আল জামিউল কাবীর- ইমাম তিরমিযী রহঃ
৪৭. নবীজী ﷺ থেকে বর্ণিত যাবতীয় দোয়া-জিকির
হাদীস নং: ৩৫৭৭
আন্তর্জাতিক নং: ৩৫৭৭
নবীজী ﷺ থেকে বর্ণিত যাবতীয় দোয়া-জিকির
সুদিনের অপেক্ষা করা ইত্যাদি
৩৫৭৭. মুহাম্মাদ ইবনে ইসমাঈল (রাহঃ) ..... যায়দ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি নবী (ﷺ)-কে বলতে শুনেছেনঃ কেউ যদি (নিন্মের) এই দুআটি পাঠ করে, সে যুদ্ধ থেকে পালায়ন করার মত গুনাহ করলেও আল্লাহ তাআলা তাকে মাফ করে দিবেনঃ
(أَسْتَغْفِرُ اللَّهَ الْعَظِيمَ الَّذِي لاَ إِلَهَ إِلاَّ هُوَ الْحَىَّ الْقَيُّومَ وَأَتُوبُ إِلَيْهِ)
আবু দাউদ
হাদীসটি গারীব। এই সূত্র ছাড়া এটি সম্পর্কে আমাদের কিছু জানা নেই।
(أَسْتَغْفِرُ اللَّهَ الْعَظِيمَ الَّذِي لاَ إِلَهَ إِلاَّ هُوَ الْحَىَّ الْقَيُّومَ وَأَتُوبُ إِلَيْهِ)
আবু দাউদ
হাদীসটি গারীব। এই সূত্র ছাড়া এটি সম্পর্কে আমাদের কিছু জানা নেই।
أبواب الدعوات عن رسول الله صلى الله عليه وسلم
باب فِي انْتِظَارِ الْفَرَجِ وَغَيْرِ ذَلِكَ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا حَفْصُ بْنُ عُمَرَ الشَّنِّيُّ، حَدَّثَنِي أَبِي عُمَرُ بْنُ مُرَّةَ، قَالَ سَمِعْتُ بِلاَلَ بْنَ يَسَارِ بْنِ زَيْدٍ، مَوْلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم حَدَّثَنِي أَبِي عَنْ جَدِّي سَمِعَ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ " مَنْ قَالَ أَسْتَغْفِرُ اللَّهَ الْعَظِيمَ الَّذِي لاَ إِلَهَ إِلاَّ هُوَ الْحَىَّ الْقَيُّومَ وَأَتُوبُ إِلَيْهِ . غُفِرَ لَهُ وَإِنْ كَانَ فَرَّ مِنَ الزَّحْفِ " . قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ غَرِيبٌ لاَ نَعْرِفُهُ إِلاَّ مِنْ هَذَا الْوَجْهِ .
হাদীসের ব্যাখ্যা:
প্রাণ রক্ষার্থে জিহাদের ময়দান থেকে পলায়ন করা জঘন্যতম কবীরা গুনাহগুলোর অন্যতম। কিন্তু এতদসত্ত্বেও এ হাদীসে বলা হয়েছে যে, এমন জঘন্যতম গুনাহর অপরাধে অপরাধী ব্যক্তিও যদি এ শব্দমালা যোগে আল্লাহ তা'আলার দরবারে তাওবা-ইস্তিগফার করে, তাহলে তাকেও ক্ষমা করে দেওয়া হবে। বলা বাহুল্য, এমনতর কথা রাসূলুল্লাহ ﷺ ওহী ও ইলহাম ব্যতিরেকে বলতেই পারেন না। এজন্যে বুঝে নিতে হবে যে, গুনাহগারদের জন্যে ক্ষমা প্রার্থনার এ শব্দমালা স্বয়ং আল্লাহ তা'আলার পক্ষ থেকেই শিক্ষা দেওয়া হয়েছে এবং এ শব্দমালার মাধ্যমে ক্ষমা প্রার্থনাকারীদের বড় বড় গুনাহ মাফ করে দেওয়ার নিশ্চিত ওয়াদা বরং ফয়সালা করা হয়েছে। কী অপার তাঁর রহমত! কিন্তু মনে রাখতে হবে, ইস্তিগফার কেবল শব্দমালার নাম নয়, আল্লাহর নিকট সত্যিকারের ইস্তিগফার হচ্ছে তাই, যা অন্তরের অন্তঃস্থল থেকে নিঃসৃত হয়ে থাকে।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)
বর্ণনাকারী: