মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত শরীফ)
২- ঈমানের অধ্যায়
হাদীস নং: ২৯
- ঈমানের অধ্যায়
দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ
২৯। হযরত মুআয ইবনে জাবাল (রাযিঃ) বলেন, আমি এক সফরে নবী করীম (ﷺ)-এর সাথে ছিলাম। এক সকালে আমি তাঁর খুব নিকটবর্তী হলাম তখন আমরা চলছিলাম। আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আমাকে এমন একটি আমলের কথা বলুন যা আমাকে জান্নাতে দাখিল করবে এবং দোযখ থেকে দূরে রাখবে। নবী করীম (ﷺ) বললেন, তুমি এক কঠিন প্রশ্ন করেছ, তবে বিষয়টি সহজ, যার জন্য আল্লাহ তা সহজ করেন। তুমি আল্লাহর ইবাদত করবে। তাঁর সাথে কাউকে শরীক করবে না। নামায কায়েম করবে, যাকাত আদায় করবে, রমযানে রোযা রাখবে, বায়তুল্লাহর হজ্জ করবে। তারপর নবী করীম (ﷺ) বললেন, আমি কি তোমাকে কল্যাণের দ্বারগুলো সম্পর্কে ওয়াকিফহাল করব না? রোযা হল ঢাল, আর সদকা গুনাহকে এমনভাবে মিটিয়ে দেয়, যেমন পানি আগুন নিভিয়ে ফেলে এবং মধ্যরাতের নামায। এরপর তিনি তেলাওয়াত করেন, “তারা তাদের পার্শ্বদেশ বিছানা থেকে আলাদা রাখে, তারা ভয় এবং প্রত্যাশায় তাদের প্রভুকে ডাকতে থাকে এবং আমি যা কিছু দান করেছি তা থেকে ব্যয় করে। অথচ কেউ অবগত নয় তাদের কৃতকর্মের পুরস্কার স্বরূপ পরকালে তাদের জন্য কি চক্ষু জুড়ানো বস্তু গোপন রাখা হয়েছে। অতঃপর নবী করীম (ﷺ) বলেন, আমি কি তোমাকে বাতলে দিব না যে, দ্বীনের শিরবস্তু, খুঁটি ও উচ্চশিখর কি? হযরত মুআয বলেন, অবশ্যই হে আল্লাহর রাসূল! তখন তিনি বললেন, দ্বীনের শির হল ইসলাম, তার খুঁটিগুলো হল নামায, তার উচ্চ শিখর হল জিহাদ। অতঃপর নবী করীম (ﷺ) বললেন, আমি কি তোমাকে সবকিছুর গোড়ার কথা বলে দিব না? বললাম, অবশ্যই হে আল্লাহর নবী। তখন তিনি স্বীয় জিহ্বা ধরে বললেন, এটাকে সংযত রাখবে। তখন আমি বললাম, হে আল্লাহর নবী! আমাদের জিহ্বা দ্বারা যা কিছু বলি, আমরা কি তা দ্বারা পাকড়াও হবো? রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেনঃ তোমার মা তোমাকে হারিয়ে ফেলুক! কিয়ামতের দিন মানুষকে শুধু তাদের জিহ্বার কথাবার্তার কারণেই মুখের বা নাকের উপর উপুড় করে জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে। (আহমদ, তিরমিযী, ইবনে মাজা)
كتاب الإيمان
الفصل الثانى
عَن معَاذ بن جبل قَالَ كُنْتُ مَعَ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي سفر فَأَصْبَحت يَوْمًا قَرِيبا مِنْهُ وَنحن نسير فَقلت يَا رَسُولَ اللَّهِ أَخْبِرْنِي بِعَمَلٍ يُدْخِلُنِي الْجَنَّةَ وَيُبَاعِدنِي عَن النَّار قَالَ لقد سَأَلتنِي عَن عَظِيمٍ وَإِنَّهُ لِيَسِيرٌ عَلَى مَنْ يَسَّرَهُ اللَّهُ عَلَيْهِ تَعْبُدُ اللَّهَ وَلَا تُشْرِكُ بِهِ شَيْئًا وَتُقِيمَ الصَّلَاةَ وَتُؤْتِيَ الزَّكَاةَ وَتَصُومَ رَمَضَانَ وَتَحُجَّ الْبَيْت ثُمَّ قَالَ أَلَا أَدُلُّكَ عَلَى أَبْوَابِ الْخَيْرِ الصَّوْمُ جُنَّةٌ وَالصَّدَقَةُ تُطْفِئُ الْخَطِيئَةُ كَمَا يُطْفِئُ المَاء النَّار وَصَلَاة الرجل من جَوف اللَّيْل قَالَ ثمَّ تَلا (تَتَجَافَى جنُوبهم عَن الْمضَاجِع)
