কিতাবুস সুনান (আলমুজতাবা) - ইমাম নাসায়ী রহঃ

১১. নামায শুরু করার অধ্যায়

হাদীস নং: ৯৩১
আন্তর্জাতিক নং: ৯৩১
নামায শুরু করার অধ্যায়
মুক্তাদীর ইমামের পেছনে হাঁচি দিয়ে ’আলহামদু লিল্লাহ’ বলা।
৯৩৪। কুতায়বা (রাহঃ) ......... রিফা’আ ইবনে রাফি (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী (ﷺ) এর পেছনে নামায অদায় করেছি। তখন আমি হাঁচি দিলাম এবং বললাম- الْحَمْدُ لِلَّهِ حَمْدًا كَثِيرًا طَيِّبًا مُبَارَكًا فِيهِ مُبَارَكًا عَلَيْهِ كَمَا يُحِبُّ رَبُّنَا وَيَرْضَى রাসূলুল্লাহ (ﷺ) নামায সমাপ্ত করে ফিরে বললেন কে নামাযে কথা বলেছে? তখনি কেউ উত্তর দিল না। তিনি দ্বিতীয়বার বললেন, কে নামাযে কথা বলেছ? তখন রিফাআ ইবনে রাফি ইবনে আফরা বললেন, ইয়া রাসুলাল্লাহ! আমি বলেছি। তিনি বললেন, তুমি কি বলেছ? তিনি বলেলেন, আমি বলেছি-

الْحَمْدُ لِلَّهِ حَمْدًا كَثِيرًا طَيِّبًا مُبَارَكًا فِيهِ مُبَارَكًا عَلَيْهِ كَمَا يُحِبُّ رَبُّنَا وَيَرْضَى

তখন নবী (ﷺ) বললেনঃ যার হাতে আমার প্রাণ তাঁর শপথ! ত্রিশ জনের বেশী ফিরিশতা তা নিয়ে তাড়াহুড়ো করছে, কে তা নিয়ে উপরে উঠবে।
كتاب الافتتاح
أَخْبَرَنَا قُتَيْبَةُ، قَالَ حَدَّثَنَا رِفَاعَةُ بْنُ يَحْيَى بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ رِفَاعَةَ بْنِ رَافِعٍ، عَنْ عَمِّ، أَبِيهِ مُعَاذِ بْنِ رِفَاعَةَ بْنِ رَافِعٍ عَنْ أَبِيهِ، قَالَ صَلَّيْتُ خَلْفَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَعَطَسْتُ فَقُلْتُ الْحَمْدُ لِلَّهِ حَمْدًا كَثِيرًا طَيِّبًا مُبَارَكًا فِيهِ مُبَارَكًا عَلَيْهِ كَمَا يُحِبُّ رَبُّنَا وَيَرْضَى . فَلَمَّا صَلَّى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم انْصَرَفَ فَقَالَ " مَنِ الْمُتَكَلِّمُ فِي الصَّلاَةِ " . فَلَمْ يُكَلِّمْهُ أَحَدٌ ثُمَّ قَالَهَا الثَّانِيَةَ " مَنِ الْمُتَكَلِّمُ فِي الصَّلاَةِ " . فَقَالَ رِفَاعَةُ بْنُ رَافِعِ بْنِ عَفْرَاءَ أَنَا يَا رَسُولَ اللَّهِ . قَالَ " كَيْفَ قُلْتَ " . قَالَ قُلْتُ الْحَمْدُ لِلَّهِ حَمْدًا كَثِيرًا طَيِّبًا مُبَارَكًا فِيهِ مُبَارَكًا عَلَيْهِ كَمَا يُحِبُّ رَبُّنَا وَيَرْضَى . فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم " وَالَّذِي نَفْسِي بِيَدِهِ لَقَدِ ابْتَدَرَهَا بِضْعَةٌ وَثَلاَثُونَ مَلَكًا أَيُّهُمْ يَصْعَدُ بِهَا " .

হাদীসের ব্যাখ্যা:

হাদীসে 'রাব্বানা ওয়া লাকাল হাম্দ হামদান কাসীরান' বাক্যটি উচ্চারণ করার পর তা লেখার জন্য যে ত্রিশজনেরও অধিক ফিরিশতার প্রতিযোগিতার বিষয় উল্লিখিত হয়েছে। তার বিশেষ কারণ সম্ভবত এই ঐ ব্যক্তি যখন তা বলেছিলেন তখন হয়ত তাঁর অন্তরে এক বিশেষ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছিল যার ফলে তিনি আল্লাহর গুণকীর্তন ও বরকতপূর্ণ বাক্য বলে ফেলেছিলেন।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)
tahqiqতাহকীক:তাহকীক চলমান