কিতাবুস সুনান- ইমাম ইবনে মাজা রহঃ
৯. বিবাহ-শাদী সম্পর্কিত অধ্যায়
হাদীস নং: ১৯৫২
আন্তর্জাতিক নং: ১৯৫২
বিবাহ-শাদী সম্পর্কিত অধ্যায়
চার জনের অধিক স্ত্রী থাকাবস্থায় ইসলাম কবুল করলে
১৯৫২। আহমদ ইবন ইবরাহীম দাওরকী (রাহঃ) ….. কায়স ইবন হারিছ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমি যখন ইসলাম গ্রহণ করি, তখন আমার আটজন স্ত্রী ছিল। আমি নবী (ﷺ) এর কাছে এসে বিষয়টি তাঁকে বললাম। তখন তিনি বললেনঃ তাদের মধ্য থেকে তুমি চার জনকে পছন্দ করে রেখে দাও।
أبواب النكاح
بَاب الرَّجُلِ يُسْلِمُ وَعِنْدَهُ أَكْثَرُ مِنْ أَرْبَعِ نِسْوَةٍ
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ الدَّوْرَقِيُّ حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ عَنْ ابْنِ أَبِي لَيْلَى عَنْ حُمَيْضَةَ بِنْتِ الشَّمَرْدَلِ عَنْ قَيْسِ بْنِ الْحَارِثِ قَالَ أَسْلَمْتُ وَعِنْدِي ثَمَانِ نِسْوَةٍ فَأَتَيْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم فَقُلْتُ ذَلِكَ لَهُ فَقَالَ اخْتَرْ مِنْهُنَّ أَرْبَعًا
হাদীসের ব্যাখ্যা:
যে ব্যক্তি মানুষের প্রকৃতি ও মানুষের বিভিন্ন শ্রেণীর অবস্থাদি সম্পর্কে অবগত, সে নিশ্চিতভাবে জেনে থাকবে যে, অনেক লোক স্বীয় স্বভাব ও রুচি অনুযায়ী, আর অনেকে নিজেদের স্ত্রীর বিশেষ অবস্থার কারণে এরূপ অবস্থায় অবস্থান করে যে, যদি তাদের একের অধিক স্ত্রী গ্রহণের অনুমতি না থাকে তবে একথার বিরাট আশংকা রয়েছে যে, তারা অবৈধ কাজে জড়িত হবে। এ জন্য আল্লাহ প্রদত্ত শরীয়তে, যেখানে ব্যভিচারকে শক্ত হারাম নির্ধারণ করা হয়েছে সেখানে বহু বিবাহের অনুমতি রয়েছে।
রাসূলুল্লাহ ﷺ কর্তৃক আনীত শরীয়তে বিশেষ করে বিবাহিত লোকের জন্য ব্যভিচার এরূপ শক্ত গোনাহ যে, এর শাস্তি প্রস্তরাঘাতে মৃত্যুদণ্ড। এরূপ শরীয়তে যদি কোন অবস্থায়ই বহু বিবাহের অনুমতি না থাকে তবে মানুষের প্রতি আইনের অনেক বাড়াবাড়ি হবে। যে সব পাশ্চাত্য দেশ ও জাতির আইনে বহু বিবাহের মোটেই সুযোগ নেই সেখানে ব্যভিচারের আইনগত বৈধতা রয়েছে। আর কার্যতও যেখানে ব্যভিচারের যে ছড়াছড়ি তা কোন গোপন বিষয় নয়।
ইসলামী শরীয়ত ব্যভিচারকে নির্মূল করার জন্য একদিকে এজন্য কঠিনতম শাস্তি নির্ধারণ করেছে অপর দিকে সঙ্গত শর্তাদির সাথে চার স্ত্রী পর্যন্ত গ্রহণের অনুমতি প্রদান করেছে। এ ছাড়াও বহু দিক ও কারণ রয়েছে যে সবের দাবিও তাই। তবে এটা বিস্তারিত ব্যাখ্যার স্থান নয়।
রাসুলুল্লাহ ﷺ-কে নবুওত প্রদানের সময় দুনিয়ার অন্যান্য বহু জাতির ন্যায় আরবদের মধ্যেও স্ত্রীদের সংখ্যার কোন সীমাবদ্ধ আইন ছিল না। কেউ কেউ দশ দশটি বা এরও অধিক স্ত্রী রাখত। ইসলামী শরীয়তে লোকদের বিভিন্ন অবস্থার প্রতি লক্ষ্য রেখে এর শেষ সীমা চার নির্ধারণ করেছে।
রাসূলুল্লাহ ﷺ কর্তৃক আনীত শরীয়তে বিশেষ করে বিবাহিত লোকের জন্য ব্যভিচার এরূপ শক্ত গোনাহ যে, এর শাস্তি প্রস্তরাঘাতে মৃত্যুদণ্ড। এরূপ শরীয়তে যদি কোন অবস্থায়ই বহু বিবাহের অনুমতি না থাকে তবে মানুষের প্রতি আইনের অনেক বাড়াবাড়ি হবে। যে সব পাশ্চাত্য দেশ ও জাতির আইনে বহু বিবাহের মোটেই সুযোগ নেই সেখানে ব্যভিচারের আইনগত বৈধতা রয়েছে। আর কার্যতও যেখানে ব্যভিচারের যে ছড়াছড়ি তা কোন গোপন বিষয় নয়।
ইসলামী শরীয়ত ব্যভিচারকে নির্মূল করার জন্য একদিকে এজন্য কঠিনতম শাস্তি নির্ধারণ করেছে অপর দিকে সঙ্গত শর্তাদির সাথে চার স্ত্রী পর্যন্ত গ্রহণের অনুমতি প্রদান করেছে। এ ছাড়াও বহু দিক ও কারণ রয়েছে যে সবের দাবিও তাই। তবে এটা বিস্তারিত ব্যাখ্যার স্থান নয়।
রাসুলুল্লাহ ﷺ-কে নবুওত প্রদানের সময় দুনিয়ার অন্যান্য বহু জাতির ন্যায় আরবদের মধ্যেও স্ত্রীদের সংখ্যার কোন সীমাবদ্ধ আইন ছিল না। কেউ কেউ দশ দশটি বা এরও অধিক স্ত্রী রাখত। ইসলামী শরীয়তে লোকদের বিভিন্ন অবস্থার প্রতি লক্ষ্য রেখে এর শেষ সীমা চার নির্ধারণ করেছে।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)
বর্ণনাকারী: