আল জামিউল কাবীর- ইমাম তিরমিযী রহঃ
৪৭. নবীজী ﷺ থেকে বর্ণিত যাবতীয় দোয়া-জিকির
হাদীস নং: ৩৫৭৩
আন্তর্জাতিক নং: ৩৫৭৩
নবীজী ﷺ থেকে বর্ণিত যাবতীয় দোয়া-জিকির
সুদিনের অপেক্ষা করা ইত্যাদি
৩৫৭৩. আব্দুল্লাহ ইবনে আব্দুর রহমান (রাহঃ) ..... উবাদা ইবনে সামিত (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ পৃথিবীর উপর যত মুসলিম আছে তারা যখন আল্লাহর কাছে দুআ করে তখন আল্লাহ তাআলা হয়ত তাকে সে যা চেয়েছে তা দিয়ে দেন বা এর ফলে অনুরূপ কোন মন্দ পরিণাম তিনি দূরীভূত করে দেন যদি না সে কোন পাপকার্যের বা আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন করার দুআ করে। উপস্থিত লোকেদের মধ্য থেকে এক ব্যক্তি তখন বললঃ তাহলে আমরা অনেক বেশী বেশী দুআ করব। নবী (ﷺ) বললেনঃ আল্লাহ তাআলাও আরো বেশী করে তা কবুল করবেন।
হাদীসটি এই সূত্রে হাসান-সহীহ-গারীব। ইবনে ছাওবান (রাহঃ) হলেন, আব্দুর রহমান ইবনে ছাবিত ইবনে ছাওবান, ইনি একজন শামবাসী আবিদ-বুযর্গ ব্যক্তি।
হাদীসটি এই সূত্রে হাসান-সহীহ-গারীব। ইবনে ছাওবান (রাহঃ) হলেন, আব্দুর রহমান ইবনে ছাবিত ইবনে ছাওবান, ইনি একজন শামবাসী আবিদ-বুযর্গ ব্যক্তি।
أبواب الدعوات عن رسول الله صلى الله عليه وسلم
باب فِي انْتِظَارِ الْفَرَجِ وَغَيْرِ ذَلِكَ
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الدَّارِمِيُّ، أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ، عَنِ ابْنِ ثَوْبَانَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ مَكْحُولٍ، عَنْ جُبَيْرِ بْنِ نُفَيْرٍ، أَنَّ عُبَادَةَ بْنَ الصَّامِتِ، حَدَّثَهُمْ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ " مَا عَلَى الأَرْضِ مُسْلِمٌ يَدْعُو اللَّهَ بِدَعْوَةٍ إِلاَّ آتَاهُ اللَّهُ إِيَّاهَا أَوْ صَرَفَ عَنْهُ مِنَ السُّوءِ مِثْلَهَا مَا لَمْ يَدْعُ بِمَأْثَمٍ أَوْ قَطِيعَةِ رَحِمٍ " . فَقَالَ رَجُلٌ مِنَ الْقَوْمِ إِذًا نُكْثِرَ . قَالَ " اللَّهُ أَكْثَرُ " . قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ غَرِيبٌ مِنْ هَذَا الْوَجْهِ وَابْنُ ثَوْبَانَ هُوَ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ ثَابِتِ بْنِ ثَوْبَانَ الْعَابِدُ الشَّامِيُّ .
হাদীসের ব্যাখ্যা:
এর অর্থ হচ্ছে আল্লাহর কাছে রক্ষিত সম্পদ ভাণ্ডার অনন্ত অসীম এবং চিরস্থায়ী। যদি সকল বান্দা অহরহ তার দরবারে প্রার্থনা করতে থাকে আর তিনি প্রত্যেককেই দানের ফয়সালা করেন, তবুও তাঁর নিয়ামত রাশিতে সামান্যও ঘাটতি পড়বে না। মুস্তাদরকে হাকিমে হযরত জাবির (রা) বর্ণিত একটি হাদীসে আছে, আল্লাহ তা'আলা যখন সেই বান্দাকে পরকালের জন্যে সঞ্চিত তার দুনিয়ার প্রার্থনা সমূহের বিনিময়ে রক্ষিত নিয়ামতরাশি দেখাবেন- যে দুনিয়াতে অনেক বেশি দু'আ করেছে অথচ বাহ্যত: দুনিয়ায় তা কবুল হয়নি তখন ঐ বান্দা বলে উঠবে:
يَا لَيْتَهُ لَمْ يُعَجِّلْ لَهُ شَيْءٌ مِنْ دُعَائِهِ (كنز العمال)
হায়, যদি দুনিয়ায় আমার কোন দু'আই কবুল না হতো আর এখানেই আমি সবগুলি দু'আর বিনিময় পেতাম তা হলে কতই না উত্তম হতো।
-(কানযুল উম্মাল পৃ: ৫৭ জিলদ-২)
يَا لَيْتَهُ لَمْ يُعَجِّلْ لَهُ شَيْءٌ مِنْ دُعَائِهِ (كنز العمال)
হায়, যদি দুনিয়ায় আমার কোন দু'আই কবুল না হতো আর এখানেই আমি সবগুলি দু'আর বিনিময় পেতাম তা হলে কতই না উত্তম হতো।
-(কানযুল উম্মাল পৃ: ৫৭ জিলদ-২)
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)