আল জামিউল কাবীর- ইমাম তিরমিযী রহঃ

১৯. রাসূলুল্লাহ ﷺ থেকে বর্ণিত কুরবানীর অধ্যায়

হাদীস নং: ১৫১১
আন্তর্জাতিক নং: ১৫১১
রাসূলুল্লাহ ﷺ থেকে বর্ণিত কুরবানীর অধ্যায়
তিন দিনের পরও কুরবানীর গোশত আহার করার অনুমতি
১৫১৭। কুতায়বা (রাহঃ) ......... আবিস ইবনে রাবীআ (রাহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি উম্মূল মু‘মিনীন (আয়িশা)-কে বললাম, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কি কুরবানীর গোশত খেতে নিষেধ করেছেন? তিনি বললেন, না, তবে কম সংখ্যক লোকই কুরবানী করার সামর্থ রাখতেন। তাই তিনি পছন্দ করতেন তারা যেন যারা কুরবানী দিতে পারে নি তাদের খাওয়ায়, (পরবর্তীতে) আমরা তো কুরবানীর পশুর ঠ্যাং রেখে দিতাম এবং দশ দিন পরেও তা খেতাম।



এ হাদীস হাসান-সহীহ। এখানে উম্মূল মু‘মেনীন বলতে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর সহধর্মিণী আয়িশা (রাযিঃ)-কে বুঝানো হয়েছে। তাঁর থেকে এ হাদীসটি একাধিক সূত্রে বর্ণিত আছে।
أبواب الأضاحي عن رسول الله صلى الله عليه وسلم
باب مَا جَاءَ فِي الرُّخْصَةِ فِي أَكْلِهَا بَعْدَ ثَلاَثٍ
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، حَدَّثَنَا أَبُو الأَحْوَصِ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنْ عَابِسِ بْنِ رَبِيعَةَ، قَالَ قُلْتُ لأُمِّ الْمُؤْمِنِينَ أَكَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَنْهَى عَنْ لُحُومِ الأَضَاحِي قَالَتْ لاَ وَلَكِنْ قَلَّ مَنْ كَانَ يُضَحِّي مِنَ النَّاسِ فَأَحَبَّ أَنْ يُطْعَمَ مَنْ لَمْ يَكُنْ يُضَحِّي وَلَقَدْ كُنَّا نَرْفَعُ الْكُرَاعَ فَنَأْكُلُهُ بَعْدَ عَشَرَةِ أَيَّامٍ . قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ . وَأُمُّ الْمُؤْمِنِينَ هِيَ عَائِشَةُ زَوْجُ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَقَدْ رُوِيَ عَنْهَا هَذَا الْحَدِيثُ مِنْ غَيْرِ وَجْهٍ .