حَتَّى بَلَغَ (يَعْمَلُونَ)
ثُمَّ قَالَ أَلَا أَدُلُّكَ بِرَأْس الْأَمر كُله وَعَمُودِهِ وَذِرْوَةِ سَنَامِهِ قُلْتُ بَلَى يَا رَسُولَ اللَّهِ قَالَ رَأْسُ الْأَمْرِ الْإِسْلَامُ وَعَمُودُهُ الصَّلَاةُ وَذِرْوَةُ سَنَامِهِ الْجِهَادُ ثُمَّ قَالَ أَلَا أُخْبِرُكَ بِمِلَاكِ ذَلِكَ كُلِّهِ قُلْتُ بَلَى يَا نَبِيَّ اللَّهِ فَأَخَذَ بِلِسَانِهِ فَقَالَ كُفَّ عَلَيْكَ هَذَا فَقُلْتُ يَا نَبِيَّ اللَّهِ وَإِنَّا لَمُؤَاخَذُونَ بِمَا نتكلم بِهِ فَقَالَ ثَكِلَتْكَ أُمُّكَ يَا مُعَاذُ وَهَلْ يَكُبُّ النَّاسَ فِي النَّارِ عَلَى وُجُوهِهِمْ أَوْ عَلَى مَنَاخِرِهِمْ إِلَّا حَصَائِدُ أَلْسِنَتِهِمْ. رَوَاهُ أَحْمَدُ وَالتِّرْمِذِيُّ وَابْنُ مَاجَه
حَتَّى بَلَغَ (يَعْمَلُونَ)
ثُمَّ قَالَ أَلَا أَدُلُّكَ بِرَأْس الْأَمر كُله وَعَمُودِهِ وَذِرْوَةِ سَنَامِهِ قُلْتُ بَلَى يَا رَسُولَ اللَّهِ قَالَ رَأْسُ الْأَمْرِ الْإِسْلَامُ وَعَمُودُهُ الصَّلَاةُ وَذِرْوَةُ سَنَامِهِ الْجِهَادُ ثُمَّ قَالَ أَلَا أُخْبِرُكَ بِمِلَاكِ ذَلِكَ كُلِّهِ قُلْتُ بَلَى يَا نَبِيَّ اللَّهِ فَأَخَذَ بِلِسَانِهِ فَقَالَ كُفَّ عَلَيْكَ هَذَا فَقُلْتُ يَا نَبِيَّ اللَّهِ وَإِنَّا لَمُؤَاخَذُونَ بِمَا نتكلم بِهِ فَقَالَ ثَكِلَتْكَ أُمُّكَ يَا مُعَاذُ وَهَلْ يَكُبُّ النَّاسَ فِي النَّارِ عَلَى وُجُوهِهِمْ أَوْ عَلَى مَنَاخِرِهِمْ إِلَّا حَصَائِدُ أَلْسِنَتِهِمْ. رَوَاهُ أَحْمَدُ وَالتِّرْمِذِيُّ وَابْنُ مَاجَه
হাদীসের ব্যাখ্যা:
জান্নাতে যাওয়ার জন্য যেসব অবশ্য পালনীয় আমলের উল্লেখ নবী করীম ﷺ করেছেন, তার মধ্যে নামায, রোযা, হজ্জ ও যাকাতের সাথে আল্লাহর ইবাদত করা এবং শিরক থেকে দূরে থাকার কথা রয়েছে। নামায, রোযা, হজ্জ ও যাকাতের উল্লেখ করার পূর্বে পৃথকভাবে আল্লাহর ইবাদত করা এবং শিরক থেকে দূরে থাকার বর্ণনা করা খুবই তাৎপর্যপূর্ণ। তাতে বুঝা যাচ্ছে, বর্ণিত চারটি ইবাদত ছাড়াও আরো ইবাদত রয়েছে, যা জান্নাতের জন্য সম্পাদন করা অপরিহার্য। আল্লাহর ইবাদত করা ও তাঁর সাথে কাউকে শরীক না করা খুবই ব্যাপক বিষয়। জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত এবং জীবনের সকল পর্যায়ে, মসজিদ থেকে রণাঙ্গন পর্যন্ত যার মধ্যে ব্যবসা-বাণিজ্য, লেন-দেন, অফিস-আদালত, পার্লামেন্ট শামিল রয়েছে। আল্লাহর ইবাদত করা এবং তাঁর সাথে বা তাঁর গুণ ও এখতিয়ারের সাথে কাউকে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে শরীক না করা। কোন ব্যক্তি নামায, রোযা, হজ্জ ও যাকাত সম্পাদন করা সত্ত্বেও জীবনের বৃহত্তম এবং বাস্তব কর্মক্ষেত্রে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে আল্লাহর গুণ ও এখতিয়ারের সাথে যদি কোন ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা আদর্শকে শরীক