মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত শরীফ)
২- ঈমানের অধ্যায়
হাদীস নং: ৩৫
- ঈমানের অধ্যায়
দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ
৩৫। হযরত আনাস (রাযিঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) খুব কম ভাষণ আমাদের সামনে দিয়েছেন এবং তাতে বলেছেন, যার আমানত নেই তার ঈমান নেই। যার ওয়াদা ঠিক নেই তার দ্বীন নেই। (বায়হাকী শু'আবুল ঈমান)
كتاب الإيمان
الفصل الثانى
وَعَنْ أَنَسٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ: قَلَّمَا خَطَبَنَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِلَّا قَالَ: «لَا إِيمَانَ لِمَنْ لَا أَمَانَةَ لَهُ وَلَا دِينَ لِمَنْ لَا عَهْدَ لَهُ» . رَوَاهُ الْبَيْهَقِيُّ فِي شُعَبِ الْإِيمَانِ
হাদীসের ব্যাখ্যা:
যে আমানতদারী এবং প্রতিশ্রুতি রক্ষা করে না সে যে দীন এবং ঈমানের হাকীকত থেকে বঞ্চিত তা তার প্রমাণ। আমানতের হেফাযত এবং প্রতিশ্রুতি রক্ষা করা ঈমান ও ইসলামের অপরিহার্য দিক। বিভিন্ন হাদীসের ন্যায় আলোচ্য হাদীসের উদ্দেশ্যও একথা ঘোষণা করা নয় যে, আমানত ও প্রতিশ্রুতি ভঙ্গকারী ব্যক্তি দীন ইসলামের সীমানা থেকে বিলকুল বের হয়ে গিয়েছে এবং তার বিরুদ্ধে কুফুরী করার আইন প্রয়োগ করা হবে। বরং এ ধরনের ব্যক্তি যে ঈমানের আসল হাকীকত এবং নূর থেকে বঞ্চিত তা উল্লেখ করাই হল উদ্দেশ্য। বলা বাহুল্য এ ধরনের ব্যক্তির ঈমান ত্রুটিযুক্ত এবং নিষ্প্রাণ।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)