কিতাবুস সুনান (আলমুজতাবা) - ইমাম নাসায়ী রহঃ
১৩. নামাযে সাহু তথা ভূলের বিধান
হাদীস নং: ১২৯৫
আন্তর্জাতিক নং: ১২৯৫
নামাযে সাহু তথা ভূলের বিধান
নবী (ﷺ) এর উপর দরুদ পাঠের ফযীলত।
১২৯৮। সুওযায়দ ইবনে নসর (রাহঃ) ......... আবু তালহা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) একদিন (আমাদের কাছে) আগমন করলেন। তখন তার চেহারায় প্রফুল্লতা দৃষ্টি গোচর হচ্ছিল। তিনি বললেন, জিবরাঈল (আলাইহিস সালাম) আমার কাছে এসে বলল, ″ইয়া মুহাম্মাদ! আপনাকে কি এই সংবাদ খুশি করে না যে, আপনার উম্মতের মধ্য থেকে যদি কোন ব্যক্তি আপনার উপর একবার দরুদ পাঠ করে আমি তার দশবার মাগফিরাত চাইব, আর কেউ যদি আপনাকে একবার সালাম পাঠায় আমি তার প্রতি দশবার সালাম পাঠাব।″
كتاب السهو
أَخْبَرَنَا سُوَيْدُ بْنُ نَصْرٍ، قَالَ حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ، - يَعْنِي ابْنَ الْمُبَارَكِ - قَالَ أَنْبَأَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ، عَنْ ثَابِتٍ، عَنْ سُلَيْمَانَ، مَوْلَى الْحَسَنِ بْنِ عَلِيٍّ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي طَلْحَةَ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم جَاءَ ذَاتَ يَوْمٍ وَالْبِشْرُ يُرَى فِي وَجْهِهِ فَقَالَ " إِنَّهُ جَاءَنِي جِبْرِيلُ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ أَمَا يُرْضِيكَ يَا مُحَمَّدُ أَنْ لاَ يُصَلِّيَ عَلَيْكَ أَحَدٌ مِنْ أُمَّتِكَ إِلاَّ صَلَّيْتُ عَلَيْهِ عَشْرًا وَلاَ يُسَلِّمَ عَلَيْكَ أَحَدٌ مِنْ أُمَّتِكَ إِلاَّ سَلَّمْتُ عَلَيْهِ عَشْرًا " .
হাদীসের ব্যাখ্যা:
কুরআনে পাকে আল্লাহ পাক বলেন:
وَلَسَوْفَ يُعْطِيْكَ رَبُّكَ فَتَرْضٰى
- "(হে নবী!) আপনার প্রতিপালক অচিরেই আপনাকে এতটুকু দান করবেন যে, আপনি সন্তুষ্ট হয়ে যাবেন।"
এ প্রতিশ্রুতির পূর্ণমাত্রায় বাস্তবায়ন তো হবে কিয়ামতের সময়; কিন্তু এটাও তার একটি কিস্তি যে, আল্লাহ তা'আলা তাঁর সম্মান এতটুকু বৃদ্ধি করেছেন, এবং মাহবুবিয়তের এত উঁচু মকাম তাঁকে দান করেছেন যে, যে বান্দা তাঁর মহব্বত ও সম্মানে খালিস আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে তাঁর প্রতি সালাত ও সালাম প্রেরণ করবে, আল্লাহ তা'আলা তার প্রতি দশটি সালাত ও সালাম প্রেরণের নীতি নিজের জন্যে বেছে নিয়েছেন। স্বয়ং জিবরাইল আমীন মারফত তিনি এ সুসংবাদটি দিয়েছেন এবং প্রিয়ভঙ্গিতে তা দিয়েছেন:
إِنَّ رَبَّكَ يَقُولُ أَمَا يُرْضِيْكَ يَا مُحَمَّدُ
-(আপনার প্রতিপালক বলছেন, আপনি কি এতে সন্তুষ্ট নন হে মুহম্মদ যে....)
আল্লাহ তা'আলা নসীবে রেখে থাকলে, এসব হাদীসের দ্বারা রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর মহবুবিয়তের মকাম সম্পর্কে কিছুটা ধারণা করা যেতে পারে।
وَلَسَوْفَ يُعْطِيْكَ رَبُّكَ فَتَرْضٰى
- "(হে নবী!) আপনার প্রতিপালক অচিরেই আপনাকে এতটুকু দান করবেন যে, আপনি সন্তুষ্ট হয়ে যাবেন।"
এ প্রতিশ্রুতির পূর্ণমাত্রায় বাস্তবায়ন তো হবে কিয়ামতের সময়; কিন্তু এটাও তার একটি কিস্তি যে, আল্লাহ তা'আলা তাঁর সম্মান এতটুকু বৃদ্ধি করেছেন, এবং মাহবুবিয়তের এত উঁচু মকাম তাঁকে দান করেছেন যে, যে বান্দা তাঁর মহব্বত ও সম্মানে খালিস আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে তাঁর প্রতি সালাত ও সালাম প্রেরণ করবে, আল্লাহ তা'আলা তার প্রতি দশটি সালাত ও সালাম প্রেরণের নীতি নিজের জন্যে বেছে নিয়েছেন। স্বয়ং জিবরাইল আমীন মারফত তিনি এ সুসংবাদটি দিয়েছেন এবং প্রিয়ভঙ্গিতে তা দিয়েছেন:
إِنَّ رَبَّكَ يَقُولُ أَمَا يُرْضِيْكَ يَا مُحَمَّدُ
-(আপনার প্রতিপালক বলছেন, আপনি কি এতে সন্তুষ্ট নন হে মুহম্মদ যে....)
আল্লাহ তা'আলা নসীবে রেখে থাকলে, এসব হাদীসের দ্বারা রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর মহবুবিয়তের মকাম সম্পর্কে কিছুটা ধারণা করা যেতে পারে।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)
বর্ণনাকারী: