কিতাবুস সুনান- ইমাম ইবনে মাজা রহঃ
২৫. জবাইয়ের বিধান
হাদীস নং: ৩১৮৯
আন্তর্জাতিক নং: ৩১৮৯
জবাইয়ের বিধান
বিষ্ঠা খাওয়ায় অভ্যস্ত পশু-পাখী খাওয়া নিষেধ
৩১৮৯। সুওয়াইদ ইবন সাঈদ (রাহঃ).....ইবন উমর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বিষ্ঠা ভক্ষণ অভ্যস্ত পশুর গোশত খেতে ও তার দুধ পান করতে নিষেধ করেছেন।
كتاب الذبائح
بَاب النَّهْيِ عَنْ لُحُومِ الْجَلَّالَةِ
حَدَّثَنَا سُوَيْدُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي زَائِدَةَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ، عَنِ ابْنِ أَبِي نَجِيحٍ، عَنْ مُجَاهِدٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ نَهَى رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ عَنْ لُحُومِ الْجَلاَّلَةِ وَأَلْبَانِهَا .
হাদীসের ব্যাখ্যা:
কখনো কখনো কোন কোন পশু উট, গরু, বকরী ইত্যাদির স্বভাব এমন নষ্ট হয়ে যায় যে, এগুলো কেবল নাপাক ও অপবিত্র বস্তুই খায়। এমনকি এগুলোর গোশত ও দুধে এর দুর্গন্ধ অনুভূত হতে থাকে। এমন পশুকেই جلاله নাপাকভোজী বলা হয়। এ হাদীসে এমন পশুর গোশত ও দুধ খেতে নিষেধ করা হয়েছে। কোন মুরগীর অবস্থা যদি এমন হয়, তাহলে এর বিধানও তাই। হ্যাঁ, যদি এ পশুকে এতদিন পর্যন্ত বেঁধে রেখে ও নিয়ন্ত্রণে রেখে অপবিত্র বস্তু খাওয়া থেকে ফিরিয়ে রাখা হয় যে, তার গোশত ও দুধে এর কোন প্রভাব অবশিষ্ট থাকে না, তাহলে এর গোশত খাওয়া ও দুধ পান করা জায়েয হবে। এখন আর এটাকে جلاله এর গোশত ও দুধ বলা হবে না।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)