আল জামিউল কাবীর- ইমাম তিরমিযী রহঃ
৪৭. নবীজী ﷺ থেকে বর্ণিত যাবতীয় দোয়া-জিকির
হাদীস নং: ৩৫০৭
আন্তর্জাতিক নং: ৩৫০৭
নবীজী ﷺ থেকে বর্ণিত যাবতীয় দোয়া-জিকির
শিরোনামবিহীন পরিচ্ছেদ
৩৫০৭. ইবরাহীব ইবনে ইয়াকুব (রাহঃ) ..... আবু হুরায়রা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ আল্লাহর নিরানব্বইটি, অর্থাৎ এক কম একশটি’ নাম রয়েছে। যে সেগুলি আত্মস্থ করবে সে জান্নাতে দাখিল হবে। সেগুলো হলঃ আল্লহ, তিনি ছাড়া কোন ইলাহ নেই, আর-রহমান-দয়াময়, আর-রহিম-দয়ালু, আল-মালিক-অধিপতি, আল-কুদ্দুস-নিষ্কলুষ, আস-সালাম-শান্তিময়, আল-মু’মিন-নিরাপত্তাবিধায়ক, আল-মুহায়মিন-রক্ষাব্যাবস্থাকারী, আল-আযীয-প্রবল, আল-জাব্বার-পরাক্রমশালী, আল-মুতাকাব্বির-অহংকারের অধিকারী, আল-খালিল-সৃষ্টিকর্তা, আল-বারী-উন্মেষকারী, আল-মুসাওবির-রূপদানকারী, আল-গাফফার-মহাক্ষমাশীল, আল-কাহহার-মহাপরাক্রান্ত, আল-ওয়াহহাব-মহাবদান্য, আর-রাযযাক-জীবিকাদাতা, আল-ফাততাহ-মহাবিজয়ী, আল-আলিম-মহাজ্ঞানী, আল-কাবিয-সংকোচনকারী, আল-বাসিত-সম্প্রসারণকারী, আল-খাফিয-অবলম্বনকারী, আর-রাফি-উন্নয়নকারী, আল-মুইয্য-সম্মানদাতা, আল-মুযিল্ল-অপমানকারী, আস-সামী-সর্বশ্রোতা, আল-বাসীর-সর্বদ্রষ্টা, আল-হাকাম-মিমাংসাকারী, আল-আদাল-ন্যায়নিষ্ঠ, আল-লাতীফ-সূক্ষ্ম দক্ষতাসম্পন্ন, আল-খাবীর-সর্বজ্ঞ, আল-হালীম-সহিষ্ণু, আল-আযীম-মহিমাময়, আল-গাফুর-ক্ষমাশীল, আশ-শাকূর-গুণগ্রাহী, আল-আলি-অতুচ্চে, আল-কাবীর-মহত, আল-হাফীয-মহারক্ষক, আল-মুকিত-আহার্যদাতা, আল-হাসীব-মহাপরিক্ষক, আল-জালীল-প্রতাপশালী, আল-কারীম-মহামান্য, আর-রাকীব-নিরীক্ষণকারী, আল-মুজীব-প্রতুত্তরদাতা, আল-ওয়াসি-সর্বদানী, আল-হাকীম-বিচক্ষণ, আল-ওয়াদূদ-প্রেমময়, আল-মাজীদ-গৌরবময়, আল-বাইছ-পুনরুত্থানকারী, আশ-শাহীদ-প্রত্যক্ষকারী, আল-হাক্ক-সত্য,
আল-ওয়াকীল-তত্বাবধায়ক, আল-কাবী-শক্তিশালী, আল-মাতীন-দৃঢ়তাসম্পন্ন, আল-ওয়ালী-অভিভাবক, আল-হামীদ-প্রশংসিত, আল-মুহসী-হিসাব গ্রহণকারী, আল-মুবদী-আদি স্রষ্টা, আল-মুঈদ-পুনঃসৃষ্টিকারী, আল-মুহঈ-জীবদাতা, আল-মুমীত-মরণদাতা, আল-হায়্যু-চিরঞ্জীব, আল-কায়্যুম-স্বয়ং স্থিতিশীল, আল-ওয়াজিদ-অবধায়ক, আল-মাজিদ-মহান, আল-ওয়াহিদ-একক, আস-সামাদ-অভাবমুক্ত, আল-কাদির-ক্ষমতাশালী, আল-মুক্তাদীর-প্রবল, আল-মুকাদ্দিম-অগ্রবর্তীকারী, আল-মুয়াখখির-পশ্চাৎকারী, আল-আওয়াল-অনাদি, আল-আখির-অনন্ত, আয-যাহির-প্রকাশ্য, আল-বাতিন-গুপ্ত, আল-ওয়ালী-কার্যনির্বাহক, আল-মুতাআলি-সুউচ্চ, আল-বারর-ন্যায়বান, আত-তাওওয়াব-তাওবা কবুলকারী, আল-মুন্তাকিমু-প্রতিশোধ গ্রহণকারী, আল-আফুউ-ক্ষমাকারী, আর-রাউফ-কোমল হৃদয়, মালিকুল মূলক-রাজ্যের মালিক, যুলজালালি ওয়াল ইকরাম-মহামান্বিত, মহাত্বপূর্ণ, আল-মুকসিত-ন্যায়পরায়ণ, আল-জামি-একত্রীয়ণকারী, আল-গানী-অভাবমুক্ত, আল-মুগণী-অভাবমোচনকারী, আল-মানিউ-প্রতিরোধকারী, আয-যার-অকল্যাণকর্তা, আন-নাফি-কল্যাণকর্তা, আন-নূর-জ্যোতি, আল-হাদী-পথপ্রদর্শক, আল-বাদী-অভিনব সৃষ্টিকারী, আল-বাকী-চিরস্থায়ী, আল-ওয়ারিছ-উত্তরধিকারী, আর-রাসীদ-সত্যদর্শী, আস-সাবূর-ধৈর্যশীল।
