কিতাবুস সুনান- ইমাম ইবনে মাজা রহঃ
৭. রোযা ও ই'তিকাফের অধ্যায়
হাদীস নং: ১৭৫৬
আন্তর্জাতিক নং: ১৭৫৬
রোযা ও ই'তিকাফের অধ্যায়
ঈদুল ফিতরের দিন ঈদগাহে যাওয়ার আগে আহার করা
১৭৫৬। মুহাম্মাদ ইব্ন ইয়াহ্ইয়া (রাহঃ)....বুরায়াছা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ঈদুল ফিতরের দিন আহার না করে বের হতেন না। আর কুরবানীর দিন ঈদগাহ থেকে প্রত্যাবর্তন না করে আহার করতেন না।
أبواب الصيام
بَاب فِي الْأَكْلِ يَوْمَ الْفِطْرِ قَبْلَ أَنْ يَخْرُجَ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى حَدَّثَنَا أَبُو عَاصِمٍ حَدَّثَنَا ثَوَابُ بْنُ عُتْبَةَ الْمَهْرِيُّ عَنْ ابْنِ بُرَيْدَةَ عَنْ أَبِيهِ أَنَّ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ لَا يَخْرُجُ يَوْمَ الْفِطْرِ حَتَّى يَأْكُلَ وَكَانَ لَا يَأْكُلُ يَوْمَ النَّحْرِ حَتَّى يَرْجِعَ
হাদীসের ব্যাখ্যা:
১. এ হাদীস থেকে প্রমাণিত হয় যে, ঈদুল ফিতরের দিন কিছু খেয়ে যাওয়া ছুন্নাত। আর ঈদুল আযহার দিন নামায থেকে ফিরে এসে খাওয়া ছুন্নাত। হযরত আনাস রা. থেকে সহীহ সনদে বর্ণিত আছে যে, রসূল স. ঈদুল ফিতরের দিনে বেজোড় সংখ্যায় খেয়ে ঈদগাহের দিকে রওনা হতেন। (বুখারী-৯০৫) এটাই হানাফী মাযহাবের মত। (শামী: ২/১৬৮)
২. সহীহ বুখারীতে হযরত আনাস (রা) সূত্রে বর্ণিত আছে যে, নবী কারীম ﷺ ঈদুল ফিতরের দিন ঈদগাহে যাবার পূর্বে কয়েকটি খেজুর খেয়ে নিতেন এবং বেজোড় সংখ্যায় খেতেন। ঈদুল আযহার দিন সালাতের পরে আহারের কথা আসার কারণ হল, যেন ঐদিন প্রথম খাবার কুরবানীর গোস্ত দ্বারা হয়, যা আল্লাহর পক্ষ থেকে এক ধরনের আপ্যায়ন। আর ঈদুল ফিতরের দিন সালাত আদায়ের পূর্বে কিছু আহার করে নেয়ার কারণ এই হয়ে থাকবে যে, আল্লাহর নির্দেশে বান্দা গোটা রমাযান মাসের দিনসমূহে খানা বন্ধ রেখেছিল। আজ যেহেতু খানা গ্রহণের অনুমতি পাওয়া গেছে এবং এতেই আল্লাহর সন্তুষ্টি রয়েছে বলে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, তাই আল্লাহর মুখাপেক্ষী বান্দা প্রভু প্রদত্ত আপ্যায়নের স্বাদ দিনের প্রথমভাগেই গ্রহণ করে। কারণ এটাই বান্দার প্রকৃত অবস্থান
گر طمع خواهد زمن سلطان دیں + خاك بر فرق قناعت بعد ازیں
ভোগের হুকুম দিলে প্রভু, ত্যাগে আমি দেই ছুটি।
২. সহীহ বুখারীতে হযরত আনাস (রা) সূত্রে বর্ণিত আছে যে, নবী কারীম ﷺ ঈদুল ফিতরের দিন ঈদগাহে যাবার পূর্বে কয়েকটি খেজুর খেয়ে নিতেন এবং বেজোড় সংখ্যায় খেতেন। ঈদুল আযহার দিন সালাতের পরে আহারের কথা আসার কারণ হল, যেন ঐদিন প্রথম খাবার কুরবানীর গোস্ত দ্বারা হয়, যা আল্লাহর পক্ষ থেকে এক ধরনের আপ্যায়ন। আর ঈদুল ফিতরের দিন সালাত আদায়ের পূর্বে কিছু আহার করে নেয়ার কারণ এই হয়ে থাকবে যে, আল্লাহর নির্দেশে বান্দা গোটা রমাযান মাসের দিনসমূহে খানা বন্ধ রেখেছিল। আজ যেহেতু খানা গ্রহণের অনুমতি পাওয়া গেছে এবং এতেই আল্লাহর সন্তুষ্টি রয়েছে বলে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, তাই আল্লাহর মুখাপেক্ষী বান্দা প্রভু প্রদত্ত আপ্যায়নের স্বাদ দিনের প্রথমভাগেই গ্রহণ করে। কারণ এটাই বান্দার প্রকৃত অবস্থান
گر طمع خواهد زمن سلطان دیں + خاك بر فرق قناعت بعد ازیں
ভোগের হুকুম দিলে প্রভু, ত্যাগে আমি দেই ছুটি।
২. ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)
বর্ণনাকারী: