আল-আদাবুল মুফরাদ- ইমাম বুখারী রহঃ

আল-আদাবুল মুফরাদের পরিচ্ছেদসমূহ

হাদীস নং: ৭১৯
আল-আদাবুল মুফরাদের পরিচ্ছেদসমূহ
২৯৬- দোয়ার ফযীলাত।
৭১৯. হযরত নুমান ইবন বাশীর (রাযিঃ) হইতে বর্ণিত আছে যে, নবী করীম (ﷺ) বলেনঃ নিঃসন্দেহে দু'আই হইতেছে ইবাদত। অতঃপর তিনি (কুরআন শরীফের আয়াত) আবৃত্তি করিলেনঃ ادْعُونِي أَسْتَجِبْ لَكُمْ “আমার কাছে দু'আ কর। আমি তােমাদের দু'আ কবুল করিব।”
أبواب الأدب المفرد للبخاري
حَدَّثَنَا أَبُو الْوَلِيدِ ، قَالَ : حَدَّثَنَا شُعْبَةُ ، عَنْ مَنْصُورٍ ، عَنْ ذَرٍّ ، عَنْ يُسَيْعَ ، عَنِ النُّعْمَانِ بْنِ بَشِيرٍ ، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ، قَالَ : " إِنَّ الدُّعَاءَ هُوَ الْعِبَادَةُ ، ثُمَّ قَرَأَ : ادْعُونِي أَسْتَجِبْ لَكُمْ

হাদীসের ব্যাখ্যা:

আসল হাদীস কেবল এতটুকু, দু'আ নিজেই ইবাদত। সম্ভবত হুযুর ﷺ-এর এ বাণীর অভীষ্ট লক্ষ্য হচ্ছে এই যে, কেউ যেন এরূপ না ভাবে যে, বান্দা যেমন তার যরূরত বা প্রয়োজন পূরণ করার জন্যে অন্য দশটা চেষ্টা-তদবীর করে থাকে, দু'আও সেরূপ একটা চেষ্টা মাত্র। সে তার চেষ্টার ফল পেয়ে গেল। আর যদি কবুল না হয় তা হলে তার সে চেষ্টা বিফলে গেল। বরং দু'আ হচ্ছে সম্পূর্ণ একটি ভিন্ন ধাচের ব্যাপার। আর তা হচ্ছে তা উদ্দেশ্য সিদ্ধির একটি উসীলা বা মাধ্যম হওয়া সত্ত্বেও নিজেও একটি ইবাদত। আর এ হিসাবে তা তার একটি পবিত্র আমলও বটে যার ফল সে অবশ্যই আখিরাতে লাভ করবে।

যে আয়াতখানা তিনি সনদ স্বরূপ তিলাওয়াত করছেন তার দ্বারা পরিষ্কার বুঝা যায় যে, আল্লাহ তা'আলার নিকট দু'আ নিজেই ইবাদত। অন্য হাদীসে দু'আকে ইবাদতের মগজ বা সার নির্যাস স্বরূপ বলা হয়েছে।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)
tahqiqতাহকীক:তাহকীক চলমান