আল জামিউল কাবীর- ইমাম তিরমিযী রহঃ
৪৬. কুরআনের তাফসীর অধ্যায়
হাদীস নং: ৩০১৩
আন্তর্জাতিক নং: ৩০১৩
কুরআনের তাফসীর অধ্যায়
সূরা আল-ই-ইমরান
৩০১৩. আব্দ ইবনে হুমায়দ (রাহঃ) .... আবু হুরায়রা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) বলেছেনঃ জান্নাতের একটি বেত রাখার মত জায়গা দুনিয়া ও এর মধ্যে যা আছে সবকিছু থেকে উত্তম। ইচ্ছা করলে তোমরা পাঠ করতে পারঃ
فَمَنْ زُحْزِحَ عَنِ النَّارِ وَأُدْخِلَ الْجَنَّةَ فَقَدْ فَازَ وَمَا الْحَيَاةُ الدُّنْيَا إِلاَّ مَتَاعُ الْغُرُورِ
যাকে জাহান্নাম থেকে দূরে রাখা হবে এবং জান্নাতে দাখিল করা হবে সেই তো সফলকাম। আর দুনিয়ার জীবন তো ছলনাময় ভোগ ব্যতীত কিছুই নয়। (৩ঃ১৮৫)বুখারি
(আবু ঈসা বলেন) হাদীসটি হাসান-সহীহ।
فَمَنْ زُحْزِحَ عَنِ النَّارِ وَأُدْخِلَ الْجَنَّةَ فَقَدْ فَازَ وَمَا الْحَيَاةُ الدُّنْيَا إِلاَّ مَتَاعُ الْغُرُورِ
যাকে জাহান্নাম থেকে দূরে রাখা হবে এবং জান্নাতে দাখিল করা হবে সেই তো সফলকাম। আর দুনিয়ার জীবন তো ছলনাময় ভোগ ব্যতীত কিছুই নয়। (৩ঃ১৮৫)বুখারি
(আবু ঈসা বলেন) হাদীসটি হাসান-সহীহ।
أبواب تفسير القرآن عن رسول الله صلى الله عليه وسلم
بَابٌ: وَمِنْ سُورَةِ آلِ عِمْرَانَ
حَدَّثَنَا عَبْدُ بْنُ حُمَيْدٍ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، وَسَعِيدُ بْنُ عَامِرٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرٍو، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " إِنَّ مَوْضِعَ سَوْطٍ فِي الْجَنَّةِ لَخَيْرٌ مِنَ الدُّنْيَا وَمَا فِيهَا اقْرَءُوا إِنْ شِئْتُمْ : (فَمَنْ زُحْزِحَ عَنِ النَّارِ وَأُدْخِلَ الْجَنَّةَ فَقَدْ فَازَ وَمَا الْحَيَاةُ الدُّنْيَا إِلاَّ مَتَاعُ الْغُرُورِ ) " . قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ .
হাদীসের ব্যাখ্যা:
প্রাচীনকালে আরব ব্যবসায়ীগণ ও পর্যটকগণ রাস্তার মধ্যে বিশ্রামের স্থানে নিজেদের চাবুক ফেলে নিজের জন্য স্থান নির্ধারণ করতো। যে স্থানে চাবুক নিক্ষেপ করা হত সে স্থান চাবুক নিক্ষেপকারীর বা চাবুকের মালিকের গণ্য হত; অন্যান্য সাথী তা দখল করার চেষ্টা করত না। হাদীসে 'চাবুকের স্থানে'র দ্বারা এমন ক্ষুদ্রতম স্থানকে বুঝান হয়েছে যা মুসাফির ব্যক্তির খিমা বা বিছানার জন্য প্রয়োজন হয়ে থাকে। আল্লাহর রাসূল এ ধরনের উদাহরণের দ্বারা একথা বুঝাতে চেয়েছেন যে, জান্নাতের মধ্যে কোন ব্যক্তি যদি চাবুক রাখার স্থানও হাসিল করে তা দুনিয়া ও তার যাবতীয় বস্তু থেকে উত্তম মনে হবে। বেহেশতের সামান্যতম স্থানও যদি দুনিয়া ও তার যাবতীয় বস্তু থেকে উত্তম হয় তাহলে জান্নাতের বিরাট বালাখানা ও বাগিচা যে কেমন অতুলনীয় হবে তা সহজে অনুমেয়।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)