হাদীসটি গরীব। একাধিক রাবী এটিকে সাফওয়ান ইবনে সালিহ (রাহঃ)-এর বরাতে বর্ণনা করেছেন।সাফওয়ান ইবনে সালিহ (রাহঃ)-এর সূত্র ছাড়া এটি সম্পর্কে আমাদের কিছু জানা নেই। তিনি হাদীস বিশেষজ্ঞগণের দৃষ্টিতে নির্ভরযোগ্য। এই হাদীসটি একাধিক সূত্রে আবু হুরায়রা (রাযিঃ) এর বরাতে নবী (ﷺ) থেকে বর্ণিত আছে। এটি ছাড়া আরো বেশী রিওয়ায়াতে এই নামসমূহের উল্লেখ আছে বলে আমাদের জানা নেই। আদম ইবনে আবু ইয়াস অপর এক সনদে আবু হুরায়রা (রাযিঃ) এর বরাতে নবী (ﷺ) থেকে একটি হাদীস বর্ণনা করেছেন যাতে আসমাউল হুসনা-এর উল্লেখ আছে। তবে এর কোন সহীহ সনদ নেই।
আল-ওয়াকীল-তত্বাবধায়ক, আল-কাবী-শক্তিশালী, আল-মাতীন-দৃঢ়তাসম্পন্ন, আল-ওয়ালী-অভিভাবক, আল-হামীদ-প্রশংসিত, আল-মুহসী-হিসাব গ্রহণকারী, আল-মুবদী-আদি স্রষ্টা, আল-মুঈদ-পুনঃসৃষ্টিকারী, আল-মুহঈ-জীবদাতা, আল-মুমীত-মরণদাতা, আল-হায়্যু-চিরঞ্জীব, আল-কায়্যুম-স্বয়ং স্থিতিশীল, আল-ওয়াজিদ-অবধায়ক, আল-মাজিদ-মহান, আল-ওয়াহিদ-একক, আস-সামাদ-অভাবমুক্ত, আল-কাদির-ক্ষমতাশালী, আল-মুক্তাদীর-প্রবল, আল-মুকাদ্দিম-অগ্রবর্তীকারী, আল-মুয়াখখির-পশ্চাৎকারী, আল-আওয়াল-অনাদি, আল-আখির-অনন্ত, আয-যাহির-প্রকাশ্য, আল-বাতিন-গুপ্ত, আল-ওয়ালী-কার্যনির্বাহক, আল-মুতাআলি-সুউচ্চ, আল-বারর-ন্যায়বান, আত-তাওওয়াব-তাওবা কবুলকারী, আল-মুন্তাকিমু-প্রতিশোধ গ্রহণকারী, আল-আফুউ-ক্ষমাকারী, আর-রাউফ-কোমল হৃদয়, মালিকুল মূলক-রাজ্যের মালিক, যুলজালালি ওয়াল ইকরাম-মহামান্বিত, মহাত্বপূর্ণ, আল-মুকসিত-ন্যায়পরায়ণ, আল-জামি-একত্রীয়ণকারী, আল-গানী-অভাবমুক্ত, আল-মুগণী-অভাবমোচনকারী, আল-মানিউ-প্রতিরোধকারী, আয-যার-অকল্যাণকর্তা, আন-নাফি-কল্যাণকর্তা, আন-নূর-জ্যোতি, আল-হাদী-পথপ্রদর্শক, আল-বাদী-অভিনব সৃষ্টিকারী, আল-বাকী-চিরস্থায়ী, আল-ওয়ারিছ-উত্তরধিকারী, আর-রাসীদ-সত্যদর্শী, আস-সাবূর-ধৈর্যশীল।
হাদীসটি গরীব। একাধিক রাবী এটিকে সাফওয়ান ইবনে সালিহ (রাহঃ)-এর বরাতে বর্ণনা করেছেন।সাফওয়ান ইবনে সালিহ (রাহঃ)-এর সূত্র ছাড়া এটি সম্পর্কে আমাদের কিছু জানা নেই। তিনি হাদীস বিশেষজ্ঞগণের দৃষ্টিতে নির্ভরযোগ্য। এই হাদীসটি একাধিক সূত্রে আবু হুরায়রা (রাযিঃ) এর বরাতে নবী (ﷺ) থেকে বর্ণিত আছে। এটি ছাড়া আরো বেশী রিওয়ায়াতে এই নামসমূহের উল্লেখ আছে বলে আমাদের জানা নেই। আদম ইবনে আবু ইয়াস অপর এক সনদে আবু হুরায়রা (রাযিঃ) এর বরাতে নবী (ﷺ) থেকে একটি হাদীস বর্ণনা করেছেন যাতে আসমাউল হুসনা-এর উল্লেখ আছে। তবে এর কোন সহীহ সনদ নেই।
أبواب الدعوات عن رسول الله صلى الله عليه وسلم
باب
حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ يَعْقُوبَ الْجُوزَجَانِيُّ، حَدَّثَنِي صَفْوَانُ بْنُ صَالِحٍ، حَدَّثَنَا الْوَلِيدُ بْنُ مُسْلِمٍ، حَدَّثَنَا شُعَيْبُ بْنُ أَبِي حَمْزَةَ، عَنْ أَبِي الزِّنَادِ، عَنِ الأَعْرَجِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " إِنَّ لِلَّهِ تَعَالَى تِسْعَةً وَتِسْعِينَ اسْمًا مِائَةً غَيْرَ وَاحِدَةٍ مَنْ أَحْصَاهَا دَخَلَ الْجَنَّةَ هُوَ اللَّهُ الَّذِي لاَ إِلَهَ إِلاَّ هُوَ الرَّحْمَنُ الرَّحِيمُ الْمَلِكُ الْقُدُّوسُ السَّلاَمُ الْمُؤْمِنُ الْمُهَيْمِنُ الْعَزِيزُ الْجَبَّارُ الْمُتَكَبِّرُ الْخَالِقُ الْبَارِئُ الْمُصَوِّرُ الْغَفَّارُ الْقَهَّارُ الْوَهَّابُ الرَّزَّاقُ الْفَتَّاحُ الْعَلِيمُ الْقَابِضُ الْبَاسِطُ الْخَافِضُ الرَّافِعُ الْمُعِزُّ الْمُذِلُّ السَّمِيعُ الْبَصِيرُ الْحَكَمُ الْعَدْلُ اللَّطِيفُ الْخَبِيرُ الْحَلِيمُ الْعَظِيمُ الْغَفُورُ الشَّكُورُ الْعَلِيُّ الْكَبِيرُ الْحَفِيظُ الْمُقِيتُ الْحَسِيبُ الْجَلِيلُ الْكَرِيمُ الرَّقِيبُ الْمُجِيبُ الْوَاسِعُ الْحَكِيمُ الْوَدُودُ الْمَجِيدُ الْبَاعِثُ الشَّهِيدُ الْحَقُّ الْوَكِيلُ الْقَوِيُّ الْمَتِينُ الْوَلِيُّ الْحَمِيدُ الْمُحْصِي الْمُبْدِئُ الْمُعِيدُ الْمُحْيِي الْمُمِيتُ الْحَىُّ الْقَيُّومُ الْوَاجِدُ الْمَاجِدُ الْوَاحِدُ الصَّمَدُ الْقَادِرُ الْمُقْتَدِرُ الْمُقَدِّمُ الْمُؤَخِّرُ الأَوَّلُ الآخِرُ الظَّاهِرُ الْبَاطِنُ الْوَالِي الْمُتَعَالِي الْبَرُّ التَّوَّابُ الْمُنْتَقِمُ الْعَفُوُّ الرَّءُوفُ مَالِكُ الْمُلْكِ ذُو الْجَلاَلِ وَالإِكْرَامِ الْمُقْسِطُ الْجَامِعُ الْغَنِيُّ الْمُغْنِي الْمَانِعُ الضَّارُّ النَّافِعُ النُّورُ الْهَادِي الْبَدِيعُ الْبَاقِي الْوَارِثُ الرَّشِيدُ الصَّبُورُ " . قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ غَرِيبٌ حَدَّثَنَا بِهِ غَيْرُ وَاحِدٍ عَنْ صَفْوَانَ بْنِ صَالِحٍ . وَلاَ نَعْرِفُهُ إِلاَّ مِنْ حَدِيثِ صَفْوَانَ بْنِ صَالِحٍ وَهُوَ ثِقَةٌ عِنْدَ أَهْلِ الْحَدِيثِ . وَقَدْ رُوِيَ هَذَا الْحَدِيثُ مِنْ غَيْرِ وَجْهٍ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَلاَ نَعْلَمُ - فِي كَبِيرِ شَيْءٍ مِنَ الرِّوَايَاتِ لَهُ إِسْنَادٌ صَحِيحٌ ذِكْرَ الأَسْمَاءِ إِلاَّ فِي هَذَا الْحَدِيثِ . وَقَدْ رَوَى آدَمُ بْنُ أَبِي إِيَاسٍ هَذَا الْحَدِيثَ بِإِسْنَادٍ غَيْرِ هَذَا عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَذَكَرَ فِيهِ الأَسْمَاءَ وَلَيْسَ لَهُ إِسْنَادٌ صَحِيحٌ .
হাদীসের ব্যাখ্যা:
হযরত আবূ হুরায়রা (রা) এর হাদীসের শুরুর অংশ হুবহু তাই, যা সহীহ্ বুখারী ও সহীহ্ মুসলিমের বরাতে বর্ণিত হয়েছে। অবশ্য এ হাদীসে নিরানব্বইটি পূত নাম বিশদভাবে বর্ণিত হয়েছে- যা বুখারী মুসলিমের রিওয়ায়াতে নাই। এ জন্যে কোন কোন মুহাদ্দিস ও ভাষ্যকারের অভিমত হচ্ছে এই যে, মারফু' হাদীস যা রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর উক্তি শুধু ততটুকুই, যা সহীহ্ কিতাবদ্বয়ে বর্ণিত হয়েছে অর্থাৎ
إِنَّ لِلَّهِ تِسْعَةَ وَتِسْعِيْنَ إِسْمًا مِائَةً إِلَّا وَاحِدًا مَنْ أَحْصَاهَا دَخَلَ الْجَنَّةَ.
