَّهُ} [النساء: 105]
আমি আপনার প্রতি সত্যসহ কিতাব অবতীর্ণ করেছি যাতে আপনি আল্লাহ আপনাকে যা জানিয়েছেন সেই অনুসারে মানুষের বিচার মীমাংসা করেন। সুতরাং রাসূলুল্লাহ ﷺ দ্বন্দ্ব ও ঝগড়ার ফয়সালা স্বয়ং করতেন। এমনকি কোন কোন বর্ণনায় জানা যায় যে, তারই পবিত্র জীবনে তাঁর নির্দেশে হযরত উমর (রা)ও পবিত্র মদীনায় কাযী হিসাবে মুকাদ্দামা সমূহের ফয়সালা করতেন। আর যখন ইয়ামেন অঞ্চল ইসলামী শাসনের গন্ডিতে এল তখন তিনি হযরত আলী ও হযরত মুয়ায (রা) কে তথায় কাযী নিযুক্ত করে পাঠান। তিনি যেসব সাহাবীদের কোন এলাকায় ইনসাফের দায়িত্ব প্রাপ্ত (কাযী) করে পাঠাতেন, শক্ত তাকীদ করে দিতেন যে, এ দায়িত্ব নিজের সাধ্যমত এবং চিন্তা-বুদ্ধির শেষ সীমা পর্যন্ত ন্যায়-ইনসাফ ও আল্লাহভীতির সাথে সমাধা করার পূর্ণ চেষ্টা করবে। আর এরূপ কাযীকে তিনি আল্লাহর সাহায্য, পথপ্রদর্শন এবং আখিরাতের বিরাট পুরস্কার ও উন্নত মর্যাদার সুসংবাদ দিয়েছেন। আর একথাও বলেছেন যে, যদি এরূপ লোকদের থেকে অজ্ঞাতসারে চিন্তাগত ভুল হয়ে যায় তা ধরা হবে না। বরং নিজের সদিচ্ছা ও সত্য উপলব্ধির চেষ্টার জন্য পুন্য পাবে। পক্ষান্তরে পক্ষপাতিত্ব ও অন্যায় বিচারকারীকে আল্লাহর ক্রোধের কথা শুনানো হয়েছে। তদুপরি তিনি এ দিকনির্দেশনাও দিয়েছেন, হাকিম ও কাযী আল্লাহর এমন বান্দাদের বানানো হবে, যারা এই পদের অভিলাষী নয়। আর যে লোক এই পদের অন্বেষণকারী ও আগ্রহী, তাকে কখনো এ পদ দেওয়া যাবে না। বিচার মীমাংসার কর্মপদ্ধতি সম্পর্কেও তিনি পথপ্রদর্শন করেছেন। এজন্য মূলনীতিও শিক্ষা দিয়েছেন। এ ধারাবাহিকতায় নিম্নের হাদীসসমূহ পাঠ করা যেতে পারে।
ন্যায় বিচারক ও অন্যায় বিচারক
৪৭১. হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর ইবনুল আস (রা) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেন, (রাষ্ট্রীয় ক্ষমতাবানদের মধ্যে) ন্যায় ও ইনসাফকারী বান্দা আল্লাহর নিকট (অর্থাৎ আখিরাতে) নূরের মিম্বরে আল্লাহর ডানে হবে। আর তাঁর উভয় হাতই ডান। এরা সেই সব লোক, যারা নিজেদের ফায়সালায়, নিজেদের পরিজন ও সম্পর্কিতদের ব্যাপারে এবং নিজেদের ক্ষমতা প্রয়োগে ইনসাফ পালন করে। (মুসলিম)
کتاب المعاشرت والمعاملات
عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو ابْنُ الْعَاصِ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: إِنَّ الْمُقْسِطِينَ عِنْدَ اللَّهِ عَلَى مَنَابِرَ مِنْ نُورٍ عَنْ يَمِينِ الرَّحْمَنِ عَزَّ وَجَلَّ وَكِلْتَا يَدَيْهِ يَمِينٌ الَّذِينَ يَعْدِلُونَ فِي حُكْمِهِمْ وَأَهْلِيهِمْ وَمَا وَلُوا. (رواه مسلم)
হাদীসের ব্যাখ্যা:
আলোচ্য হাদীসে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত সেই সব লোক এবং কর্তৃত্বশীলদের আখিরাতে মহা সুসংবাদ শুনানো হয়েছে, যারা ফায়সালা ও কর্তৃত্ব প্রয়োগের ক্ষেত্রে ন্যায়-ইনসাফের প্রতি দৃষ্টি রাখে-সেদিন তারা নূরের মিম্বরে আল্লাহর ডান পার্শ্বে অবস্থান করবে। এ জগতে শাহী দরবারে কারো আসন রাজার ডান পার্শ্বে হওয়া বিশেষ মর্যাদার প্রতীক মনে করা হয়। এ ভিত্তিতে আলোচ্য হাদীসের উদ্দেশ্য ও দাবি এই হবে যে, যে লোক রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা ও কর্তৃত্বের অধিকারী হওয়ার সাথে সাথে ন্যায়-ইনসাফের পূর্ণ দাবির প্রতি লক্ষ্য রাখে, তবে আখিরাতে আল্লাহর শাহী দরবারে তার এরূপই বিশেষ সম্মান ও মর্যাদা হবে যে, তার নূরানী আসন (মিম্বর বলুন অথবা কুরসী) আল্লাহ তা'আলার ডান পার্শ্বে হবে।
