কিতাবুস সুনান (আলমুজতাবা) - ইমাম নাসায়ী রহঃ

২৭. তালাক - ডিভোর্স অধ্যায়

হাদীস নং: ৩৫৪৫
আন্তর্জাতিক নং: ৩৫৪৫
তালাক - ডিভোর্স অধ্যায়
তালাকপ্রাপ্তা নারীর জন্য ইদ্দতের সময় তার ঘর থেকে বের হওয়ার অনুমতি
৩৫৪৯. আব্দুল হামিদ ইবনে মুহাম্মাদ (রাহঃ) ......... আব্দুর রহমান ইবনে আসিম (রাহঃ) থেকে বর্ণিত যে, ফাতিমা বিনতে কায়স (রাযিঃ) তাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি মাখযুম গোত্রের এক ব্যক্তির স্ত্রী ছিলেন, যিনি তাকে তিন তালাক দেন এবং কোন যুদ্ধে গমন করেন। আর তিনি নিজের উকীলের নিকট বলে যানঃ তুমি তাকে কিছু খরচ দিয়ে দিও। সেই উকীল তাকে কিছু দিল। কিন্তু ফাতিমা (রাযিঃ) তা কম মনে করে ফিরিয়ে দিলেন এবং তিনি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর কোন সহধর্মিণীর নিকট গমন করেন। এমন সময় রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) ঘরে প্রবেশ করেন, তখন ঐ মহিলা ঐ ঘরে ছিলেন। তিনি বললেনঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ্! আমি ফাতিমা বিনতে কায়স! আমাকে অমুক ব্যক্তি তালাক দিয়েছে। আর অমুকের মারফত আমার খরচ পাঠিয়েছে। আমি একে সামান্য মনে করে তা ফিরিয়ে দিয়েছি। সে বলে, এতটুকু দেয়াও আমার ইহসান।

তিনি বললেনঃ সে ব্যক্তি ঠিকই বলেছে। এখন তুমি উম্মে কুলসুমের কাছে গিয়ে তোমার ইদ্দত পূর্ণ করা। এরপর তিনি আবার বললেন, উম্মে কুলসুমের ঘরে লোকের যাতায়াত অধিক হয়। অতএব তুমি এখন আব্দুল্লাহ ইবনে উম্মে মাকতুমের কাছে গিয়ে থাক। কেননা, ঐ ব্যক্তি অন্ধ। ফাতিমা (রাযিঃ) বলেন, আমি আব্দুল্লাহ (রাযিঃ)-এর নিকট চলে গেলাম এবং সেখানে আমার ইদ্দত পূর্ণ করলাম। আমার ইদ্দতের সময় পূর্ণ হলে আবু জাহম এবং মুআবিয়া ইবনে আবু সুফিয়ান বিয়ের প্রস্তাব পাঠালে আমি পুনরায় রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) এর নিকট উপস্থিত হয়ে উক্ত দুই ব্যক্তি সম্বন্ধে পরামর্শ নিলাম। তিনি বললেনঃ আমি তো তোমার জন্য জাহামের লাঠির ভয় করি, আর মুআবিয়া তো গরীব লোক। ফাতিমা (রাযিঃ) বলেন, এ কথা শুনে আমি উসামা ইবনে যায়ীদ (রাযিঃ)-কে বিবাহ করলাম।
كتاب الطلاق
الرُّخْصَةُ فِي خُرُوجِ الْمَبْتُوتَةِ مِنْ بَيْتِهَا فِي عِدَّتِهَا لِسُكْنَاهَا
أَخْبَرَنَا عَبْدُ الْحَمِيدِ بْنُ مُحَمَّدٍ قَالَ حَدَّثَنَا مَخْلَدٌ قَالَ حَدَّثَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ عَنْ عَطَاءٍ قَالَ أَخْبَرَنِي عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عَاصِمٍ أَنَّ فَاطِمَةَ بِنْتَ قَيْسٍ أَخْبَرَتْهُ وَكَانَتْ عِنْدَ رَجُلٍ مِنْ بَنِي مَخْزُومٍ أَنَّهُ طَلَّقَهَا ثَلَاثًا وَخَرَجَ إِلَى بَعْضِ الْمَغَازِي وَأَمَرَ وَكِيلَهُ أَنْ يُعْطِيَهَا بَعْضَ النَّفَقَةِ فَتَقَالَّتْهَا فَانْطَلَقَتْ إِلَى بَعْضِ نِسَاءِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَدَخَلَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَهِيَ عِنْدَهَا فَقَالَتْ يَا رَسُولَ اللَّهِ هَذِهِ فَاطِمَةُ بِنْتُ قَيْسٍ طَلَّقَهَا فُلَانٌ فَأَرْسَلَ إِلَيْهَا بِبَعْضِ النَّفَقَةِ فَرَدَّتْهَا وَزَعَمَ أَنَّهُ شَيْءٌ تَطَوَّلَ بِهِ قَالَ صَدَقَ قَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَانْتَقِلِي إِلَى أُمِّ كُلْثُومٍ فَاعْتَدِّي عِنْدَهَا ثُمَّ قَالَ إِنَّ أُمَّ كُلْثُومٍ امْرَأَةٌ يَكْثُرُ عُوَّادُهَا فَانْتَقِلِي إِلَى عَبْدِ اللَّهِ ابْنِ أُمِّ مَكْتُومٍ فَإِنَّهُ أَعْمَى فَانْتَقَلَتْ إِلَى عَبْدِ اللَّهِ فَاعْتَدَّتْ عِنْدَهُ حَتَّى انْقَضَتْ عِدَّتُهَا ثُمَّ خَطَبَهَا أَبُو الْجَهْمِ وَمُعَاوِيَةُ بْنُ أَبِي سُفْيَانَ فَجَاءَتْ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ تَسْتَأْمِرُهُ فِيهِمَا فَقَالَ أَمَّا أَبُو الْجَهْمِ فَرَجُلٌ أَخَافُ عَلَيْكِ قَسْقَاسَتَهُ لِلْعَصَا وَأَمَّا مُعَاوِيَةُ فَرَجُلٌ أَمْلَقُ مِنْ الْمَالِ فَتَزَوَّجَتْ أُسَامَةَ بْنَ زَيْدٍ بَعْدَ ذَلِكَ
tahqiqতাহকীক:তাহকীক চলমান