"আল্লাহ তা'আলার নিরানব্বইটি নাম এক কম এক শ'-যে ব্যক্তি তা কণ্ঠস্থ করবে, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে।" আর তিরমিযীর এ রিওয়ায়াতে এবং অনুরূপভাবে ইবনে মাজা ও হাকিম প্রমুখের রিওয়ায়াতে যে নিরান্নব্বই নাম বিশদভাবে বর্ণিত হয়েছে, তা মহানবীর বাণী নয়, বরং আবু হুরায়রা (রা)-এর কোন প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ শাগরিদ তা হাদীসের ব্যাখ্যা স্বরূপ কুরআন ও হাদীসে উল্লেখিত আল্লাহ তা'আলার পবিত্র নামগুলিও বর্ণনা করে দিয়েছেন। মুহাদ্দিসীনদের পরিভাষায় এ আসমাউল হুসনাগুলো মুদরাজ (مدرج), এরূপ মনে করার একটি সঙ্গত কারণ এই যে, তিরমিযী, ইবনে মাজা ও হাকিমের বর্ণনায় নিরানব্বইটি পবিত্র নামের যে বিবরণ বর্ণিত হয়েছে, তাতে যথেষ্ট পার্থক্য পরিলক্ষিত হয়। যদি স্বয়ং রাসূলুল্লাহ ﷺ এ নামগুলো বলে দিতেন তাহলে তাতে এত ফারাক থাকাটা ছিল অসম্ভব ব্যাপার।
যাই হোক, এতো হলো হাদীস শাস্ত্র এবং এর রিওয়ায়াত 'সংক্রান্ত আলোচনা। কিন্তু এ ব্যাপারে সকলেই ঐকমত্য পোষণ করেন যে, তিরমিযীর উপরোক্ত বর্ণনায় এবং অনুরূপ ইবনে মাজা প্রমুখের রিওয়ায়াতে বর্ণিত ৯৯টি পবিত্র নাম কুরআন মজীদ ও হাদীস থেকেই নেয়া হয়েছে। রাসূলুল্লাহ ﷺ নিরানব্বইটি নাম মুখস্থ করার বিনিময়ে যে সুসংবাদ শুনিয়েছেন সে সুসংবাদের অবশ্যই তাঁরা যোগ্য বিবেচিত হবে যারা বিশুদ্ধ চিত্তে ভক্তি সহকারে আসমাউল হুসনা মুখস্থ করবেন এবং এগুলির মাধ্যমে আল্লাহকে স্মরণ করবেন। হযরত শাহ ওয়ালীউল্লাহ (র) তার কারণ ও রহস্য সম্পর্কে আলোকপাত করতে গিয়ে লিখেন: আল্লাহ তা'আলার কামালিয়তের যে গুণাবলী তাঁর জন্যে সাব্যস্ত করা বা যে সমস্ত অপূর্ণতা থেকে তাঁর সত্তাকে মুক্ত প্রতিপন্ন করা চাই, উপরোক্ত আসমাউল হুসনায় তার সবকটিই এসে যায়। এ হিসাবে এ আসমাউল হুসনা আল্লাহ তা'আলার মা'রিফতের পরিপূর্ণ নিসাব বা কোর্স বিশেষ। আর এজন্যে সামগ্রিকভাবে এগুলোর মধ্যে অসাধারণ বরকত রয়েছে এবং ঊর্ধ্বজগতে এর বিরাট কবুলিয়ত রয়েছে। যখন কোন বান্দার আমলনামায় এ আসমাউল হুসনা লিপিবদ্ধ থাকে, তখন তা আল্লাহর রহমতের ফয়সালার হেতু হয়ে যাবে। আল্লাহই সর্বজ্ঞ।
তিরমিযী শরীফের উক্ত রিওয়ায়াতে বর্ণিত ৯৯টি নামের দুই তৃতীয়াংশ কুরআন শরীফে এবং অবশিষ্ট নামগুলি বিভিন্ন হাদীসে উল্লিখিত হয়েছে।
হযরত জা'ফর সাদিক প্রমুখ বুযুর্গান যে দাবি করেছেন যে, আল্লাহ তা'আলার নিরানব্বইটি নাম কুরআন মজীদেই রয়েছে, সেগুলি একটু পূর্বেই উল্লিখিত হয়েছে এবং এগুলির ব্যাপারে 'হাফিয ইবনে হাজারের সর্বশেষ গবেষণার বরাতও দেওয়া হয়েছে। তিনি শুধু কুরআন শরীফ থেকেই ঐ নিরানব্বইটি পবিত্র নাম খুঁজে বের করেছেন। কুরআন শরীফে এসব নাম অবিকল এভাবেই মওজুদ রয়েছে।
সেই সব মুহাদ্দিসীন ও ভাষ্যকারগণের উপরোক্ত অভিমত যদি মেনে নেয়া হয় যে, উপরোক্ত রিওয়ায়াতে আসমাউল হুসনা রূপে যে পবিত্র নামগুলি বর্ণিত হয়েছে, তা হাদীসে মরফু (مرفوع)-এর অংশ নয়, বরং কোন রাবীর পক্ষ থেকে মুদরাজ বা পরিবর্ধিত অংশ বিশেষ অর্থাৎ হাদীছের ব্যাখ্যা প্রসঙ্গে কেউ এ বিশদ বিবরণটিও জুড়ে দিয়েছেন-যা কুরআন ও হাদীসে পাওয়া যায়, তা হলে হাফিয ইবনে হাজার কর্তৃক পেশকৃত ফিরিস্তিই অগ্রগণ্য হওয়া উচিত। কেননা, তাঁর উল্লেখ করা পবিত্র নামগুলো হুবহু কুরআন মজীদ থেকে নেয়া-নিজে এগুলোর মধ্যে তিনি কোনরূপ হস্তক্ষেপ করেননি। আমরা নিচে 'ফাৎহুল বারী' থেকে তাঁর প্রদত্ত সেই ফিরিস্তিটি উদ্ধৃত করছি। তিনি আল্লাহর আসল নাম আল্লাহকেও ঐ নিরানব্বই নামের মধ্যে গণনা করেছেন। বরং ঐ পবিত্র নাম দিয়েই তিনি তাঁর ফিরিস্তি শুরু করেছেন।
কুরআন মজীদে উল্লেখিত আল্লাহর নিরানব্বইটি পবিত্র নাম
১. اَللّٰهُ (আল্লাহ)
২. اَلرَّحْمٰنُ (আর রাহমান)
৩: ُاَلرَّحِيْم (আর রাহীম)
৪. اَلْمَلِكُ (আল মালিকু)
৫. اَلْقُدُّوْسُ (আল কুদ্দুস)
৬. اَلسَّلَامُ (আস সালাম)
৭. اَلْمُؤْمِنُ (আল মু'মিন)
৮. ُاَلْمُهَيْمِن (আল মুহাইমিন)
৯. اَلْعَزِيْزُ (আল আযীয)
১০. اَلْجَبَّارُ (আল জাব্বার)
১১. اَلْمُتَكَبِّرُ (আল মুতাকাব্বির)
১২. اَلْخَالِقُ (আল খালিক)
১৩. اَلْبَارِئُ (আল বারিউ)
১৪. اَلْمُصَوِّرُ (আল মুসাব্বির)
১৫. اَلْغَفَّارُ (আল গাফফার)
১৬. اَلْقَهَّارُ (আল কাহ্হার)
১৭. اَلتَّوَّابُ (আ-তাওয়াবু)
১৮. اَلْوَهَّابُ (আল-ওহ্হাবু)
১৯. اَلْفَتَّاحُ (আল খাল্লাকু)
২০. اَلْعَلَيْمُ (আল আলীম)
২১. اَلْقَابِضُ (আল কাবিয)
২২. اَلْبَاسِطُ (আল বাসিত)
২৩. اَلْخَافِضُ (আল খাফি)
২৪. الرَّافِعُ (আর রাফি)
২৫. اَلْمُعِزُّ (আল মুইয)
২৬. اَلْمُذِلَّ (আল-মুযিল)
২৭ ُاَلسَّمِيْع (আস সামিউ)
২৮. اَلْبَصِيْرُ (আল বাসিরু)
২৯. اَلْحَكَمُ (আল হাকামু)
৩০. اَلْعَدْلُ (আল আদল)
৩১. اَللَّطِيْفُ (আল লতীফ)
৩২. اَلْخَبِيْرُ (আল খাবীর)
৩৩. اَلْحَلِيْمُ (আল হালীম)
৩৪. اَلْعَظِيْمُ (আল আযীম)
৩৫. اَلْغَفُوْرُ (আল গাফুর)
৩৬. اَلشَّكُوْرُ (আশ শাকুর)
৩৭. اَلْعَلَيُّ (আল আলীয়্যূ)
৩৮. اَلْكَبِيْرُ (আল কাবীরু)
৩৯. اَلْحَفِيْظُ (আল হাফীযু)
৪০. اَلْمُقِيْتُ (আল মুকীতু)
৪১. اَلْحَسِيْبُ (আল হাসীব)
৪২ اَلْجَلِيْلُ (আল জালীল)
৪৩. اَلْكَرِيْمُ (আল কারীম)
৪৪. اَلرَّقِيْبُ (আর রাকীব)
৪৫ اَلْمُجِيْبُ (আল মুজীব)
৪৬. اَلْوَاسِعُ (আল ওয়াসিউ)
৪৭ اَلْحَكِيْمُ (আল হাকীম)
৪৮. اَلْوَدُوْدُ (আল ওদূদ)
৪৯. اَلْمَجِيْدٌ (আল মজীদ)
৫০. اَلْبَائِثُ (আল বাইসু)
৫১. اَلشَّهِيْدُ (আশ শাহীদ)
৫২. اَلْحَقُّ (আল হক)
৫৩. اَلْوَكِيْلُ (আল ওকীল)
৫৪. أَلْقَوِيُّ (আল কভী)
৫৫. اَلْمَتِيْنُ (আল মতীন)
৫৬. اَلْوَلِيُّ (আল ওলী)
৫৭. اَلْحَمِيْدُ (আল হামীদ)
৫৮. اَلْمُحْصَيْ (আল মুহসী)
৫৯. اَلْمُبْدِئُ (আল মুবদিউ)
৬০. اَلْمُعِيدُ (আল মুইদ)
৬১ اَلْمُحْيِى (আল মুহঈ)
৬২. اَلْمُمِيْتُ (আল মুমীত)
৬৩. اَلْحَيُّ (আল হাইউ)
৬৪. أَلْقَيُّوْمُ (আল কাইয়্যূম)
৬৫. اَلْوَاجِدُ (আল ওয়াজিদ)
৬৬ الْمَجِيْدُ (আল মাজিদু)
৬৭. اَلْوَاحِدُ (আল ওয়াহিদু)
৬৮. اَلْاَحَدُ (আল আহাদ)
৬৯. اَلصَّمَدُ (আস সামাদ)
৭০. اَلْقَدِيْرُ (আল কাদির)
৭১. اَلْمُقْتَدِرُ (আল মুকতাদির)
৭২. الْمُقَدِّمُ (আল মুকাদ্দিম)
৭৩. اَلْمُؤَخِّرُ (আল মুআখ্যির)
৭৪. اَلْاَوَّلُ (আল আওয়াল)
৭৫. اَلْآخِرُ (আল আখিরু)
৭৬. اَلظَّاهِرُ (আয যাহিরু)
৭৭. اَلْبَاطِنُ (আল বাতিন)
৭৮. اَلْوَالِيُ (আল ওয়ালী)
৭৯. اَلْمُتَعَالِى (আল মুতাআলী)
৮০. اَلْبَرُّ (আল বাররু)
৮১. اَلتَّوَّابُ (আত তাওয়াব)
৮২. الْمُنْتَقِمُ (আল মুনতাকিম)
৮৩. ُّاَلْعَفُو (আল আফুউ)
৮৪.. اَلرَّؤُوفُ (আর রাউফ)
৮৫. مَلِكُ الْمُلْكِ (মালিকুল মুলক)
৮৬. ذُو الْجَلَالِ وَالْإِكْرَامِ (যুল জালালি ওয়াল ইকরাম)
৮৭. اَلْمُقْسِطُ (আল মুকসিত)
৮৮. اَلْجَامِعُ (আল জামিউ)
৮৯. اَلْغَنِيُّ (আল গনী)
৯০. اَلْمُغْنِي (আল মুগনী)
৯১. اَلْمَانِعُ (আল মানি)
৯২. اَلضَّارُّ (আদ দার)
৯৩ اَلنَّافِعُ (আন নাফিউ)
৯৪. اَلنُّوْرُ (আন নূর)
৯৫. أَلْهَادِي (আল হাদী)
৯৬. اَلْبَدِيعُ (আল বাদীউ)
৯৭. اَلْبَاقِي (আল বাকী)
৯৮. اَلْوَارِثُ (আল ওয়ারিসু)
৯৯. اَلرَّشِيْدُ (আর রশীদ)
১০০. الصَّبُوْرُ (আস সাবুর)
( فتح البارى جز ٢٦ : ٨٣)
(আস-সামাদ-আল্লাযী লাম য়ালিদ ওয়ালাম য়ূলাদ ওলাম য়াকুল লাহূ কুফুওয়ান আহাদ) (ফতহুল বারী ২৬ পারা পৃষ্ঠা-৮৩)
তিরমিযীর রিওয়ায়াতে উল্লিখিত এবং কুরআন মজীদ থেকে হাফিয ইবনে হাজার কর্তৃক সংকলিত নিরানব্বই আসমাউল হুসনা বা পবিত্র নামের প্রত্যেকটিই মা'রিফাতে ইলাহীর এক একটি দরজা স্বরূপ। উলামায়ে কিরাম বিভিন্ন যুগে এ পবিত্র নাম সমূহের ব্যাখ্যা সম্বলিত কিতাবদি রচনা করেছেন। কঠিন কঠিন সমস্যার সময় এগুলোর মাধ্যমে দু'আ করা আল্লাহওয়ালা বুযুর্গগণের চিরাচরিত অভ্যাস। এটি দু'আ কবুলের একটি পরীক্ষিত পন্থা।
إِنَّ لِلَّهِ تِسْعَةَ وَتِسْعِيْنَ إِسْمًا مِائَةً إِلَّا وَاحِدًا مَنْ أَحْصَاهَا دَخَلَ الْجَنَّةَ.
"আল্লাহ তা'আলার নিরানব্বইটি নাম এক কম এক শ'-যে ব্যক্তি তা কণ্ঠস্থ করবে, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে।" আর তিরমিযীর এ রিওয়ায়াতে এবং অনুরূপভাবে ইবনে মাজা ও হাকিম প্রমুখের রিওয়ায়াতে যে নিরান্নব্বই নাম বিশদভাবে বর্ণিত হয়েছে, তা মহানবীর বাণী নয়, বরং আবু হুরায়রা (রা)-এর কোন প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ শাগরিদ তা হাদীসের ব্যাখ্যা স্বরূপ কুরআন ও হাদীসে উল্লেখিত আল্লাহ তা'আলার পবিত্র নামগুলিও বর্ণনা করে দিয়েছেন। মুহাদ্দিসীনদের পরিভাষায় এ আসমাউল হুসনাগুলো মুদরাজ (مدرج), এরূপ মনে করার একটি সঙ্গত কারণ এই যে, তিরমিযী, ইবনে মাজা ও হাকিমের বর্ণনায় নিরানব্বইটি পবিত্র নামের যে বিবরণ বর্ণিত হয়েছে, তাতে যথেষ্ট পার্থক্য পরিলক্ষিত হয়। যদি স্বয়ং রাসূলুল্লাহ ﷺ এ নামগুলো বলে দিতেন তাহলে তাতে এত ফারাক থাকাটা ছিল অসম্ভব ব্যাপার।
যাই হোক, এতো হলো হাদীস শাস্ত্র এবং এর রিওয়ায়াত 'সংক্রান্ত আলোচনা। কিন্তু এ ব্যাপারে সকলেই ঐকমত্য পোষণ করেন যে, তিরমিযীর উপরোক্ত বর্ণনায় এবং অনুরূপ ইবনে মাজা প্রমুখের রিওয়ায়াতে বর্ণিত ৯৯টি পবিত্র নাম কুরআন মজীদ ও হাদীস থেকেই নেয়া হয়েছে। রাসূলুল্লাহ ﷺ নিরানব্বইটি নাম মুখস্থ করার বিনিময়ে যে সুসংবাদ শুনিয়েছেন সে সুসংবাদের অবশ্যই তাঁরা যোগ্য বিবেচিত হবে যারা বিশুদ্ধ চিত্তে ভক্তি সহকারে আসমাউল হুসনা মুখস্থ করবেন এবং এগুলির মাধ্যমে আল্লাহকে স্মরণ করবেন। হযরত শাহ ওয়ালীউল্লাহ (র) তার কারণ ও রহস্য সম্পর্কে আলোকপাত করতে গিয়ে লিখেন: আল্লাহ তা'আলার কামালিয়তের যে গুণাবলী তাঁর জন্যে সাব্যস্ত করা বা যে সমস্ত অপূর্ণতা থেকে তাঁর সত্তাকে মুক্ত প্রতিপন্ন করা চাই, উপরোক্ত আসমাউল হুসনায় তার সবকটিই এসে যায়। এ হিসাবে এ আসমাউল হুসনা আল্লাহ তা'আলার মা'রিফতের পরিপূর্ণ নিসাব বা কোর্স বিশেষ। আর এজন্যে সামগ্রিকভাবে এগুলোর মধ্যে অসাধারণ বরকত রয়েছে এবং ঊর্ধ্বজগতে এর বিরাট কবুলিয়ত রয়েছে। যখন কোন বান্দার আমলনামায় এ আসমাউল হুসনা লিপিবদ্ধ থাকে, তখন তা আল্লাহর রহমতের ফয়সালার হেতু হয়ে যাবে। আল্লাহই সর্বজ্ঞ।
তিরমিযী শরীফের উক্ত রিওয়ায়াতে বর্ণিত ৯৯টি নামের দুই তৃতীয়াংশ কুরআন শরীফে এবং অবশিষ্ট নামগুলি বিভিন্ন হাদীসে উল্লিখিত হয়েছে।
হযরত জা'ফর সাদিক প্রমুখ বুযুর্গান যে দাবি করেছেন যে, আল্লাহ তা'আলার নিরানব্বইটি নাম কুরআন মজীদেই রয়েছে, সেগুলি একটু পূর্বেই উল্লিখিত হয়েছে এবং এগুলির ব্যাপারে 'হাফিয ইবনে হাজারের সর্বশেষ গবেষণার বরাতও দেওয়া হয়েছে। তিনি শুধু কুরআন শরীফ থেকেই ঐ নিরানব্বইটি পবিত্র নাম খুঁজে বের করেছেন। কুরআন শরীফে এসব নাম অবিকল এভাবেই মওজুদ রয়েছে।
সেই সব মুহাদ্দিসীন ও ভাষ্যকারগণের উপরোক্ত অভিমত যদি মেনে নেয়া হয় যে, উপরোক্ত রিওয়ায়াতে আসমাউল হুসনা রূপে যে পবিত্র নামগুলি বর্ণিত হয়েছে, তা হাদীসে মরফু (مرفوع)-এর অংশ নয়, বরং কোন রাবীর পক্ষ থেকে মুদরাজ বা পরিবর্ধিত অংশ বিশেষ অর্থাৎ হাদীছের ব্যাখ্যা প্রসঙ্গে কেউ এ বিশদ বিবরণটিও জুড়ে দিয়েছেন-যা কুরআন ও হাদীসে পাওয়া যায়, তা হলে হাফিয ইবনে হাজার কর্তৃক পেশকৃত ফিরিস্তিই অগ্রগণ্য হওয়া উচিত। কেননা, তাঁর উল্লেখ করা পবিত্র নামগুলো হুবহু কুরআন মজীদ থেকে নেয়া-নিজে এগুলোর মধ্যে তিনি কোনরূপ হস্তক্ষেপ করেননি। আমরা নিচে 'ফাৎহুল বারী' থেকে তাঁর প্রদত্ত সেই ফিরিস্তিটি উদ্ধৃত করছি। তিনি আল্লাহর আসল নাম আল্লাহকেও ঐ নিরানব্বই নামের মধ্যে গণনা করেছেন। বরং ঐ পবিত্র নাম দিয়েই তিনি তাঁর ফিরিস্তি শুরু করেছেন।
কুরআন মজীদে উল্লেখিত আল্লাহর নিরানব্বইটি পবিত্র নাম
১. اَللّٰهُ (আল্লাহ)
২. اَلرَّحْمٰنُ (আর রাহমান)
৩: ُاَلرَّحِيْم (আর রাহীম)
৪. اَلْمَلِكُ (আল মালিকু)
৫. اَلْقُدُّوْسُ (আল কুদ্দুস)
৬. اَلسَّلَامُ (আস সালাম)
৭. اَلْمُؤْمِنُ (আল মু'মিন)
৮. ُاَلْمُهَيْمِن (আল মুহাইমিন)
৯. اَلْعَزِيْزُ (আল আযীয)
১০. اَلْجَبَّارُ (আল জাব্বার)
১১. اَلْمُتَكَبِّرُ (আল মুতাকাব্বির)
১২. اَلْخَالِقُ (আল খালিক)
১৩. اَلْبَارِئُ (আল বারিউ)
১৪. اَلْمُصَوِّرُ (আল মুসাব্বির)
১৫. اَلْغَفَّارُ (আল গাফফার)
১৬. اَلْقَهَّارُ (আল কাহ্হার)
১৭. اَلتَّوَّابُ (আ-তাওয়াবু)
১৮. اَلْوَهَّابُ (আল-ওহ্হাবু)
১৯. اَلْفَتَّاحُ (আল খাল্লাকু)
২০. اَلْعَلَيْمُ (আল আলীম)
২১. اَلْقَابِضُ (আল কাবিয)
২২. اَلْبَاسِطُ (আল বাসিত)
২৩. اَلْخَافِضُ (আল খাফি)
২৪. الرَّافِعُ (আর রাফি)
২৫. اَلْمُعِزُّ (আল মুইয)
২৬. اَلْمُذِلَّ (আল-মুযিল)
২৭ ُاَلسَّمِيْع (আস সামিউ)
২৮. اَلْبَصِيْرُ (আল বাসিরু)
২৯. اَلْحَكَمُ (আল হাকামু)