হাদীসের عن يمين الرحمن (আল্লাহর ডান পার্শ্ব) দ্বারা সন্দেহের উদ্রেক হতে পারে যে, যেভাবে আমাদের ডান হাতের সাথে অন্য বাম হাত হয়ে থাকে যে ডান হাতের তুলনায় দুর্বল ও কম মর্যাদাবান) অনুরূপভাবে আল্লাহ তা'আলারও অন্য বাম থাকবে। এ বিষয়ে রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর সুষ্পষ্ট ব্যাখ্যায় জানা গেল যে, এ হাদীসে অথবা এ জাতীয় অন্যান্য হাদীসে কিছু কুরআনের আয়াতে আল্লাহ তাআলার জন্য 'ডান' বা 'হাত' শব্দগুলো যেখানে ব্যবহার হয়েছে, তাতে আমাদের ন্যায় হাত উদ্দেশ্য নয়। কুরআন মজীদে বলা হয়েছে لَیْسَ کَمِثْلِهٖ شَيْءٌ (কোন জিনিসই আল্লাহর অনুরূপ বা সদৃশ নয়) বাকি থাকল হাত জাতীয় শব্দ দ্বারা উদেশ্য কি? এ বিষয়ে পূর্ববর্তী আলেমগণের পথে অধিক নিরাপত্তা রয়েছে যে, আমরা এ স্বীকৃতি প্রদান করব যে, আল্লাহ তা'আলার সত্তা ও গুণাবলীর স্বরূপ ও যথার্থতা উপলব্ধি করতে আমরা অক্ষম।
হাদীসের শেষ শব্দাবলী اَلَّذِيْنَ يَعْدِلُوْنَ فِيْ حُكْمِهِمْ وَأَهْلِهِم وَمَا وُلُّوْا অর্থাৎ এ সুসংবাদ সেইসব ন্যায় ও ইনসাফকারীদের জন্য, যারা নিজেদের বিচার মীমাংসায় ইনসাফ করে এবং নিজেদের পরিবার পরিজন ও সম্পর্কিত ব্যক্তিদের সাথেও তাদের রীতি ইনসাফ ভিত্তিক। যদি তারা কারো তত্ত্বাবধায়ক হয়, অথবা কোন সম্পদ বা কোন প্রতিষ্ঠানের মুতাওয়াল্লী হয় তবে এসব বিষয়েও ইনসাফ ও ন্যায় বিচারের দাবির প্রতি লক্ষ্য রাখে। এ থেকে জানা গেল যে, ন্যায় ও ইনসাফের নির্দেশ এর প্রতি সুসংবাদের সম্পর্ক কেবল রাষ্ট্রীয় কর্ণধার ও বিচারকদের জন্যই নয়; বরং নিজ নিজ শক্তির কার্য ক্ষেত্রের প্রত্যেক ব্যক্তি এজন্য আদিষ্ট।
হাদীসের عن يمين الرحمن (আল্লাহর ডান পার্শ্ব) দ্বারা সন্দেহের উদ্রেক হতে পারে যে, যেভাবে আমাদের ডান হাতের সাথে অন্য বাম হাত হয়ে থাকে যে ডান হাতের তুলনায় দুর্বল ও কম মর্যাদাবান) অনুরূপভাবে আল্লাহ তা'আলারও অন্য বাম থাকবে। এ বিষয়ে রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর সুষ্পষ্ট ব্যাখ্যায় জানা গেল যে, এ হাদীসে অথবা এ জাতীয় অন্যান্য হাদীসে কিছু কুরআনের আয়াতে আল্লাহ তাআলার জন্য 'ডান' বা 'হাত' শব্দগুলো যেখানে ব্যবহার হয়েছে, তাতে আমাদের ন্যায় হাত উদ্দেশ্য নয়। কুরআন মজীদে বলা হয়েছে لَیْسَ کَمِثْلِهٖ شَيْءٌ (কোন জিনিসই আল্লাহর অনুরূপ বা সদৃশ নয়) বাকি থাকল হাত জাতীয় শব্দ দ্বারা উদেশ্য কি? এ বিষয়ে পূর্ববর্তী আলেমগণের পথে অধিক নিরাপত্তা রয়েছে যে, আমরা এ স্বীকৃতি প্রদান করব যে, আল্লাহ তা'আলার সত্তা ও গুণাবলীর স্বরূপ ও যথার্থতা উপলব্ধি করতে আমরা অক্ষম।
হাদীসের শেষ শব্দাবলী اَلَّذِيْنَ يَعْدِلُوْنَ فِيْ حُكْمِهِمْ وَأَهْلِهِم وَمَا وُلُّوْا অর্থাৎ এ সুসংবাদ সেইসব ন্যায় ও ইনসাফকারীদের জন্য, যারা নিজেদের বিচার মীমাংসায় ইনসাফ করে এবং নিজেদের পরিবার পরিজন ও সম্পর্কিত ব্যক্তিদের সাথেও তাদের রীতি ইনসাফ ভিত্তিক। যদি তারা কারো তত্ত্বাবধায়ক হয়, অথবা কোন সম্পদ বা কোন প্রতিষ্ঠানের মুতাওয়াল্লী হয় তবে এসব বিষয়েও ইনসাফ ও ন্যায় বিচারের দাবির প্রতি লক্ষ্য রাখে। এ থেকে জানা গেল যে, ন্যায় ও ইনসাফের নির্দেশ এর প্রতি সুসংবাদের সম্পর্ক কেবল রাষ্ট্রীয় কর্ণধার ও বিচারকদের জন্যই নয়; বরং নিজ নিজ শক্তির কার্য ক্ষেত্রের প্রত্যেক ব্যক্তি এজন্য আদিষ্ট।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)