আল জামিউল কাবীর- ইমাম তিরমিযী রহঃ

৪৭. নবীজী ﷺ থেকে বর্ণিত যাবতীয় দোয়া-জিকির

হাদীস নং: ৩৪৩২
আন্তর্জাতিক নং: ৩৪৩২
নবীজী ﷺ থেকে বর্ণিত যাবতীয় দোয়া-জিকির
কাউকে বিপদগ্রস্থ দেখলে কি পড়বে?
৩৪৩২. আবু জ’ফার সিমনানি প্রমুখ (রাহঃ) ...... আবু হুরায়রা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ কোন বিপদগ্রস্তকে দেখে কেউ যদি এ দুআটি পাঠ করে তবে তাকে এ বিপদে স্পর্শ করবে না। দুআটি হলঃ

(الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي عَافَانِي مِمَّا ابْتَلاَكَ بِهِ وَفَضَّلَنِي عَلَى كَثِيرٍ مِمَّنْ خَلَقَ تَفْضِيلاً)

(আবু ঈসা বলেন) হাদীসটি এ সূত্রে হাসান-গারীব।
أبواب الدعوات عن رسول الله صلى الله عليه وسلم
باب مَا يَقُولُ إِذَا رَأَى مُبْتَلًى
حَدَّثَنَا أَبُو جَعْفَرٍ السِّمْنَانِيُّ، وَغَيْرُ، وَاحِدٍ، قَالُوا حَدَّثَنَا مُطَرِّفُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْمَدَنِيُّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ الْعُمَرِيُّ، عَنْ سُهَيْلِ بْنِ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " مَنْ رَأَى مُبْتَلًى فَقَالَ الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي عَافَانِي مِمَّا ابْتَلاَكَ بِهِ وَفَضَّلَنِي عَلَى كَثِيرٍ مِمَّنْ خَلَقَ تَفْضِيلاً لَمْ يُصِبْهُ ذَلِكَ الْبَلاَءُ " . قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ غَرِيبٌ مِنْ هَذَا الْوَجْهِ .

হাদীসের ব্যাখ্যা:

ইমাম তিরমিযী এ হাদীস বর্ণনার সাথে সাথে অনেকটা এর ব্যাখ্যা রূপে ইমাম যয়নুল আবেদীনের পুত্র ইমাম বাকের (র)-এর বরাতে বর্ণনা করেন যে, বান্দা যখন কোন ব্যক্তিকে কোন বিপদে লিপ্ত দেখবে, তখন এ দু'আটি পড়বে এমনভাবে, যেন সেই বিপন্ন ব্যক্তি তা শুনতে না পায়। বলা বাহুল্য, তা শুনলে সে ব্যক্তি মনে কষ্ট পাবে।

হযরত শায়খ শিবলী (র) সম্পর্কে বর্ণিত আছে যে, তিনি যখন কোন ব্যক্তিকে আখিরাত থেকে উদাসীন হয়ে দুনিয়ার ধান্দায় বিভোর ও মগ্ন দেখতে পেতেন, তখন তিনি পড়তেন:

اَلْحَمْدُ لِلّٰهِ الَّذِي عَافَانِي مِمَّا ابْتَلَاكَ بِهٖ وَفَضَّلَنِي عَلٰى كَثِيرٍ مِّمَّنْ خَلَقَ تَفْضِيْلاً

অর্থাৎ এমন ব্যক্তিকে তিনি একজন চরম বিপন্ন ও দুর্দশাগ্রস্ত লোক বলে গণ্য করে দুর্দশাগ্রস্ত ব্যক্তিকে দেখে পড়বার জন্যে বিধিবদ্ধ দু'আটি তাকে লক্ষ্য করে তিনি পড়তেন।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)
tahqiqতাহকীক:তাহকীক চলমান