আল জামিউল কাবীর- ইমাম তিরমিযী রহঃ
২৫. খাদ্য ও পানাহার সংক্রান্ত অধ্যায়
হাদীস নং: ১৮৫৫
আন্তর্জাতিক নং: ১৮৫৫
খাদ্য ও পানাহার সংক্রান্ত অধ্যায়
খাদ্য খাওয়ানোর ফযীলত।
১৮৬১। হান্নাদ (রাহঃ) ......... আব্দুল্লাহ ইবনে আমর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, রহমানের ইবাদত কর, অন্যদের খানা খাওয়াও, সালামের প্রসার ঘটাও ফলে শান্তির সাথে জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে।এই হাদীসটি হাসান -সহীহ।
ইবনে মাজাহ ৩৬৯৪
ইবনে মাজাহ ৩৬৯৪
أبواب الأطعمة عن رسول الله صلى الله عليه وسلم
باب مَا جَاءَ فِي فَضْلِ إِطْعَامِ الطَّعَامِ
حَدَّثَنَا هَنَّادٌ، حَدَّثَنَا أَبُو الأَحْوَصِ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ السَّائِبِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " اعْبُدُوا الرَّحْمَنَ وَأَطْعِمُوا الطَّعَامَ وَأَفْشُوا السَّلاَمَ تَدْخُلُوا الْجَنَّةَ بِسَلاَمٍ " . قَالَ هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ .
হাদীসের ব্যাখ্যা:
এ হাদীসে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তিনটি বিষয়ের দিকনির্দেশনা দিয়েছেন এবং এগুলোর উপর আমলকারীদেরকে জান্নাতের সুসংবাদ প্রদান করেছেন। (১) দয়াময় আল্লাহর ইবাদত, (অর্থাৎ, বান্দার উপর আল্লাহর যে বিশেষ হক ও অধিকার রয়েছে এবং যা প্রকৃতপক্ষে মানবসৃষ্টির উদ্দেশ্য যে, তাঁর এবং কেবল তাঁরই ইবাদত করা হবে- এ হুকুমটি যেন পালন করা হয়।) (২) খাবার খাওয়ানো, অর্থাৎ, আল্লাহর অভাবী ও মিসকীন বান্দাদেরকে সদাকা ও দান হিসাবে এবং বন্ধু-বান্ধব ও আল্লাহর নেক বান্দাদেরকে আন্তরিকতা ও ভালোবাসার নিদর্শন স্বরূপ হাদিয়া হিসাবে খাবার খাওয়াবে- (যা অন্তরের বন্ধন ও পারস্পরিক ভালোবাসার উত্তম মাধ্যম এবং কৃপণতার মত ধ্বংসকর ব্যাধির চিকিৎসাও বটে।) (৩) السَّلَامُ عَلَيْكُمْ ও وعَيْكُمُ السَّلام যা ইসলামের বিশেষ প্রতীক এবং আল্লাহ তা'আলার শিখানো দু‘আবাক্য, এটার যেন ব্যাপক প্রচলন দেওয়া হয়। এর এমন প্রসার ঘটানো চাই যে, ইসলামী দুনিয়ার পরিবেশ যেন এর সুর লহরীতে সজীব থাকে। এ তিনটি নেক কাজের উপর রাসূলুল্লাহ (ﷺ) সুসংবাদ শুনিয়েছেন যে تدخلوا الجنة بسلام তোমরা পূর্ণ নিরাপত্তা ও শান্তির সাথে জান্নাতে পৌঁছে যাবে।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)