কিতাবুস সুনান (আলমুজতাবা) - ইমাম নাসায়ী রহঃ
১৯. দু' ঈদের নামাযের বর্ণনা
হাদীস নং: ১৫৮৬
আন্তর্জাতিক নং: ১৫৮৬
দু' ঈদের নামাযের বর্ণনা
ইমামের খুতবা থেকে অবসর হওয়ার পর মহিলাদের নসিহত করা এবং তাদের সাদ্কার জন্য উদ্বুদ্ধ করা
১৫৮৯। আমর ইবনে আলী (রাহঃ) ......... আব্দুর রহমান ইবনে আবিস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি ইবনে আব্বাস (রাযিঃ) থেকে শুনেছি যে, তাকে এক ব্যক্তি বলল, আপনি কি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বের হওয়ার সময় তার সাথে উপস্থিত ছিলেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ; যদি তাঁর কাছে আমার কোন মর্যাদা না থাকত, আমি তার কাছে উপস্থিত থাকতে পারতাম না। অর্থাৎ তার অল্প বয়স্ক হওয়ার দরুন। তিনি কাছীর ইবনে সালত এর বাড়ীর নিকটস্থ চিহ্নিত স্থানে আসলেন এবং নামায আদায় করলেন ও খুতবা দিলেন। অতঃপর মহিলাদের কাছে এসে তাদের ওয়াজ নসীহত করলেন এবং সাদ্কার আদেশ দিলেন। তখন মহিলারা তাদের হস্তসমূহ স্বীয় অলংকারাদির দিকে নিয়ে গেল তারা তা বিলাল (রাযিঃ) এর কাপড়ে ছুড়ে মারতে লাগল।
كتاب صلاة العيدين
باب مَوْعِظَةِ الإِمَامِ النِّسَاءَ بَعْدَ الْفَرَاغِ مِنَ الْخُطْبَةِ وَحَثِّهِنَّ عَلَى الصَّدَقَةِ
أَخْبَرَنَا عَمْرُو بْنُ عَلِيٍّ، قَالَ حَدَّثَنَا يَحْيَى، قَالَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، قَالَ حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عَابِسٍ، قَالَ سَمِعْتُ ابْنَ عَبَّاسٍ، قَالَ لَهُ رَجُلٌ شَهِدْتَ الْخُرُوجَ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ نَعَمْ وَلَوْلاَ مَكَانِي مِنْهُ مَا شَهِدْتُهُ يَعْنِي مِنْ صِغَرِهِ أَتَى الْعَلَمَ الَّذِي عِنْدَ دَارِ كَثِيرِ بْنِ الصَّلْتِ فَصَلَّى ثُمَّ خَطَبَ ثُمَّ أَتَى النِّسَاءَ فَوَعَظَهُنَّ وَذَكَّرَهُنَّ وَأَمَرَهُنَّ أَنْ يَتَصَدَّقْنَ فَجَعَلَتِ الْمَرْأَةُ تُهْوِي بِيَدِهَا إِلَى حَلَقِهَا تُلْقِي فِي ثَوْبِ بِلاَلٍ .
হাদীসের ব্যাখ্যা:
এই হাদীসে ঈদের খুতবায় পুরুষের পাশাপাশি নারীদেরও পৃথকভাবে সম্বোধন করার বিষয় উল্লিখিত হয়েছে। হযরত আবদুল্লাহ্ ইবনে আববাস (রা) থেকে বর্ণিত সহীহ্ মুসলিমের এক হাদীস সূত্রে জানা যায় যে, নবী কারীম ﷺ খেয়াল করেছিলেন যে, নারীরা খুতবা শুনতে পায়নি (তাই তিনি পৃথকভাবে তাদের নসীহত করেন)।
জ্ঞাতব্যঃ রাসূলুল্লাহ ﷺ এর যুগে দুই ঈদের সালাতে সাধারণভাবে মহিলারা অংশ নিত। বরং বলা যায়, এ বিষয়ে তাঁর নির্দেশও ছিল। কিন্তু সময়ের বিবর্তনে এবং মুসলমানদের মধ্যে ফিতনা ফাসাদ দেখা দেওয়ায় ফিকহবিদ বিশেষজ্ঞ আলিমগণ যেমন জুমু'আ ও পাঁচ ওয়াক্তের সালাতে মহিলাদের জামা'আতে অংশগ্রহণ করাকে অসমীচীন মনে করেন, অনুরূপভাবে দুই ঈদের সালাতের ক্ষেত্রেও তাদের ঈদগাহে যাওয়া তারা অসমীচীন মনে করেন।
জ্ঞাতব্যঃ রাসূলুল্লাহ ﷺ এর যুগে দুই ঈদের সালাতে সাধারণভাবে মহিলারা অংশ নিত। বরং বলা যায়, এ বিষয়ে তাঁর নির্দেশও ছিল। কিন্তু সময়ের বিবর্তনে এবং মুসলমানদের মধ্যে ফিতনা ফাসাদ দেখা দেওয়ায় ফিকহবিদ বিশেষজ্ঞ আলিমগণ যেমন জুমু'আ ও পাঁচ ওয়াক্তের সালাতে মহিলাদের জামা'আতে অংশগ্রহণ করাকে অসমীচীন মনে করেন, অনুরূপভাবে দুই ঈদের সালাতের ক্ষেত্রেও তাদের ঈদগাহে যাওয়া তারা অসমীচীন মনে করেন।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)