কিতাবুস সুনান - ইমাম আবু দাউদ রহঃ
৩৬. ইসলামী শিষ্টাচারের অধ্যায়
হাদীস নং: ৫০০৪
আন্তর্জাতিক নং: ৫০৯২
ইসলামী শিষ্টাচারের অধ্যায়
১০৮. নতুন চাঁদ দেখার পর যে দুআ পড়বে।
৫০০৪. মুসা ইবনে ইসমাঈল (রাহঃ) .... কাতাদা (রাহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ নবী করীম (ﷺ) যখন নতুন চাঁদ দেখতেন, তখন এ দুআ পাঠ করতেনঃ এ চাঁদ উত্তম এবং পথ প্রদর্শক, এ চাঁদ উত্তম এবং পথ প্রদর্শক, এ চাঁদ উত্তম এবং হিদায়াত। আমি তাঁর উপর ঈমান এনেছি, যিনি তোমাকে সৃষ্টি করেছেন। তিনি তিনবার এ দুআ পাঠের পর বলতেনঃ সমস্ত প্রশংসা সে আল্লাহর, যিনি অমুক মাস নিয়ে গেছেন এবং এ মাস এনেছেন।
كتاب الأدب
باب مَا يَقُولُ الرَّجُلُ إِذَا رَأَى الْهِلاَلَ
حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا أَبَانُ، حَدَّثَنَا قَتَادَةُ، أَنَّهُ بَلَغَهُ أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم كَانَ إِذَا رَأَى الْهِلاَلَ قَالَ " هِلاَلُ خَيْرٍ وَرُشْدٍ هِلاَلُ خَيْرٍ وَرُشْدٍ هِلاَلُ خَيْرٍ وَرُشْدٍ آمَنْتُ بِالَّذِي خَلَقَكَ " . ثَلاَثَ مَرَّاتٍ . ثُمَّ يَقُولُ " الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي ذَهَبَ بِشَهْرِ كَذَا وَجَاءَ بِشَهْرِ كَذَا " .
হাদীসের ব্যাখ্যা:
নতুন চাঁদ দেখা কালীন পড়বার এটিও একটি দু'আ। এর দ্বারা বুঝা গেল যে, নতুন চাঁদ দেখলে রাসূলুল্লাহ ﷺ কখনো এই দু'আটি করতেন, আবার কখনো অন্য হাদীসে বর্ণিত দু'আটি করতেন।
তিনবার هِلاَلُ خَيْرٍ وَرُشْدٍ (খায়র ও বরকত এবং হিদায়তের চাঁদ) বলার তাৎপর্য সম্ভবত এই যে, অনেকে কোন কোন মাসকে অশুভ জ্ঞান করে থাকে। তাদের ধারণা, এ সব মাসে কোন মঙ্গল মিহিত নেই। দু'আর এ বাক্য দ্বারা সে কুসংস্কার ও অলীক ধারণার প্রতিবাদ করে এ কথা বলাই উদ্দিষ্ট ছিল যে, প্রতিটি মাসেই খায়র বরকত বা কল্যাণ নিহিত রয়েছে। আল্লাহর সৃষ্ট কোন মাসই অশুভ বা বরকতশূন্য নয়। (اَمَنْتُ بِالَّذِي خَلَقَكَ) সেই আল্লাহর প্রতি আমি ঈমান এনেছি, যিনি তাকে সৃষ্টি করেছেন বলে তিনি এ বিভ্রান্ত মুশরিকানা ধারণার উপর আঘাত হানতেন যে, চাঁদ নিজেই একটি উপাস্য দেবতা।
এ হাদীসের রাবী কাতাদা সম্ভবত কাতাদা ইবনে দাআমা সাদূসী তাবেয়ী। তিনি এ হাদীসটি কোন সাহাবীর মুখে শুনে থাকবেন। কোন কোন তাবেয়ী এবং তাবে তাবেয়ী এরূপ রাবীর নাম উল্লেখ না করে হাদীস রিওয়ায়াত করতেন এবং এরূপ বলতেন যে আমার নিকট এরূপ হাদীস পৌঁছেছে। মুহাদ্দিসীনদের পরিভাষায় এরূপ হাদীসকে (بلاغات) বালাগাত বলা হয়ে থাকে। ইমাম মালিক (রা) এর মুআত্তায় এরূপ ভুরি ভুরি হাদীস রয়েছে।
তিনবার هِلاَلُ خَيْرٍ وَرُشْدٍ (খায়র ও বরকত এবং হিদায়তের চাঁদ) বলার তাৎপর্য সম্ভবত এই যে, অনেকে কোন কোন মাসকে অশুভ জ্ঞান করে থাকে। তাদের ধারণা, এ সব মাসে কোন মঙ্গল মিহিত নেই। দু'আর এ বাক্য দ্বারা সে কুসংস্কার ও অলীক ধারণার প্রতিবাদ করে এ কথা বলাই উদ্দিষ্ট ছিল যে, প্রতিটি মাসেই খায়র বরকত বা কল্যাণ নিহিত রয়েছে। আল্লাহর সৃষ্ট কোন মাসই অশুভ বা বরকতশূন্য নয়। (اَمَنْتُ بِالَّذِي خَلَقَكَ) সেই আল্লাহর প্রতি আমি ঈমান এনেছি, যিনি তাকে সৃষ্টি করেছেন বলে তিনি এ বিভ্রান্ত মুশরিকানা ধারণার উপর আঘাত হানতেন যে, চাঁদ নিজেই একটি উপাস্য দেবতা।
এ হাদীসের রাবী কাতাদা সম্ভবত কাতাদা ইবনে দাআমা সাদূসী তাবেয়ী। তিনি এ হাদীসটি কোন সাহাবীর মুখে শুনে থাকবেন। কোন কোন তাবেয়ী এবং তাবে তাবেয়ী এরূপ রাবীর নাম উল্লেখ না করে হাদীস রিওয়ায়াত করতেন এবং এরূপ বলতেন যে আমার নিকট এরূপ হাদীস পৌঁছেছে। মুহাদ্দিসীনদের পরিভাষায় এরূপ হাদীসকে (بلاغات) বালাগাত বলা হয়ে থাকে। ইমাম মালিক (রা) এর মুআত্তায় এরূপ ভুরি ভুরি হাদীস রয়েছে।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)
বর্ণনাকারী: