মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত শরীফ)
৫- নামাযের অধ্যায়
হাদীস নং: ৮৭০
- নামাযের অধ্যায়
১৩. প্রথম অনুচ্ছেদ - রুকূ‘
৮৭০। হযরত আনাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেছেন, নবী পাক (ﷺ) সামিআল্লাহু লিমান হামিদাহ বলার সময় সোজা হয়ে এত দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে থাকতেন, যাতে আমাদের মনে হত যে, তিনি নিশ্চয়ই ভুলে গিয়েছেন, তারপর তিনি সিজদাহ করতেন এবং দুই সিজদার মাঝখানে এত দীর্ঘ সময় বসে থাকতেন, যাতে আমাদের মনে হত যে, তিনি নিশ্চয়ই ভুলে গিয়েছেন। -মুসলিম
كتاب الصلاة
بَابُ الرُّكُوْعِ
وَعَنْ أَنَسٍ قَالَ: كَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا قَالَ: «سَمِعَ اللَّهُ لِمَنْ حَمِدَهُ» قَامَ حَتَّى نَقُولَ: قَدْ أَوْهَمَ ثُمَّ يَسْجُدُ وَيَقْعُدُ بَيْنَ السَّجْدَتَيْنِ حَتَّى نَقُولَ: قَدْ أوهم. رَوَاهُ مُسلم
হাদীসের ব্যাখ্যা:
হযরত আনাস (রা) বর্ণিত আলোচ্য হাদীস থেকে জানা যায় যে, কখনো কখনো এত দীর্ঘ কিয়াম ও বৈঠক করতেন যাতে নবী কারীম ﷺ সাহাবা কিরাম নবী কারীম ﷺ এর ভুল হয়ে গেছে বলে সন্দেহ করতেন।আরো জানা যায় যে, এরূপ হতো খুবই কদাচিৎ, তাঁর সাধারণ অভ্যাস এরূপ ছিলনা। কেননা প্রত্যহ যদি এরূপ হতো তাহলে ভুলের সন্দেহ হতো না।
রুকূ ও সিজদার ন্যায় কিয়াম ও বৈঠকে রাসূলুল্লাহ ﷺ থেকে যে সব দু'আ বর্ণিত হয়েছে তা নিঃসন্দেহে অত্যন্ত বরকতময় ও মকবুল দু'আ। তবে সালাত আদায়কারী যদি ইমাম হয়, তবে সে যেন নবী কারীম ﷺ এর ঐ বাণীর প্রতি লক্ষ্য রাখে যে, ইমামের এমন কোন কাজ করা সমীচীন নয় যাতে মুক্তাদী কষ্ট হয়।
রুকূ ও সিজদার ন্যায় কিয়াম ও বৈঠকে রাসূলুল্লাহ ﷺ থেকে যে সব দু'আ বর্ণিত হয়েছে তা নিঃসন্দেহে অত্যন্ত বরকতময় ও মকবুল দু'আ। তবে সালাত আদায়কারী যদি ইমাম হয়, তবে সে যেন নবী কারীম ﷺ এর ঐ বাণীর প্রতি লক্ষ্য রাখে যে, ইমামের এমন কোন কাজ করা সমীচীন নয় যাতে মুক্তাদী কষ্ট হয়।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)