আল জামিউস সহীহ- ইমাম বুখারী রহঃ
৪৯- নবীজী সাঃ ও সাহাবা রাঃ ; মর্যাদা ও বিবিধ ফাযায়েল
হাদীস নং: ৩৪১৬
আন্তর্জাতিক নং: ৩৬৮১
- নবীজী সাঃ ও সাহাবা রাঃ ; মর্যাদা ও বিবিধ ফাযায়েল
২০৮৫. উমর ইবনে খাত্তাব আবু হাফস কুরাইশী-আদাবী (রাযিঃ)- এর ফযীলত ও মর্যাদা
৩৪১৬। মুহাম্মাদ ইবনে সালত আবু জাফর-কুফী (রাহঃ) .... হামযা (রাহঃ)- এর পিতা (আব্দুল্লাহ ইবনে উমর (রাযিঃ)) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন, আমি ঘুমিয়ে ছিলাম। (স্বপ্নে) দুধ পান করতে দেখলাম, যে তৃপ্তির চিহ্ন যেন আমার নখগুলির মধ্যে প্রবাহিত হচ্ছিল। তারপর দুধ (পান করার জন্য) উমর (রাযিঃ)- কে দিলাম। সাহাবীগণ জিজ্ঞাসা করলেন, আপনি কি ব্যাখ্যা দিচ্ছেন? তিনি বললেন, ইলম।
كتاب المناقب
باب مَنَاقِبُ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ أَبِي حَفْصٍ الْقُرَشِيِّ الْعَدَوِيِّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ
3681 - حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ الصَّلْتِ أَبُو جَعْفَرٍ الكُوفِيُّ، حَدَّثَنَا ابْنُ المُبَارَكِ، عَنْ يُونُسَ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، قَالَ: أَخْبَرَنِي حَمْزَةُ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَ: «بَيْنَا أَنَا نَائِمٌ، شَرِبْتُ، يَعْنِي، اللَّبَنَ حَتَّى أَنْظُرَ إِلَى الرِّيِّ يَجْرِي فِي ظُفُرِي أَوْ فِي أَظْفَارِي، ثُمَّ نَاوَلْتُ عُمَرَ» فَقَالُوا: فَمَا أَوَّلْتَهُ؟ قَالَ: «العِلْمَ»
হাদীসের ব্যাখ্যা:
সূক্ষ্মদর্শী আলেমগণ বলেছেন যে, ইলমের উপমা আকৃতি অন্য জগতে দুধের ন্যায়। যে ব্যক্তি স্বপ্নে দেখে যে, তাকে দুধ পান করানো হচ্ছে, তবে এর ব্যাখ্যা হলো তাকে ইলম দান করা হবে। দুধ ও ইলমের মধ্যে এ পারস্পরিক সম্পর্ক সুস্পষ্ট যে, দুধ মানবদেহের জন্য সর্বোত্তম উপকারী খাদ্য, তেমনিভাবে ইলম যা আল্লাহর পক্ষ থেকে প্রদান করা হয়, সেটা আত্মার জন্য সর্বোত্তম ও উপকারী।
এ হাদীস দ্বারা জানা গেল যে, আল্লাহ তা'আলার পক্ষ থেকে হুযুর (ﷺ)-কে প্রদত্ত ইলমের মধ্যে হযরত উমর রাযি.-এর বিশেষ অংশ ছিল। হযরত আবু বকর সিদ্দীক (রাযি.)-এর পর যেভাবে তিনি দশ বছর খেলাফত ও নবুওয়াতের নায়েব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং যেভাবে উম্মতের পথপ্রদর্শন করেছেন, তা-ই এর প্রমাণ ও সাক্ষ্য যে, আল্লাহ তা‘আলা তাঁকে ইলমের যথেষ্ট অংশ দান করেছিলেন।
হযরত শাহ ওয়ালী উল্লাহ (রহঃ) 'ইযালাতুল খাফা' নামক গ্রন্থে হযরত উমর রাযি.-এর জ্ঞান-গরীমা সম্পর্কে যা কিছু লিখেছেন, সেটা আলেমদের দেখার মত। এর অধ্যয়নের দ্বারা এ বিষয়ে হযরত ফারুকে আযমের অনন্য বৈশিষ্ট্য পূর্ণরূপে উপলব্ধি করা যেতে পারে।
এ হাদীস দ্বারা জানা গেল যে, আল্লাহ তা'আলার পক্ষ থেকে হুযুর (ﷺ)-কে প্রদত্ত ইলমের মধ্যে হযরত উমর রাযি.-এর বিশেষ অংশ ছিল। হযরত আবু বকর সিদ্দীক (রাযি.)-এর পর যেভাবে তিনি দশ বছর খেলাফত ও নবুওয়াতের নায়েব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং যেভাবে উম্মতের পথপ্রদর্শন করেছেন, তা-ই এর প্রমাণ ও সাক্ষ্য যে, আল্লাহ তা‘আলা তাঁকে ইলমের যথেষ্ট অংশ দান করেছিলেন।
হযরত শাহ ওয়ালী উল্লাহ (রহঃ) 'ইযালাতুল খাফা' নামক গ্রন্থে হযরত উমর রাযি.-এর জ্ঞান-গরীমা সম্পর্কে যা কিছু লিখেছেন, সেটা আলেমদের দেখার মত। এর অধ্যয়নের দ্বারা এ বিষয়ে হযরত ফারুকে আযমের অনন্য বৈশিষ্ট্য পূর্ণরূপে উপলব্ধি করা যেতে পারে।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)