৩০. اَلْعَدْلُ (আল আদল)
৩১. اَللَّطِيْفُ (আল লতীফ)
৩২. اَلْخَبِيْرُ (আল খাবীর)
৩৩. اَلْحَلِيْمُ (আল হালীম)
৩৪. اَلْعَظِيْمُ (আল আযীম)
৩৫. اَلْغَفُوْرُ (আল গাফুর)
৩৬. اَلشَّكُوْرُ (আশ শাকুর)
৩৭. اَلْعَلَيُّ (আল আলীয়্যূ)
৩৮. اَلْكَبِيْرُ (আল কাবীরু)
৩৯. اَلْحَفِيْظُ (আল হাফীযু)
৪০. اَلْمُقِيْتُ (আল মুকীতু)
৪১. اَلْحَسِيْبُ (আল হাসীব)
৪২ اَلْجَلِيْلُ (আল জালীল)
৪৩. اَلْكَرِيْمُ (আল কারীম)
৪৪. اَلرَّقِيْبُ (আর রাকীব)
৪৫ اَلْمُجِيْبُ (আল মুজীব)
৪৬. اَلْوَاسِعُ (আল ওয়াসিউ)
৪৭ اَلْحَكِيْمُ (আল হাকীম)
৪৮. اَلْوَدُوْدُ (আল ওদূদ)
৪৯. اَلْمَجِيْدٌ (আল মজীদ)
৫০. اَلْبَائِثُ (আল বাইসু)
৫১. اَلشَّهِيْدُ (আশ শাহীদ)
৫২. اَلْحَقُّ (আল হক)
৫৩. اَلْوَكِيْلُ (আল ওকীল)
৫৪. أَلْقَوِيُّ (আল কভী)
৫৫. اَلْمَتِيْنُ (আল মতীন)
৫৬. اَلْوَلِيُّ (আল ওলী)
৫৭. اَلْحَمِيْدُ (আল হামীদ)
৫৮. اَلْمُحْصَيْ (আল মুহসী)
৫৯. اَلْمُبْدِئُ (আল মুবদিউ)
৬০. اَلْمُعِيدُ (আল মুইদ)
৬১ اَلْمُحْيِى (আল মুহঈ)
৬২. اَلْمُمِيْتُ (আল মুমীত)
৬৩. اَلْحَيُّ (আল হাইউ)
৬৪. أَلْقَيُّوْمُ (আল কাইয়্যূম)
৬৫. اَلْوَاجِدُ (আল ওয়াজিদ)
৬৬ الْمَجِيْدُ (আল মাজিদু)
৬৭. اَلْوَاحِدُ (আল ওয়াহিদু)
৬৮. اَلْاَحَدُ (আল আহাদ)
৬৯. اَلصَّمَدُ (আস সামাদ)
৭০. اَلْقَدِيْرُ (আল কাদির)
৭১. اَلْمُقْتَدِرُ (আল মুকতাদির)
৭২. الْمُقَدِّمُ (আল মুকাদ্দিম)
৭৩. اَلْمُؤَخِّرُ (আল মুআখ্যির)
৭৪. اَلْاَوَّلُ (আল আওয়াল)
৭৫. اَلْآخِرُ (আল আখিরু)
৭৬. اَلظَّاهِرُ (আয যাহিরু)
৭৭. اَلْبَاطِنُ (আল বাতিন)
৭৮. اَلْوَالِيُ (আল ওয়ালী)
৭৯. اَلْمُتَعَالِى (আল মুতাআলী)
৮০. اَلْبَرُّ (আল বাররু)
৮১. اَلتَّوَّابُ (আত তাওয়াব)
৮২. الْمُنْتَقِمُ (আল মুনতাকিম)
৮৩. ُّاَلْعَفُو (আল আফুউ)
৮৪.. اَلرَّؤُوفُ (আর রাউফ)
৮৫. مَلِكُ الْمُلْكِ (মালিকুল মুলক)
৮৬. ذُو الْجَلَالِ وَالْإِكْرَامِ (যুল জালালি ওয়াল ইকরাম)
৮৭. اَلْمُقْسِطُ (আল মুকসিত)
৮৮. اَلْجَامِعُ (আল জামিউ)
৮৯. اَلْغَنِيُّ (আল গনী)
৯০. اَلْمُغْنِي (আল মুগনী)
৯১. اَلْمَانِعُ (আল মানি)
৯২. اَلضَّارُّ (আদ দার)
৯৩ اَلنَّافِعُ (আন নাফিউ)
৯৪. اَلنُّوْرُ (আন নূর)
৯৫. أَلْهَادِي (আল হাদী)
৯৬. اَلْبَدِيعُ (আল বাদীউ)
৯৭. اَلْبَاقِي (আল বাকী)
৯৮. اَلْوَارِثُ (আল ওয়ারিসু)
৯৯. اَلرَّشِيْدُ (আর রশীদ)
১০০. الصَّبُوْرُ (আস সাবুর)
( فتح البارى جز ٢٦ : ٨٣)
(আস-সামাদ-আল্লাযী লাম য়ালিদ ওয়ালাম য়ূলাদ ওলাম য়াকুল লাহূ কুফুওয়ান আহাদ) (ফতহুল বারী ২৬ পারা পৃষ্ঠা-৮৩)
তিরমিযীর রিওয়ায়াতে উল্লিখিত এবং কুরআন মজীদ থেকে হাফিয ইবনে হাজার কর্তৃক সংকলিত নিরানব্বই আসমাউল হুসনা বা পবিত্র নামের প্রত্যেকটিই মা'রিফাতে ইলাহীর এক একটি দরজা স্বরূপ। উলামায়ে কিরাম বিভিন্ন যুগে এ পবিত্র নাম সমূহের ব্যাখ্যা সম্বলিত কিতাবদি রচনা করেছেন। কঠিন কঠিন সমস্যার সময় এগুলোর মাধ্যমে দু'আ করা আল্লাহওয়ালা বুযুর্গগণের চিরাচরিত অভ্যাস। এটি দু'আ কবুলের একটি পরীক্ষিত পন্থা।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)