মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত শরীফ)
৫- নামাযের অধ্যায়
হাদীস নং: ৮১৪
- নামাযের অধ্যায়
১১. প্রথম অনুচ্ছেদ - তাকবীরে তাহরীমার পর যা পড়তে হয়
৮১৪। হযরত আনাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত রয়েছে, এক ব্যক্তি এসে নামাযের কাতারে প্রবেশ করল। সে তখন হ্যাঁপাচ্ছিল। সে বলল, “আল্লাহু আকবার, আলহামদু লিল্লাহি হামদান কাছীরান তাইয়্যিবান, মুবারাকান ফীহি” অর্থাৎ আল্লাহ অতি মহান আল্লাহর জন্য যাবতীয় প্রশংসা। তিনি পবিত্র এবং মঙ্গলময়। এরপর যখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) নামায শেষ করলেন। তিনি বললেন, তোমাদের মধ্যে এই কথাগুলো কে বলেছে? সকলে নীরব রইল। তিনি আবার জিজ্ঞেস করলেন, তোমাদের মধ্যে কথাগুলো কে বলেছে? (তখনও) সকলে নীরব রইল। তিনি আবার জিজ্ঞেস করলেন, তোমাদের মধ্যে কে এই কথাগুলো বলেছে? সে খারাপ কোন কথা বলেনি। তখন একটি লোক বলে উঠল, ইয়া রাসূলাল্লাহ (ﷺ)! আমি। আমিই ওই কথাগুলো বলেছি। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললন, আমি বারজন ফিরিশতাকে দেখেছি, তারা তা নিয়ে আল্লাহর দরবারে কে প্রথম যেতে পারে তজ্জন্য তাড়াহুড়া করছে।—মুসলিম
كتاب الصلاة
بَابُ مَا يُقْرَاُ بَعْدَ التَّكْبِيْرِ
وَعَنْ أَنَسٍ: أَنَّ رَجُلًا جَاءَ فَدَخَلَ الصَّفَّ وَقد حفزه النَّفس فَقَالَ: الْحَمْدُ لِلَّهِ حَمْدًا كَثِيرًا طَيِّبًا مُبَارَكًا فِيهِ فَلَمَّا قَضَى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ صَلَاتَهُ قَالَ: «أَيُّكُمُ الْمُتَكَلِّمُ بِالْكَلِمَاتِ؟» فَأَرَمَّ الْقَوْمُ. فَقَالَ: «أَيُّكُمُ الْمُتَكَلِّمُ بِالْكَلِمَاتِ؟» فَأَرَمَّ الْقَوْمُ. فَقَالَ: «أَيُّكُمُ الْمُتَكَلِّمُ بِهَا فَإِنَّهُ لَمْ يَقُلْ بَأْسًا» فَقَالَ رَجُلٌ: جِئْتُ وَقَدْ حَفَزَنِي النَّفْسُ فَقَلْتُهَا. فَقَالَ: «لَقَدْ رَأَيْتُ اثْنَيْ عَشَرَ مَلَكًا يَبْتَدِرُونَهَا أَيُّهُمْ يرفعها» . رَوَاهُ مُسلم
হাদীসের ব্যাখ্যা:
হাদীসে 'রাব্বানা ওয়া লাকাল হাম্দ হামদান কাসীরান' বাক্যটি উচ্চারণ করার পর তা লেখার জন্য যে ত্রিশজনেরও অধিক ফিরিশতার প্রতিযোগিতার বিষয় উল্লিখিত হয়েছে। তার বিশেষ কারণ সম্ভবত এই ঐ ব্যক্তি যখন তা বলেছিলেন তখন হয়ত তাঁর অন্তরে এক বিশেষ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছিল যার ফলে তিনি আল্লাহর গুণকীর্তন ও বরকতপূর্ণ বাক্য বলে ফেলেছিলেন।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)