করে, তাহলে সে শিরকের দোষে দোষী সাব্যস্ত হবে। তাকে আখিরাতের আদালতে অপমানের বোঝা বহন করতে হবে। অনেক নামধারী মুসলমান আল্লাহর সত্তার সাথে শিরক করাকে অপসন্দ করলেও আল্লাহ জাল্লা-জালালুহুর সিফাত ও এখতিয়ারের সাথে শিরক করার অর্থ মোটেই বুঝে না বা বুঝবার চেষ্টা করে না। আলেম সমাজের উচিত, এ ধরনের লোকের অজ্ঞতা দূর করা। অন্যথায় এসব লোকের অজ্ঞতার অপরাধের জন্য আখিরাতের আদালতে তাদের সাথে আলেমদেরকেও আসামীর কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হবে।
সদকা, রোযা এবং মধ্যরাতের নামায অর্থাৎ তাহাজ্জুদ ও অন্যান্য নফল ইবাদতকে কল্যাণের দরজা হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে। সদকা পাপকে নির্বাপিত করে। সদকার মাধ্যমে আল্লাহ মানুষের পাপ দূর করে দেন এবং সদকাকারীকে পাক-সাফ থাকার তওফিক দান করেন। রোযা বান্দাকে পাপ থেকে রক্ষা করে। মধ্যরাতের নামাযের খুব ফযীলত রয়েছে। তাহাজ্জুদ গুযার এবং দাতা ব্যক্তির জন্য জান্নাতের মধ্যে এমন সব নিয়ামত রাখা হয়েছে যা দুনিয়ার কোন প্রাণী কখনো দেখেনি।
অতঃপর নবী করীম ﷺ দীনের একটা নক্সা পেশ করেছেন। তাতে ইসলামকে راس الامر বা দীনের প্রধান অংশ বা দীনের মাথা বলা হয়েছে। শরীরের সাথে মাথার যে সম্পর্ক, দীনের সাথে ইসলামেরও সে সম্পর্ক। এখানে ইসলাম বলতে শুধু কালেমা লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু পড়ে ইসলাম কবুল করা নয়, বরং ইসলামকে দীন হিসেবে অর্থাৎ জীবনের যাবতীয় দিক ও বিভাগের এবং জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত গোটা জীবনের জন্য একক এবং একমাত্র ব্যবস্থা হিসেবে গ্রহণ করা বুঝানো হয়েছে। নামাযকে দীনের স্তম্ভ বলা হয়েছে। অপর একটি মশহুর হাদীসে নামাযসহ পাঁচটি জিনিস, যথা: কালেমা শাহাদাত, নামায, রোযা, হজ্জ ও যাকাতকে দীনের স্তম্ভ বলা হয়েছে। যেরূপ স্তম্ভ ছাড়া ইমারত দাঁড়াতে পারে না, সেরূপ বর্ণিত বিষয়সমূহ ছাড়া দীনের কল্পনা করা যায় না। যেরূপ স্তম্ভের নাম ইমারত নয়, সেরূপ নামাযসহ পাঁচটি জিনিসের সমষ্টিও পরিপূর্ণ দীন নয়। যেরূপ ইমারতকে বসবাস উপযোগী করার জন্য দরজা-জানালা, ছাদ, প্রাচীর প্রভৃতির প্রয়োজন হয়, সেরূপ দীনকে পরিপূর্ণ রূপ দান করার জন্য আরো বহু জিনিসের প্রয়োজন হয়। জিহাদকে দীনের বুলন্দ শীর্ষ হিসেবে আখ্যায়িত করে নবী করীম ﷺ দীনের পরিপূর্ণ রূপের উপর আলোকসম্পাত করেছেন। অর্থাৎ দীনকে পরিপূর্ণ রূপ দান করতে হলে, দীনকে অন্য দীনের উপর বিজয়ী করতে হলে জিহাদ অপরিহার্য। দীন ইসলামকে অপর দীনের উপর বিজয়ী করার উদ্দেশ্যে জিহাদ পরিচালনা করা বা জিহাদের প্রস্তুতি গ্রহণ করার জন্য খিলাফত আলা মিনহাজিন নবুওয়ত বা নবুওয়তের পদ্ধতিতে রাষ্ট্র ব্যবস্থা কায়েম করা অপরিহার্য। এ জন্য যে সংগ্রাম ও সাধনা করা হয়, তা জিহাদের অন্তর্ভুক্ত।
কঠিন ও গুরুত্বপূর্ণ ইবাদতের ফল থেকে বান্দা যাতে বঞ্চিত না হয় তার জন্য নবী করীম ﷺ জিহ্বার হিফাযতের উপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন। জিহ্বাকে সংযত না রাখলে বান্দা জীবনব্যাপী বহু সংখ্যক ইবাদত করা সত্ত্বেও কিয়ামতের দিন বিপদের সম্মুখীন হতে পারে। জিহ্বার অপপ্রয়োগ বা অন্যায় প্রয়োগের কারণে মানুষ দোষখে নিক্ষিপ্ত হবে।
সদকা, রোযা এবং মধ্যরাতের নামায অর্থাৎ তাহাজ্জুদ ও অন্যান্য নফল ইবাদতকে কল্যাণের দরজা হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে। সদকা পাপকে নির্বাপিত করে। সদকার মাধ্যমে আল্লাহ মানুষের পাপ দূর করে দেন এবং সদকাকারীকে পাক-সাফ থাকার তওফিক দান করেন। রোযা বান্দাকে পাপ থেকে রক্ষা করে। মধ্যরাতের নামাযের খুব ফযীলত রয়েছে। তাহাজ্জুদ গুযার এবং দাতা ব্যক্তির জন্য জান্নাতের মধ্যে এমন সব নিয়ামত রাখা হয়েছে যা দুনিয়ার কোন প্রাণী কখনো দেখেনি।
অতঃপর নবী করীম ﷺ দীনের একটা নক্সা পেশ করেছেন। তাতে ইসলামকে راس الامر বা দীনের প্রধান অংশ বা দীনের মাথা বলা হয়েছে। শরীরের সাথে মাথার যে সম্পর্ক, দীনের সাথে ইসলামেরও সে সম্পর্ক। এখানে ইসলাম বলতে শুধু কালেমা লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু পড়ে ইসলাম কবুল করা নয়, বরং ইসলামকে দীন হিসেবে অর্থাৎ জীবনের যাবতীয় দিক ও বিভাগের এবং জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত গোটা জীবনের জন্য একক এবং একমাত্র ব্যবস্থা হিসেবে গ্রহণ করা বুঝানো হয়েছে। নামাযকে দীনের স্তম্ভ বলা হয়েছে। অপর একটি মশহুর হাদীসে নামাযসহ পাঁচটি জিনিস, যথা: কালেমা শাহাদাত, নামায, রোযা, হজ্জ ও যাকাতকে দীনের স্তম্ভ বলা হয়েছে। যেরূপ স্তম্ভ ছাড়া ইমারত দাঁড়াতে পারে না, সেরূপ বর্ণিত বিষয়সমূহ ছাড়া দীনের কল্পনা করা যায় না। যেরূপ স্তম্ভের নাম ইমারত নয়, সেরূপ নামাযসহ পাঁচটি জিনিসের সমষ্টিও পরিপূর্ণ দীন নয়। যেরূপ ইমারতকে বসবাস উপযোগী করার জন্য দরজা-জানালা, ছাদ, প্রাচীর প্রভৃতির প্রয়োজন হয়, সেরূপ দীনকে পরিপূর্ণ রূপ দান করার জন্য আরো বহু জিনিসের প্রয়োজন হয়। জিহাদকে দীনের বুলন্দ শীর্ষ হিসেবে আখ্যায়িত করে নবী করীম ﷺ দীনের পরিপূর্ণ রূপের উপর আলোকসম্পাত করেছেন। অর্থাৎ দীনকে পরিপূর্ণ রূপ দান করতে হলে, দীনকে অন্য দীনের উপর বিজয়ী করতে হলে জিহাদ অপরিহার্য। দীন ইসলামকে অপর দীনের উপর বিজয়ী করার উদ্দেশ্যে জিহাদ পরিচালনা করা বা জিহাদের প্রস্তুতি গ্রহণ করার জন্য খিলাফত আলা মিনহাজিন নবুওয়ত বা নবুওয়তের পদ্ধতিতে রাষ্ট্র ব্যবস্থা কায়েম করা অপরিহার্য। এ জন্য যে সংগ্রাম ও সাধনা করা হয়, তা জিহাদের অন্তর্ভুক্ত।
কঠিন ও গুরুত্বপূর্ণ ইবাদতের ফল থেকে বান্দা যাতে বঞ্চিত না হয় তার জন্য নবী করীম ﷺ জিহ্বার হিফাযতের উপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন। জিহ্বাকে সংযত না রাখলে বান্দা জীবনব্যাপী বহু সংখ্যক ইবাদত করা সত্ত্বেও কিয়ামতের দিন বিপদের সম্মুখীন হতে পারে। জিহ্বার অপপ্রয়োগ বা অন্যায় প্রয়োগের কারণে মানুষ দোষখে নিক্ষিপ্ত হবে।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)