কিতাবুস সুনান- ইমাম ইবনে মাজা রহঃ
৩৪. ফিতনাসমূহ ও কিয়ামতপূর্ব আলামতের বর্ণনা
হাদীস নং: ৪০৫২
আন্তর্জাতিক নং: ৪০৫২
ফিতনাসমূহ ও কিয়ামতপূর্ব আলামতের বর্ণনা
কুরআন ও ইলম উঠে যাওয়া
৪০৫২। আবু বাকর (রাহঃ)...... আবু হুরায়রা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি মারফু সনদে বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ যামানা সংক্ষিপ্ত হয়ে যাবে (বিলাস ব্যসনের দরুণ)। 'ইলম' হ্রাস পাবে এবং কৃপণতা বিস্তৃত হবে, ফিতনা প্রকাশ পাবে, এবং হারজ বৃদ্ধি পাবে। তারা বললেনঃ হে আল্লাহর রাসূল! 'হারজ' কি? তিনি বললেনঃ কতল বা হত্যা।
كتاب الفتن
بَاب ذَهَابِ الْقُرْآنِ وَالْعِلْمِ
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الأَعْلَى، عَنْ مَعْمَرٍ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، يَرْفَعُهُ قَالَ " يَتَقَارَبُ الزَّمَانُ وَيَنْقُصُ الْعِلْمُ وَيُلْقَى الشُّحُّ وَتَظْهَرُ الْفِتَنُ وَيَكْثُرُ الْهَرْجُ " . قَالُوا يَا رَسُولَ اللَّهِ وَمَا الْهَرْجُ قَالَ " الْقَتْلُ " .
হাদীসের ব্যাখ্যা:
আলোচ্য হাদীসে রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উম্মতে জন্ম লাভকারী কতিপয় ফিতনা সম্বন্ধে সর্তক করেছেন। এ ধারাবাহিকতায় সর্ব প্রথম তিনি এ শব্দাবলি প্রয়োগে বলেছেন يتقارب الزمان ভাষ্যকারগণ এর বিভিন্ন অর্থ বর্ণনা করেছেন। এই অধমের নিকট সে গুলোর মধ্যে উপলব্দির নিকটতর হচ্ছে, সময়ের মধ্যে বরকত থাকবে না। সময় দ্রুত চলে যাবে। যে কাজ এক দিনে হওয়ার ছিল তা কয়েক দিনে হবে। লিখকের এটা ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা আছে। (আল্লাহই ভাল জানেন)
দ্বিতীয় কথা তিনি বলেছেন, ইলম উঠিয়ে নেওয়া হবে, অর্থাৎ ইলম যা নবুওতের ত্যাজ্যবিত্ত, তা উঠিয়ে নেওয়া হবে। অন্য এক হাদীসে এর বিশ্লেষণ এই ভাবে করা হয়েছে, উলামায়ের রব্বানী (যারা এই ইলমের উত্তরাধিকারী ও বিশ্বস্ত ব্যক্তিবর্গ) উঠিয়ে নেওয়া হবে। (চাই লাইব্রেরী বাকি থাকুক ও ব্যবসায়ী আলিম দ্বারা আমাদের মহল্লা পরিপূর্ণ থাকুক) প্রকৃতপক্ষে ইলম যা নবুওতের ত্যাজ্যবিত্ত এবং হিদায়াত ও নূর, তা তা-ই যার বহনকারী এবং বিশ্বস্ত হচ্ছেন উলামায়ে রব্বানী।
যখন তা বাকি থাকবে না এবং উঠিয়ে নেওয়া হবে, তখন সেই ইলম-এর নূরও তাঁদের সাথে উঠে যাবে।
তৃতীয় কথা তিনি বলেছেন, আর বিভিন্ন প্রকার ফিতনাসমূহ প্রকাশ পাবে। এ কথা কোন ব্যাখ্যা বিশ্লেষণের প্রয়োজন রাখে না।
চতুর্থ কথা তিনি এ শব্দাবলিতে বলেছেন وَيُلقى الشح অর্থাৎ বদান্যতা দানশীলতা ও ত্যাগ স্বীকার করার মত যে উত্তম গুণাবলি লোকজনের নিকট হতে বের হয়ে যাবে, সে গুলোর পরিবর্তে তাদের স্বভাবে অশুভ কৃপণতা ঢেলে দেওয়া হবে।
শেষ কথা তিনি বলেছেন, খুনের আধিক্য হবে। যা জাগতিক হিসাবেও ব্যক্তি এবং উম্মতের জন্য ধ্বংসকারী, আখিরাতের হিসাবেও বিরাট গুনাহ্। আল্লাহ্ এসব ফিতনা থেকে হিফাযত করুন।
দ্বিতীয় কথা তিনি বলেছেন, ইলম উঠিয়ে নেওয়া হবে, অর্থাৎ ইলম যা নবুওতের ত্যাজ্যবিত্ত, তা উঠিয়ে নেওয়া হবে। অন্য এক হাদীসে এর বিশ্লেষণ এই ভাবে করা হয়েছে, উলামায়ের রব্বানী (যারা এই ইলমের উত্তরাধিকারী ও বিশ্বস্ত ব্যক্তিবর্গ) উঠিয়ে নেওয়া হবে। (চাই লাইব্রেরী বাকি থাকুক ও ব্যবসায়ী আলিম দ্বারা আমাদের মহল্লা পরিপূর্ণ থাকুক) প্রকৃতপক্ষে ইলম যা নবুওতের ত্যাজ্যবিত্ত এবং হিদায়াত ও নূর, তা তা-ই যার বহনকারী এবং বিশ্বস্ত হচ্ছেন উলামায়ে রব্বানী।
যখন তা বাকি থাকবে না এবং উঠিয়ে নেওয়া হবে, তখন সেই ইলম-এর নূরও তাঁদের সাথে উঠে যাবে।
তৃতীয় কথা তিনি বলেছেন, আর বিভিন্ন প্রকার ফিতনাসমূহ প্রকাশ পাবে। এ কথা কোন ব্যাখ্যা বিশ্লেষণের প্রয়োজন রাখে না।
চতুর্থ কথা তিনি এ শব্দাবলিতে বলেছেন وَيُلقى الشح অর্থাৎ বদান্যতা দানশীলতা ও ত্যাগ স্বীকার করার মত যে উত্তম গুণাবলি লোকজনের নিকট হতে বের হয়ে যাবে, সে গুলোর পরিবর্তে তাদের স্বভাবে অশুভ কৃপণতা ঢেলে দেওয়া হবে।
শেষ কথা তিনি বলেছেন, খুনের আধিক্য হবে। যা জাগতিক হিসাবেও ব্যক্তি এবং উম্মতের জন্য ধ্বংসকারী, আখিরাতের হিসাবেও বিরাট গুনাহ্। আল্লাহ্ এসব ফিতনা থেকে হিফাযত করুন।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)