কিতাবুস সুনান- ইমাম ইবনে মাজা রহঃ
৩২. দুআর অধ্যায়
হাদীস নং: ৩৮৩৬
আন্তর্জাতিক নং: ৩৮৩৬
দুআর অধ্যায়
রাসূলুল্লাহ -এর দু'আ
৩৮৩৬। আলী ইবন মুহাম্মাদ (রাহঃ)...... আবু উমামা আল-বাহেলী (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ(ﷺ) লাঠিতে ভর দিয়ে আমাদের নিকট বেরিয়ে আসলেন। আমরা তাঁকে দেখে দাঁড়িয়ে গেলাম তখন তিনি বললেন পারস্যবাসীরা তাদের নেতাদের সাথে যেরূপ করে, তোমরা আমার সংগে সেরূপ করো না। আমরা বললাম: ইয়া রাসূলাল্লাহ! আপনি যদি আমাদের জন্য আল্লাহর নিকট একটু দু'আ করতেন! তিনি বললেন :اللَّهُمَّ اغْفِرْ لَنَا وَارْحَمْنَا وَارْضَ عَنَّا وَتَقَبَّلْ مِنَّا وَأَدْخِلْنَا الْجَنَّةَ وَنَجِّنَا مِنَ النَّارِ وَأَصْلِحْ لَنَا شَأْنَنَا كُلَّهُ হে আল্লাহ! আমাদের ক্ষমা করুন, আমাদের প্রতি রহম করুন এবং আমাদের প্রতি সন্তুষ্ট থাকুন।আমাদের কবূল করুন। এবং আমাদেরকে জান্নাতে দাখিল করুন এবং জাহান্নাম থেকে নাজাত দিন এবং আমাদের যাবতীয় বিষয় সংশোধন করে দিন"।
রাবী (আবু উমামা) বলেন : আমরা তো আরো অধিক আশা করছিলাম, তখন তিনি বললেন : আমি কি তোমদের সকল প্রয়োজন একত্র করে ছিলাম না ?
রাবী (আবু উমামা) বলেন : আমরা তো আরো অধিক আশা করছিলাম, তখন তিনি বললেন : আমি কি তোমদের সকল প্রয়োজন একত্র করে ছিলাম না ?
كتاب الدعاء
بَاب دُعَاءِ رَسُولِ اللهِ ﷺ
حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، عَنْ مِسْعَرٍ، عَنْ أَبِي مَرْزُوقٍ، عَنْ أَبِي الْعَدَبَّسِ، عَنْ أَبِي أُمَامَةَ الْبَاهِلِيِّ، قَالَ خَرَجَ عَلَيْنَا رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ وَهُوَ مُتَّكِئٌ عَلَى عَصًا فَلَمَّا رَأَيْنَاهُ قُمْنَا فَقَالَ " لاَ تَفْعَلُوا كَمَا يَفْعَلُ أَهْلُ فَارِسَ بِعُظَمَائِهَا " . قُلْنَا يَا رَسُولَ اللَّهِ لَوْ دَعَوْتَ اللَّهَ لَنَا . قَالَ " اللَّهُمَّ اغْفِرْ لَنَا وَارْحَمْنَا وَارْضَ عَنَّا وَتَقَبَّلْ مِنَّا وَأَدْخِلْنَا الْجَنَّةَ وَنَجِّنَا مِنَ النَّارِ وَأَصْلِحْ لَنَا شَأْنَنَا كُلَّهُ " . قَالَ فَكَأَنَّمَا أَحْبَبْنَا أَنْ يَزِيدَنَا فَقَالَ " أَوَلَيْسَ قَدْ جَمَعْتُ لَكُمُ الأَمْرَ " .
হাদীসের ব্যাখ্যা:
এ দু'আতে আল্লাহ তা'আলার নিকট মাগফিরাত বা ক্ষমা প্রার্থনা করা হয়েছে। রহমত প্রার্থনা করা হয়েছে। আল্লাহর সন্তুষ্টি ও কবুলিয়তের দু'আ করা হয়েছে। জান্নাতে প্রবেশ এবং জাহান্নাম থেকে মুক্তির দু'আ করা হয়েছে। সর্বশেষে সকল ব্যাপারের তথা সকল মুয়ামেলা এবং সকল অবস্থা দুরস্ত করার প্রার্থনা জানান হয়েছে।
বলা বাহুল্য, এর পর মানুষের আর কোন প্রয়োজনই অবশিষ্ট থাকে না। এর পর আর যা কিছুই বলা হবে তা হবে এরই ব্যাখ্যা স্বরূপ। এজন্যেই রাসূলুল্লাহ ﷺ أَوْ لَيْسَ قَدْ جَمَعْنَا الْخَيْرَ كُلَّه ؟ :
-"আমি কি এতে সকল কল্যাণকর ব্যাপারই শামিল করে নেইনি, যা একজন মানুষের দুনিয়া ও আখিরাতে অভীষ্ট মকসুদ হতে পারে?"
বলা বাহুল্য, এর পর মানুষের আর কোন প্রয়োজনই অবশিষ্ট থাকে না। এর পর আর যা কিছুই বলা হবে তা হবে এরই ব্যাখ্যা স্বরূপ। এজন্যেই রাসূলুল্লাহ ﷺ أَوْ لَيْسَ قَدْ جَمَعْنَا الْخَيْرَ كُلَّه ؟ :
-"আমি কি এতে সকল কল্যাণকর ব্যাপারই শামিল করে নেইনি, যা একজন মানুষের দুনিয়া ও আখিরাতে অভীষ্ট মকসুদ হতে পারে?"
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)
বর্ণনাকারী: