কিতাবুস সুনান (আলমুজতাবা) - ইমাম নাসায়ী রহঃ
৪২. শিকার ও জবাইয়ের পশুর বিধান
হাদীস নং: ৪৩৩২
আন্তর্জাতিক নং: ৪৩৩২
শিকার ও জবাইয়ের পশুর বিধান
ঘোড়ার গোশত খাওয়ার অবৈধতা
৪৩৩৩. কাসীর ইবনে উবাইদ (রাহঃ) ......... খালিদ ইবনে ওলীদ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ঘোড়া, খচ্চর, গাধা এবং দাঁতাল হিংস্র জন্তুর গোশত খেতে নিষেধ করেছেন।
كتاب الصيد والذبائح
تَحْرِيمُ أَكْلِ لُحُومِ الْخَيْلِ
أَخْبَرَنَا كَثِيرُ بْنُ عُبَيْدٍ قَالَ حَدَّثَنَا بَقِيَّةُ عَنْ ثَوْرِ بْنِ يَزِيدَ عَنْ صَالِحِ بْنِ يَحْيَى بْنِ الْمِقْدَامِ بْنِ مَعْدِي كَرِبَ عَنْ أَبِيهِ عَنْ جَدِّهِ عَنْ خَالِدِ بْنِ الْوَلِيدِ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نَهَى عَنْ أَكْلِ لُحُومِ الْخَيْلِ وَالْبِغَالِ وَالْحَمِيرِ وَكُلِّ ذِي نَابٍ مِنْ السِّبَاعِ
হাদীসের ব্যাখ্যা:
ঐসকল পশু যেগুলো মুখ ও দাঁত দিয়ে শিকার করে- যেমন সিংহ, চিতা, বাঘ এবং অনুরূপভাবে কুকুর ও বিড়াল, এগুলোর এমন ধারালো দাঁত থাকে যাকে আরবীতে ناب বলা হয়। এগুলোই এসব পশুর আঘাত ও আক্রমণের বিশেষ অস্ত্র। অনুরূপভাবে যেসব পাখী শিকার ধরে, যেমন- বাজ, চিল ইত্যাদি তাদের আক্রমণের হাতিয়ার হচ্ছে- ঐ পাঞ্জা, যা দিয়ে ঝাপটা মেরে শিকারকে নিজের আয়ত্বে নিয়ে আসে।
হাদীসটির মর্ম ও সারবস্তু এই যে, চতুষ্পদ হিংস্রপ্রাণী, যেগুলোর মুখে ধারালো দাঁত থাকে এবং শিকার করে, অনুরূপভাবে শিকারী পাখী, যেগুলো পাঞ্জা দ্বারা ঝাপটা মেরে শিকার করে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এগুলো খেতে নিষেধ করেছেন। অর্থাৎ, এ নির্দেশ দিয়েছেন যে, এগুলো খাওয়া যাবে না। বস্তুত এগুলোও হারাম ও অপবিত্র জিনিসের অন্তর্ভুক্ত।
হাদীসটির মর্ম ও সারবস্তু এই যে, চতুষ্পদ হিংস্রপ্রাণী, যেগুলোর মুখে ধারালো দাঁত থাকে এবং শিকার করে, অনুরূপভাবে শিকারী পাখী, যেগুলো পাঞ্জা দ্বারা ঝাপটা মেরে শিকার করে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এগুলো খেতে নিষেধ করেছেন। অর্থাৎ, এ নির্দেশ দিয়েছেন যে, এগুলো খাওয়া যাবে না। বস্তুত এগুলোও হারাম ও অপবিত্র জিনিসের অন্তর্ভুক্ত।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)
বর্ণনাকারী: